• মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:১৭ অপরাহ্ন
স্বাগতম:
দৈনিক তোলপাড় পত্রিকায় প্রবেশ করায় আপনাকে স্বাগতম। গুরত্বপূর্ণ তথ্যের জন্য ওয়েবসাইটটির সাথেই থাকুন, আপনার প্রতিষ্ঠানের বহুল প্রচারের জন্য নিয়মিত বিজ্ঞাপন দিন +৮৮-০১৭১৯০২৬৭০০

বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি বিদ্বেষমূলক বার্তার শিকার আর্জেন্টিনা

প্রধান প্রতিবেদক:
আপডেট: শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬

Views: 1

২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সবচেয়ে বেশি বিদ্বেষমূলক বার্তার শিকার হয়েছে আর্জেন্টিনা। বিশ্বকাপ ফাইনালের তিন মাসেরও কম সময় পর প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা।

বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবসের প্রাক্কালে প্রকাশিত প্রতিবেদনটিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিদ্বেষমূলক আচরণের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। ফিফার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সুরক্ষা পরিষেবার বিশ্লেষণে ২০২৬ সালের ৯ জুন থেকে ২০ জুলাই পর্যন্ত এক্স, ইনস্টাগ্রাম, ফেসবুক ও টিকটকে প্রকাশিত ১ কোটি ৭১ লাখের বেশি বার্তা ও মন্তব্য পর্যালোচনা করা হয়।-খবর তোলপাড়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, উত্তর আমেরিকায় অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে রানার্সআপ হয় আর্জেন্টিনা। ফাইনালে স্পেনের কাছে হেরে টানা দ্বিতীয়বার শিরোপা জয়ের স্বপ্নভঙ্গ হয় দলটির। অতিরিক্ত সময়ে ফেরান তোরেসের গোলেই জয় নিশ্চিত করে স্পেন।

আর্জেন্টিনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সবচেয়ে বেশি আক্রমণের শিকার হয়েছে ইংল্যান্ড, স্পেন, ব্রাজিল ও নরওয়ে। আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনিকেও লক্ষ্য করে ব্যাপক বিদ্বেষমূলক মন্তব্য করা হয়। বিশেষ করে রেফারিরা আর্জেন্টিনাকে বাড়তি সুবিধা দিয়েছেন—এমন অভিযোগকে কেন্দ্র করে এসব মন্তব্য ছড়ায়। পাশাপাশি ছিল বিদেশিবিদ্বেষমূলক বক্তব্যও।

ব্যক্তিগতভাবে খেলোয়াড়দের ওপর অনলাইন আক্রমণের তালিকায় আর্জেন্টিনার অবস্থান চতুর্থ। এ ক্ষেত্রে ফ্রান্স, ইংল্যান্ড ও পর্তুগালের খেলোয়াড়েরা আরও বেশি বিদ্বেষমূলক বার্তার শিকার হয়েছেন। খেলোয়াড়দের বিরুদ্ধে আক্রমণের বড় একটি অংশ ছিল বর্ণবাদী। বিশেষ করে আফ্রিকান বংশোদ্ভূত কয়েকজন ফুটবলারকে লক্ষ্য করে বর্ণবাদী মন্তব্য করা হয়।

বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি হয়রানির শিকার হওয়া খেলোয়াড়ের নাম প্রকাশ করেনি ফিফা। তবে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই খেলোয়াড়কে বর্ণবাদ, সমকামিতাবিদ্বেষ, নারীবিদ্বেষ ও রূপান্তরকামী ব্যক্তিদের প্রতি বিদ্বেষমূলক আক্রমণের মুখে পড়তে হয়েছে।

বিদেশিবিদ্বেষমূলক বার্তার প্রধান লক্ষ্য ছিল দক্ষিণ আফ্রিকা, আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। এসব আক্রমণে অভিবাসন, জাতীয় পরিচয় এবং দল নির্বাচনের মতো বিষয় উঠে আসে। তবে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্ণবাদী বার্তা ছড়ানোর ক্ষেত্রেও আর্জেন্টিনার সমর্থকেরা এগিয়ে ছিলেন। অঞ্চলভিত্তিক হিসাবে সাধারণ ধরনের অনলাইন আক্রমণের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি ইউরোপে, এরপর দক্ষিণ আমেরিকায়।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, সবচেয়ে গুরুতর হুমকির মুখে পড়েছেন ম্যাচ পরিচালনাকারী রেফারিরা। তাঁদের ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ করে হয়রানি করার ঘটনাও বেশি ঘটেছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ডকে বলা হয় ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁসের মাধ্যমে হয়রানি। ম্যাচে দুর্নীতি বা পাতানো খেলার সন্দেহ থেকেই রেফারিদের লক্ষ্য করে এসব আক্রমণ হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর