ফেনীতে শূন্যরেখার ভেতরে ড্রেন কাটার চেষ্টা,বিজিবি ও স্থানীয়দের বাধায় পিছু হটলো বিএসএফ
কামরুল হাসান লিটন, ফেনী:
ফেনী জেলার পশুরাম উপজেলার বল্লারমুখ সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী(বিএসএফ) গভীর রাতে শূন্য রেখার প্রায় ১৫০ গজের ভিতরে ঢুকে খাল খননের কাজ শুরু করেছে। ভারতীয় এ অংশে পূর্বেকার ভরাটকৃত খাল খননের কাজ পুনরায় শুরু করতে চাইলে ২০ ফুট জায়গা নোম্যান্সল্যান্ডের মধ্যে হওয়ায় বিজিবি বাঁধা দিয়েছে। বিএসএফ জানায়, বল্লার মুখ সীমান্তের ১৫০ গজে ভারতের অংশে পানি জমে জলবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ায় তারা পানি নিষ্কাশনের উদেশ্যে এ খনন কাজ করার চেষ্টা করে। তবে বাংলাদেশী বাধেঁর কারণে পানি আটকে ভারতীয় অংশে কিছু বাড়ীঘর ও বিএসএফের ক্যাম্প জলবদ্ধতা সৃষ্টি করে বিধায় পূর্বেকার ভরাট হয়ে যাওয়া খালটি খনন করার জন্য আসলে এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। তবে বাংলাদেশের বিজিবি ও স্থানীয়দের আপত্তির কারণে তারা আপাতত খনন কাজ বন্ধ রেখেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বল্লার মুখ এলাকায় বাংলাদেশে নির্মিত একটি মাটির বাধঁ ভারতের নিচু অংশে পানি যাওয়ার পথ রুদ্ধ করে দেয়। এতে করে ভারতের অংশে পানি ফুলে ওঠে এবং জলবদ্ধতা দেখা দেয়। ফলে বুহস্পতিবার(২৯ মে)দিবাগত গভীর রাতে বিএসএফ সদস্যরা শূণ্যরেখা অতিক্রম করে শূণ্য রেখার ১৫০ গজের মধ্যে প্রবেশ করে খাল খনন কাজ শুরু করে। খবর পেয়ে বিজিবি’র সদস্যরা তাৎক্ষনিক ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদের বাধা দেয়। স্থানীয়ও এ ঘটনা জানতে পেরে ঘটনাস্থলে পৌছেঁ ক্ষোভ প্রকাশ করে প্রতিরোধের চেষ্টা করে। এক পর্যায়ে বাধার মুখে বিএসএফ সদস্যরা পিছু হটতে বাধ্য হয়।
বিজিবি সুত্রে জানায়, বর্তমানে সীমান্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং সীমান্তে অতিরিক্ত সর্তকতা জারি করা হয়েছে। সীমান্তরক্ষীরা কঠোর নজরদারীর মধ্যে দায়িত্ব পালন করছেন।
ফেনী ব্যাটালিয়ন(৪ বিজিবি) পরিচালক লে.কর্নেল মো: শোশারফ হোসেন জানান, পশুরাম বল্লার মুখ বাধের আর কোন ক্ষতি কেহ করতে পারবে না। বিজিবি প্রতিনিয়ত টহল জোরদার করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে বিএসএস যে কাজটি করেছে তা হলো তাদের অংশে বন্যার পানি জমে থাকায় তা নিষ্কাষনের জন্য ড্রেন করার চেষ্টা করেছে। কিন্তু বিজিবি ও স্থানীয়দের বাধার কারণে তা না করে কাজ বন্ধ রাখে। ভারতীয় বিএসএফ সদস্যরা গভীর রাতে বল্লারমুখের বাধঁ কেটে ফেলতেছে বলে একটি মহল গুজব ছড়িয়ে দিয়ে স্থানীয়দেরকে উত্তেজিত করার চেষ্টা করছে। এটি সত্য নহে। বল্লারমুখে বাধঁ রক্ষার জন্য বিজিবি সার্বক্ষণিক কাজ করে যাচ্ছে।









Chief Editor-Dipali Rani Roy