• রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ভোটার এলাকা বদল ও নতুন নিবন্ধনের শেষ সময় ৩১ অক্টোবর ‘উদ্যোগ’ কর্মসূচিতে ৫৬ জেলায় আবেদন গ্রহণ শুরু ১ নভেম্বর রাশেদ খাঁনকে ‘পাল্টা জবাব’ দিলেন খালিদুজ্জামানের খুলনা ডিসি অফিসে অগ্নিকাণ্ড প্রতিবন্ধীদের দাবি বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগের আশ্বাস বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ফসলি জমির মাটি চুরি ও খামার ভাঙচুরের ঘটনায় জেলা প্রশাসক, ইউএনও ও থানায় মামলা কুড়িগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের ৩ জনসহ নিহত-৫ মাথাপিছু জিডিপিতে ভারতকে ছাড়াল বাংলাদেশ সৌদিগামী ১০৭ ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে ১৬ হাজার যাত্রী শারদীয় দুর্গোৎসবে ধর্মীয় সম্প্রীতি ও নিরাপত্তার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
স্বাগতম:
দৈনিক তোলপাড় পত্রিকায় প্রবেশ করায় আপনাকে স্বাগতম। গুরত্বপূর্ণ তথ্যের জন্য ওয়েবসাইটটির সাথেই থাকুন, আপনার প্রতিষ্ঠানের বহুল প্রচারের জন্য নিয়মিত বিজ্ঞাপন দিন +৮৮-০১৭১৯০২৬৭০০

আসিফের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ এআই দিয়ে বানানো? যা বলল দুদক

তোলপাড় প্রতিবেদক:
আপডেট: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

Views: 0

সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতির যে অনুসন্ধান চলছে, সেগুলো ‘এআই দিয়ে তৈরি’ কিনা, সেই প্রশ্নের মুখে পড়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

মঙ্গলবার দুদকের ব্রিফিংয়ে কমিশনের সচিব সাইদুর রহমান খানের কাছে সাংবাদিকরা জানতে চান, অনুসন্ধানে নামার আগে অভিযোগের প্রাথমিক তথ্য-প্রমাণ মিলেছিল কিনা?

জবাবে দুদক সচিব বলেন, অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই কমিশন পরবর্তী ধাপে গেছে। চলমান অনুসন্ধানে যেসব তথ্য পাওয়া যাবে, সে অনুযায়ী পরবর্তী কার্যক্রম নেওয়া হবে।-খবর তোলপাড়।

অভিযোগগুলো আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে ছড়ানো ‘এআই দিয়ে তৈরি’ তথ্যের সঙ্গে মিলে যাওয়ার বিষয়টি তুলে ধরা হলে সচিব বলেন, “না, অনেক কথাই বলা হচ্ছে।”

পরে তিনি বলেন, “আপনারা নিজেরাই বুঝতে পারবেন যে এটা মনগড়া কিনা, বা আমরা আমাদের মতো করে কোনো উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ করছি কিনা।”

আসিফের বিরুদ্ধে অভিযোগ অনুসন্ধানে নেওয়ার মতো প্রাথমিক ভিত্তি বা ‘প্রাইমা ফেসি’ ছিল কিনা, এমন প্রশ্নও আসে ব্রিফিংয়ে।

জবাবে দুদক সচিব বলেন, অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই পরবর্তী কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে। অনুসন্ধান প্রতিবেদন পাওয়ার পর কমিশন পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে।

আসিফের বিরুদ্ধে বিদেশে সম্পদ ও অর্থ পাচারের অভিযোগ থাকায় পারস্পরিক আইনি সহায়তা চেয়ে সংশ্লিষ্ট দেশে এমএলএআর পাঠানো হবে কিনা, সেটাও জানতে চান সাংবাদিকরা।

দুদক সচিব বলেন, “যদি আইনের আওতায় এটা পড়ে, আমরা অবশ্যই করব। এমএলএআর যদি পাঠাতে হয়, আমরা অবশ্যই পাঠাব। আমরা সত্যতা যাচাই করে যদি সেখানে সারবত্তা থাকে, তাহলে আমরা পরবর্তী ধাপে অগ্রসর হব।”

এমএলএআরের মাধ্যমে বিদেশি কর্তৃপক্ষের কাছে ব্যাংক হিসাব, সম্পদ বা লেনদেনসহ কোনো তদন্তের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য ও আইনি সহায়তা চাওয়া যায়।

আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে বিদেশে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচার, নিয়োগ-পদায়নে অর্থ লেনদেন, উন্নয়ন প্রকল্প ও টেন্ডারে কমিশন নেওয়াসহ বিভিন্ন অভিযোগ অনুসন্ধান করছে দুদক।

রোববার দুদকের তরফে বলা হয়, দুবাইয়ে ৪ হাজার ৫০০ কোটি, সিঙ্গাপুরে ৩ হাজার কোটি, অস্ট্রেলিয়ায় ২ হাজার কোটি এবং সুইজারল্যান্ডে ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ রয়েছে। চার দেশের অভিযোগের অঙ্ক যোগ করলে তা ১১ হাজার কোটি টাকা হয়।

তবে এসব অভিযোগের সত্যতা এখনও প্রমাণিত হয়নি।

এর মধ্যে আসিফের বিরুদ্ধে দুদকের তুলে ধরা কয়েকটি অভিযোগ ও টাকার অঙ্কের সঙ্গে প্রায় সাত মাস আগে অনলাইনে ছড়ানো একটি প্রতিবেদনের উল্লেখযোগ্য মিল থাকার বিষয়টি সামনে এসেছে। ওই পুরনো প্রতিবেদনে দাবিগুলোর পক্ষে যাচাইযোগ্য নথি বা নির্দিষ্ট সূত্র না থাকার কথাও বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

আসিফ এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। সোমবার তিনি দুদকের অনুসন্ধানকে ‘প্রতিশোধের প্রক্রিয়া’ ও ‘মিডিয়া ট্রায়াল’ হিসেবে বর্ণনা করেন।


এই বিভাগের আরও খবর