1. admin@dailytolper.com : admin :
নোটিশ:
দৈনিক তোলপাড় পত্রিকা থেকে আপনাকে স্বাগতম। তোলপাড় পত্রিকা আপনার আমার সবার। আপনার এলাকার উন্নয়নের ভূমিকা হিসেবে পত্রিকাটির মাধ্যমে আমরা দায়িত্ব নিয়েছি।   এ জন্য বাংলাদেশের প্রতিটি জেলা-উপজেলা-বিভাগ-কলেজ ক্যাম্পাসসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সাংবাদিক নিয়োগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পত্রিকাটির পর্ষদ।  আগ্রহী হলে আপনিও এক কপি রঙিন ছবিসহ নিম্ন ঠিকানায় সিভি প্রেরণ করে নিয়োমিত সংবাদ পাঠাতে পারেন।   প্রচারে প্রসার, আপনার প্রতিষ্ঠান সারা বিশ্বে প্রচারেরর জন্য বিনামূল্যে বিজ্ঞাপন দিতে পারেন।   বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন-০১৭১৯০২৬৭০০, prohaladsaikot@gmail.com

বীরপ্রতীক তারামন বিবি’র পঞ্চম মৃত্যুবার্ষিকী

  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ২১ টাইম ভিউ

Visits: 1

 

প্রহলাদ মন্ডল সৈকত:

১ ডিসেম্বর বীরপ্রতীক তারামন বিবি’র পঞ্চম মৃত্যুবার্ষিকী।

তারামন বিবির প্রকৃত নাম মোছাম্মৎ তারামন বেগম। একাত্তরের স্বাধীনতাযুদ্ধের সময় তাঁর বয়স ছিল মাত্র ১৪ বছর। এই কিশোরী বয়সেই তিনি অসীম সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছিলেন। তারামন বিবির জন্ম ১৯৫৭ সালে কুড়িগ্রামের চর রাজিবপুর উপজেলার শংকর মাধবপুর গ্রামে।

কুড়িগ্রাম ও এর আশপাশের এলাকা ছিল ১১ নম্বর সেক্টরের অধীন। ১১ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার মুহিব হাওলাদার একটি ক্যাম্পে তাঁকে ধর্মকন্যা বানিয়ে রান্নার কাজে নিয়ে আসেন। পরবর্তী সময়ে শুধু তিনি রান্নার কাজেই যুক্ত ছিলেন না, দেশকে মুক্ত করার ব্রত নিয়ে ক্যাম্পের অন্যান্য পুরুষ মুক্তিযোদ্ধার কাছ থেকে অস্ত্র চালনার প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। এরপর মুক্তিযোদ্ধাদের অস্ত্র লুকিয়ে রাখাসহ পাকিস্তানি বাহিনীর খবর সংগ্রহ করতে ভূমিকা পালন করেন। সে জন্য তিনি কখনো শরীরে কাদামাটি, কালি, ময়লা-আবর্জনা লাগিয়ে পাগল সেজেছেন, আবার কখনো মানসিক-শারীরিক প্রতিবন্ধী, অন্ধ ও বোবা সেজে পাকিস্তানি সেনাদের সামনে দীর্ঘ হাসি কিংবা কান্নার অভিনয় করে শত্রুসেনাদের খবর নিয়ে এসেছেন। যুদ্ধের প্রয়োজনে কখনো সাঁতরে নদী পার হয়েছেন। শুধু এসব করেই তিনি তৃপ্তি পাচ্ছিলেন না। দেশের জন্য তাঁর আরও কিছু ভূমিকা পালন করা দরকার মনে করলেন। সেই ভাবনা থেকে তিনি সম্মুখযুদ্ধে

হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে অস্ত্র হাতে লড়াই করেছিলেন। শুধু তা-ই নয়, তিনি ওই এলাকার কোদালকাঠির এক সম্মুখযুদ্ধে একাই প্রায় পাঁচ-ছয়জন পাকিস্তানি সেনাকে খতম করেছিলেন।

১৯৭৩ সালে সরকার মুক্তিযুদ্ধে তাঁর সাহসিকতা ও বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য ‘বীর প্রতীক’ উপাধিতে ভূষিত করেন। এরপর অনেক বছর পর্যন্ত এই বীর নারী থেকে যান লোকচক্ষুর আড়ালে। ২২ বছর পর একজন গবেষক তাঁকে আবিষ্কার করেন। এরপর তিনি আলোচনায় আসেন। ১৯৯৫ সালের ১৯ ডিসেম্বর তৎকালীন সরকার এক অনাড়ম্বর আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে তাঁকে আবার সম্মানিত করে।

এই সাহসী নারী ২০১৮ সালের ১ ডিসেম্বর মৃত্যুবরণ করেন।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
© All rights reserved © 2017 তোলপাড়
Customized BY NewsTheme