1. admin@dailytolper.com : admin :
নোটিশ:
দৈনিক তোলপাড় পত্রিকা থেকে আপনাকে স্বাগতম। তোলপাড় পত্রিকা আপনার আমার সবার। আপনার এলাকার উন্নয়নের ভূমিকা হিসেবে পত্রিকাটির মাধ্যমে আমরা দায়িত্ব নিয়েছি।   এ জন্য বাংলাদেশের প্রতিটি জেলা-উপজেলা-বিভাগ-কলেজ ক্যাম্পাসসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সাংবাদিক নিয়োগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পত্রিকাটির পর্ষদ।  আগ্রহী হলে আপনিও এক কপি রঙিন ছবিসহ নিম্ন ঠিকানায় সিভি প্রেরণ করে নিয়োমিত সংবাদ পাঠাতে পারেন।   প্রচারে প্রসার, আপনার প্রতিষ্ঠান সারা বিশ্বে প্রচারেরর জন্য বিনামূল্যে বিজ্ঞাপন দিতে পারেন।   বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন-০১৭১৯০২৬৭০০, prohaladsaikot@gmail.com

মার্কিন কারাগার, যৌন নিপীড়নের শিকার ড. আফিয়া সিদ্দিকী

  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ২৪ টাইম ভিউ

Visits: 4

এক দশকেরও বেশি সময় ধরে মার্কিন কারাগারে বন্দি পাকিস্তানি নিউরো সাইন্টিস্ট ড. আফিয়া সিদ্দিকী যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছেন। তার প্রতিনিধিত্বকারী মানবাধিকার আইনজীবী ক্লাইভ স্ট্যাফোর্ড স্মিথ জানিয়েছেন, ড. আফিয়াকে কারাগারে নির্যাতন করা হয়েছে এবং তিনি অন্তত দুই বার যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছেন।-খবর তোলপাড় ।

মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) জিও নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, ড. আফিয়া যখন আফগানিস্তানের বাগরাম কারাগারে ছিলেন সে সময়ও তাকে যৌন নিপীড়ন করা হয়। পাকিস্তান সরকার যৌন নিপীড়নের ঘটনা সম্পর্কে অবগত।

২০১৮ সালে হিউস্টনে পাকিস্তানের সাবেক কনসাল জেনারেল আয়েশা ফারুকির তৈরি করা প্রতিবেদনে ড. আফিয়াকে শারীরিক ও যৌন নির্যাতন করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। আইনজীবী ক্লাইভ জানান, মার্কিন সামরিক বাহিনী যখন আফগানিস্তানে ছিল তখন বাগরামের কারাগারে জিজ্ঞাসাবাদের কৌশলে ড. আফিয়াকে যৌন নিপীড়ন করা হয়।

ড. আফিয়ার বোন ফৌজিয়া সিদ্দিকি জানান, টেক্সাসের কারসওয়েলের ফেডারেল মেডিকেল সেন্টারে বোনের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন তিনি। তাকে ‘দূর থেকে’ চার ঘণ্টার জন্য দেখা করার অনুমতি দেওয়া হয়। এ সময় ড. আফিয়ার শারীরিক অবস্থা তার কাছে ভালো মনে হয়নি।

চলতি বছরের শুরুতে ২০ বছর পর টেক্সাসের একটি কারা হাসপাতালে বোনকে দেখতে যান ফৌজিয়া। পাকিস্তানে ফেরার পর এ বিষয়ে তিনি বিস্তারিত তুলে ধরেন। ফৌজিয়া জানান, ড. আফিয়াকে তিনি প্রথমে চিনতে পারেননি।

ড. আফিয়াকে ২০০৮ সালের সেপ্টেম্বরে নিউইয়র্কের একটি ফেডারেল জেলা আদালত হত্যাচেষ্টা ও হামলার অভিযোগে ৮৬ বছরের কারাদণ্ড দেয়। তিনিই প্রথম নারী যিনি যুক্তরাষ্ট্র যার বিরুদ্ধে আল-কায়েদার সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগ করেছে কিন্তু দোষী সাব্যস্ত হননি।

১৮ বছর বয়সে ডা. আফিয়া বোস্টনের ম্যাচাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজিতে পড়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে যান। সেখানে তার ভাই থাকতেন। পরে ব্রান্ডিস ইউনিভার্সিটি থেকে স্নায়ুবিজ্ঞানে পিএইচডি অর্জন করেন তিনি। কিন্তু ২০০১ সালে ৯/১১ সন্ত্রাসী হামলার পর ইসলামিক সংগঠনগুলোকে অনুদান দেওয়ার অভিযোগে তিনি এফবিআইয়ের নজরদারিতে আসেন।

যুক্তরাষ্ট্রের মতে, ডা. আফিয়া আল-কায়েদায় যোগ দিয়েছিলেন এবং পাকিস্তানে ফিরে গিয়ে ৯/১১ সন্ত্রাসী হামলার মূল হোতাদের একজন খালিদ শেখ মোহাম্মদের পরিবারে বিয়ে করেন। ২০০৩ সালে করাচিতে তিন সন্তানসহ নিখোঁজ হন ডা. আফিয়া। পাঁচ বছর পর আফগানিস্তানের গজনি প্রদেশে স্থানীয় বাহিনী তাকে গ্রেফতার করে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
© All rights reserved © 2017 তোলপাড়
Customized BY NewsTheme