• রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০৫ অপরাহ্ন
স্বাগতম:
দৈনিক তোলপাড় পত্রিকায় প্রবেশ করায় আপনাকে স্বাগতম। গুরত্বপূর্ণ তথ্যের জন্য ওয়েবসাইটটির সাথেই থাকুন, আপনার প্রতিষ্ঠানের বহুল প্রচারের জন্য নিয়মিত বিজ্ঞাপন দিন +৮৮-০১৭১৯০২৬৭০০

নেপাল-তিব্বত সীমান্তে ফের বন্যার আশঙ্কা : উদ্ধারকাজ স্থগিত

প্রধান প্রতিবেদক:
আপডেট: শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬

Views: 1

গত ২৬ আগস্ট বুধবার নেপাল-তিব্বত ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা বা হড়পা বানের রেশ না কাটতেই সেই একই এলাকায় শিগগিরই আরও একটি বানের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এ কারণে তিব্বতে উদ্ধারকাজ স্থগিত করেছে চীন।

শুক্রবার(২৮আগস্ট) চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশন চ্যানেল সিসিটিভি নিশ্চিত করেছে এ তথ্য। সিসিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিব্বত-নেপাল সীমান্তের কাছের নতুন একটি ‘বেরিয়ার হ্রদের’ সন্ধান মিলেছে এবং যে কোনো সময়ে সেটির ভেঙে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ কারণে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য সামনের আগামী তিন দিন তিব্বতে উদ্ধার কাজ স্থগিত থাকবে।-খবর তোলপাড়।

‘ব্যারিয়ার হ্রদ’ হলো এমন এক ধরনের হ্রদ, যা সাধারণত কোনও নদী বা জলপ্রবাহের পথ প্রাকৃতিক বাধায় আটকে গিয়ে তৈরি হয়। বুধবার নেপাল-তিব্বতে যে ভয়াবহ আকস্মিক বান দেখা দিলো, সেটির কারণও একটি ব্যারিয়ার হ্রদ। তুষার ধসের জেরে নেপাল চীন সীমন্তবর্তী ভোতি কোশি নদীর শাখানদী লেহেন্দে নদী একাংশ একটি ব্যারিয়ার হ্রদ তৈরি হয়েছিল। নদীর পানিপ্রবাহের প্রবল চাপে একসময় সেই হ্রদ ভেঙে পড়ে এবং আটকে থাকা লাখ লাখ ঘনমিটার মিটার পানি লেহেন্দ নদী থেকে প্রবেশ করে ভোতিকোশিতে। তার জেরেই বুধবার বেলা ১০টা ৩০ মিনিটে আকস্মিক বন্যা দেখা দেয় নেপালের সীমান্তবর্তী জেলা রাসুয়া এবং তিব্বতের সীমান্তবর্তী জেলা গিরংয়ে।

ভয়াবহ সেই বন্যায় রাসুয়া ও গিরং প্রাণ হারিয়েছেন প্রায় ৫০০ জন মানুষ এবং এখনও নিখোঁজ আছেন প্রায় ১ হাজর ৪০০ জন। নিখোঁজদের মধ্যে ৮৬৫ জন বিদেশি নাগরিক। হড়পা বানের জেরে লাখ লাখ টন কাদা-পাথর-জঞ্জারের স্তূপের নীচে চাপা পড়েছে রাসুয়া, গিরং এবং এ দুই জেলার সংলগ্ন বিভিন্ন এলাকা এবং নেপালে এখনও উদ্ধার কাজ চলছে।

নতুন যে ব্যারিয়ার লেকটির সন্ধান পাওয়া গেছে, সেটির অবস্থান ২৬ আগস্ট ভেঙে পড়া হ্রদটি থেকে আরও খানিকটা উজানে, তিব্বতের ছোচেন খোলা ও পুরেপু সাংপো নদীর সংযোগস্থলে।

বর্তমানে হ্রদটিতে প্রায় ২০ লাখ ঘনমিটার পানি রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই হ্রদ থেকে জল উপচে পড়তে শুরু করেছে। আগামী তিন দিনে আরও প্রায় ৩০ লাখ ঘনমিটার পানি ওই হ্রদে ঢুকতে পারে বলে সতর্কতা জারি করেছে চিন।

সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে হ্রদটির জলস্তর ও ভৌগোলিক পরিবর্তনের উপরে নজরদারি বাড়িয়েছে চীনের জলসম্পদ মন্ত্রণালয়। বিপজ্জনক এলাকায় থাকা গ্রামগুলোও খালি করা হয়েছে। উদ্ধার ও ত্রাণকাজে বে্ইজিং এবং চেংদু থেকে বিশেষ দল পাঠানো হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর