• রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ভোটার এলাকা বদল ও নতুন নিবন্ধনের শেষ সময় ৩১ অক্টোবর ‘উদ্যোগ’ কর্মসূচিতে ৫৬ জেলায় আবেদন গ্রহণ শুরু ১ নভেম্বর রাশেদ খাঁনকে ‘পাল্টা জবাব’ দিলেন খালিদুজ্জামানের খুলনা ডিসি অফিসে অগ্নিকাণ্ড প্রতিবন্ধীদের দাবি বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগের আশ্বাস বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ফসলি জমির মাটি চুরি ও খামার ভাঙচুরের ঘটনায় জেলা প্রশাসক, ইউএনও ও থানায় মামলা কুড়িগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের ৩ জনসহ নিহত-৫ মাথাপিছু জিডিপিতে ভারতকে ছাড়াল বাংলাদেশ সৌদিগামী ১০৭ ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে ১৬ হাজার যাত্রী শারদীয় দুর্গোৎসবে ধর্মীয় সম্প্রীতি ও নিরাপত্তার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
স্বাগতম:
দৈনিক তোলপাড় পত্রিকায় প্রবেশ করায় আপনাকে স্বাগতম। গুরত্বপূর্ণ তথ্যের জন্য ওয়েবসাইটটির সাথেই থাকুন, আপনার প্রতিষ্ঠানের বহুল প্রচারের জন্য নিয়মিত বিজ্ঞাপন দিন +৮৮-০১৭১৯০২৬৭০০

বিনিয়োগ বাড়ানো ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে চীনের সহযোগিতা চাইলেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি

তোলপাড় প্রতিবেদক:
আপডেট: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

Views: 0

বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়ানো এবং রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের পরিবেশ তৈরিতে চীনের সহযোগিতা আরও বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বঙ্গভবনে চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎকালে তিনি এ আহ্বান জানান। রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম এ তথ্য জানান।-খবর তোলপাড়।

সাক্ষাতে রোহিঙ্গা সংকটে চীনের গঠনমূলক ভূমিকার প্রশংসা করেন রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, সংকট সমাধান এবং রোহিঙ্গাদের টেকসই প্রত্যাবাসনে চীনের উদ্যোগ সহায়ক হবে।

এ সময় বাংলাদেশে বিভিন্ন খাতে চীনের সহযোগিতা ও বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন মির্জা ফখরুল। তৈরি পোশাক, বৈদ্যুতিক যানবাহন, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং, উচ্চপ্রযুক্তির ইলেকট্রনিকস, সেমিকন্ডাক্টর ও সৌরশক্তিসহ বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।

আঞ্চলিক যোগাযোগের উদ্যোগ নিয়েও আলোচনা হয়। কুনমিং-চট্টগ্রাম করিডর এবং চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক করিডরসহ বহুপাক্ষিক আঞ্চলিক যোগাযোগ উদ্যোগকে স্বাগত জানান রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, পারস্পরিক স্বার্থে চীন ও সংশ্লিষ্ট অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত বাংলাদেশ।

মোংলা বন্দর আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ এবং চায়না ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন প্রতিষ্ঠার উদ্যোগকে যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, শিল্পায়ন ও অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন রাষ্ট্রপতি।

তিস্তা নদীর সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্প নিয়েও কথা বলেন তিনি। প্রকল্পটিতে চীনের কারিগরি ও আর্থিক সহায়তা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান মির্জা ফখরুল। একই সঙ্গে প্রকল্প বাস্তবায়নের বিষয়ে আলোচনা আরও এগিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করেন তিনি।

সাক্ষাতে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক জোরদারে রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের অবদানের প্রশংসা করেন রাষ্ট্রপতি। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ১৯৭৭ ও ১৯৮০ সালের চীন সফরের কথা উল্লেখ করেন তিনি। পাশাপাশি ২০২৬ সালের এপ্রিলে তাঁর নিজের এবং বাংলাদেশের জ্যেষ্ঠ ও তরুণ নেতৃত্ব এবং শিক্ষার্থীদের চীন সফরের কথাও তুলে ধরেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, এসব সফর ও বৈঠক বাংলাদেশ ও চীনের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও গভীর ও সুদৃঢ় করেছে। তিনি চীনকে বাংলাদেশের বিশ্বস্ত বন্ধু ও কৌশলগত অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করে আশা প্রকাশ করেন, সামনের দিনগুলোতে দুই দেশের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী ও সুসংহত হবে।

এক হাজার শয্যার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী জেনারেল হাসপাতাল নির্মাণ ও অর্থায়নের জন্য চীনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন রাষ্ট্রপতি।

এ ছাড়া সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে জনগণের জন্য উন্মুক্ত জটিল ব্লাড ক্যান্সার চিকিৎসায় চীনা দক্ষতা ও প্রযুক্তি সহযোগিতা চান তিনি। জবাবে চীনের রাষ্ট্রদূত সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও সাফল্য কামনা করেন মির্জা ফখরুল। বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক উন্নয়নে তাঁর অবদান বাংলাদেশ কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করবে বলেও জানান রাষ্ট্রপতি।

সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব, প্রেস সচিব এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব উপস্থিত ছিলেন। চীনা রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে ছিলেন ডেপুটি চিফ অব মিশন ড. লিই ইউইন।


এই বিভাগের আরও খবর