ফেনীতে নির্মাণ হচ্ছে “জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ”
কামরুল হাসান লিটন, ফেনী:
ফেনী জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে যুবদল নেতার অবৈধ দখলকৃত খাস জমি উদ্ধার করা হয়েছে। গত শুক্রবার ফেনী শহরের ট্রাংক রোড়ে সংলগ্ন সরকারী খাস জমিতে অবৈধভাবে গড়ে উঠা মুক্তবাজারের দোকানগুলি উচ্ছেদ করা হয়েছে। বিগত আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে অবৈধভাবে গড়ে উঠা এবং সাবেক পৌর মেয়র স্বপন মিয়াজী নিয়ন্ত্রনাধীন এ মুক্তবাজারে ৩২টি দোকান গড়ে উঠে। এ সকল দোকানের ভাড়া সাবেক মেয়র ও অন্যান্য নেতারা ভাগাভাগি করে নিতেন। ফ্যাসিবাদী সরকারের পতনের পর এ সব দোকান পুন:রায় জেলা যুবদলের আহবায়ক নাসির উদ্দিন খোন্দকারের নিয়ন্ত্রণে আসে। বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দাবী ও অন্তবর্তী সরকারের সিদ্ধান্ত মোতাবেক জুলাই আন্দোলনের শহীদ স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধানিবেদনের জন্য “জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ” নির্মাণের জন্য সরকারী খাস জায়গা উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসন। গত শুক্রবার দুপুরে অবৈধভাবে সরকারী খাস গড়ে উঠা মুক্তবাজার নামে দোকানপাটগুলি উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করার সিদ্ধান্ত হয়। উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন, ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) সজিব তালুকদার। এ সময় একাংশে ৩২টি দোকান উচ্ছেদ করা হয়। এ অভিযানে মধ্য দিয়ে প্রায় চার দশকের পর সরকারী এ খাস জায়গাটি অবৈধ দখল মুক্ত করা হলো।
সংশিষ্ট সুত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ট্রাংক রোড়ের মুক্তবাজার এলাকায় জেলা প্রশাসনের এ খাস জায়গায় অস্থায়ীভাবে কাচাঁবাজার পরিচালিত হয়ে আসছিল। রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের কারণে জেলা প্রশাসন এ জায়গা উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
স্থানীয় ও দোকারদারদের অভিযোগ, এ সব দোকান থেকে বিগত সরকারের আমলে আমরা নিয়মিত মাসিক চাঁদা দিয়ে আসছি। আগে বিগ সরকারে পৌর মেয়র নেতাদের মাধ্যম এ সব চাঁদা নিতেন। সরকার পরিবর্তনের পর নিয়মিত মাসিক চাঁদা আদায় করে জেলা যুবদলের আহবায়ক নাসির উদ্দিন খোন্দাকার।
ফেনী সদও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) সজিব তালুকদার কালেরকন্ঠকে বলেন, বাজারটি দখলমুক্ত করতে বুধবার ও বৃহস্পতিবার দুই দফা অভিযান পরিচালনা করা হলেও দোকানদারদেও বাধার কারণে সম্পন্ন করা যায়নি। পরে শুক্রবার দুপুরে মুক্তবাজারে উচ্ছেদ অভিযান সম্পন্ন করা হয়েছে। উচ্ছেদে অভিযানে অংশ নেয়া ফেনী মডেল থানা ওসি মোহাম্মদ সামছুজ্জামান বলেন, মুক্তবাজারে দোকান উচ্ছেদের সময় সেনাবাহিনী,পুলিশ ও পৌরসভার কর্মকর্তা এবং কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।









Chief Editor-Dipali Rani Roy