• রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৫৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ভোটার এলাকা বদল ও নতুন নিবন্ধনের শেষ সময় ৩১ অক্টোবর ‘উদ্যোগ’ কর্মসূচিতে ৫৬ জেলায় আবেদন গ্রহণ শুরু ১ নভেম্বর রাশেদ খাঁনকে ‘পাল্টা জবাব’ দিলেন খালিদুজ্জামানের খুলনা ডিসি অফিসে অগ্নিকাণ্ড প্রতিবন্ধীদের দাবি বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগের আশ্বাস বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ফসলি জমির মাটি চুরি ও খামার ভাঙচুরের ঘটনায় জেলা প্রশাসক, ইউএনও ও থানায় মামলা কুড়িগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের ৩ জনসহ নিহত-৫ মাথাপিছু জিডিপিতে ভারতকে ছাড়াল বাংলাদেশ সৌদিগামী ১০৭ ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে ১৬ হাজার যাত্রী শারদীয় দুর্গোৎসবে ধর্মীয় সম্প্রীতি ও নিরাপত্তার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
স্বাগতম:
দৈনিক তোলপাড় পত্রিকায় প্রবেশ করায় আপনাকে স্বাগতম। গুরত্বপূর্ণ তথ্যের জন্য ওয়েবসাইটটির সাথেই থাকুন, আপনার প্রতিষ্ঠানের বহুল প্রচারের জন্য নিয়মিত বিজ্ঞাপন দিন +৮৮-০১৭১৯০২৬৭০০

চিলমারীতে ফের “ব্রহ্মপুত্র নদের ডানতীর রক্ষা প্রকল্পের ধস, আতঙ্ক এলাকাবাসী

তোলপাড় প্রতিবেদক:
আপডেট: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

Views: 2

কুড়িগ্রামের চিলমারীতে “ব্রহ্মপুত্র নদের ডানতীর রক্ষা প্রকল্পের” কাঁচকোল বাজারের পুর্বে ও বাজারের দক্ষিণে “কেডি ওয়ারী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের” সামনসহ ২স্থানে ডানতীর রক্ষা প্রকল্পের জিও ব্যাগ গুলো সরে যাচ্ছে এবং ব্লক পিচিং গুলো নদীতে দেবে যাচ্ছে। এতে নদের তীরবর্তী এলাকায় “বাজার, মসজিদ, স্কুল, মাদ্রাসা ও আবাদি জমিসহ হাজার হাজার পরিবার ভাঙনের আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন।-খবর সংবাদদাতা, চিলমারী (কুড়িগ্রাম)।

সরেজমিনে দেখা যায়, কাঁচকোল বাজারে পূর্ব পাশে গাছের তলে ও বাজারের দক্ষিণ দিকে “কেডি ওয়ারী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের” সামনে পূর্ব পাশের স্থানে, ডানতীর রক্ষা প্রকল্পের জিও ব্যাগ ও ব্লক পিচিং গুলো মাটি ভেঙে নদীতে ধসে যাচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ করেন, ৪৪৮কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ডানতীর রক্ষা প্রকল্পের কাজ ২০১৮সালে হলেও তখন থেকে একাধিক বার, ব্লক ধসের ঘটনা ঘটেছে কিন্তু এখন পর্যন্ত হয়নি স্থায়ী সমাধান। ফলে প্রতি বর্ষা মৌসুম এলেই আতঙ্কে থাকতে হয় এই এলাকার মানুষদের। কাঁচকোল বাজার এলাকার বাসিন্দা আবু বক্কর বলেন,এখানে নদী ভাংতেছে যদি এখানে বান্দা না হয় তাহলে কাঁচকোল ভেঙে যেতে পারে।

কাইয়ুম মিয়া বলেন, যদি এটা তারাতারী বান্দন না করে তাহলে পাশে বাজার, বাড়ি ও গাছও থাকবে না। শফিউল মিয়া বলেন, দুপুরে ২টা থাকি দেখি ব্লক ভাংতেছে গাছের তলে, সবাই খালি দ্যেহে কাহ কয় না, ইউএনও সাহেবের কাছে আমার দাবি তারাতাড়ি বস্তুা ফেলার জন্য। আঃ রাজ্জাক বলেন, এই নদী যদি ভাংগি যায় তাহলে মসজিদ, মাদ্রাসা, স্কুল, ভাংগি যায় এদের অবস্থা করুন হয়ে যাবে। তারা আরও বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ড এখন পর্যন্ত তেমন কোন স্থায়ী সমাধান দিতে পারেনি। দ্রত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে, আমাদের বসতভিটা ও ফসলি জমি রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়বে।

এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান বলেন, আমরা এটা পরিদর্শন করলাম, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি, আমরা দ্রুত এটা মেরামতের ব্যবস্থা করব বলে জানান তিনি।


এই বিভাগের আরও খবর