শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২৫, ১২:৪৭ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞাপন দিন- নিজের এবং প্রতিষ্ঠানের প্রচার করুন:
আগামী ১০ ডিসেম্বর(বুধবার) পাক্ষিক ‘আলোকিত রাজারহাট’ এর বিশেষ সংখ্যা প্রকাশিত হবে। আপনি/আপনার প্রতিষ্ঠানের সারাদেশব্যাপী প্রচারের জন্য বিজ্ঞাপন দিতে পারেন। যোগাযোগ করুন পাক্ষিক ‘আলেকিত রাজারহাট’ ট্রাফিক মোড়, রাজারহাট অথবা ০১৭১৯০-২৬৭০০(প্রহলাদ মন্ডল সৈকত), ০১৭৩৭-১৬৯৪৬৩(দিপালী রানী রায়, ০১৩৪১-৯২৬৮২১(মোস্তফা কামাল)

মস্কো এক্সচেঞ্জে ডলার-ইউরো বেচাকেনা বন্ধ

প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন, ২০২৪

রাশিয়ার প্রধান শেয়ার ও মুদ্রাবাজার মস্কো এক্সচেঞ্জ ডলার ও ইউরোর লেনদেন বন্ধ করে দিয়েছে। এর আগের দিনে যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে রাশিয়ার ওপর বেশ কিছু নিষেধাজ্ঞা দেয়। এরপরই এ পদক্ষেপ নিল রাশিয়া। ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযানের প্রেক্ষাপটে সর্বশেষ এসব নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়।

বুধবার ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে ঘোষণা করা হয় যে, মস্কো এক্সচেঞ্জের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। এটি কেবল রাশিয়ার প্রধান শেয়ার ও মুদ্রাবাজারই নয়, বরং একইসঙ্গে মস্কো এক্সচেঞ্জ বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনের নিকাশঘর হিসেবেও কাজ করে। সে কারণে মার্কিন নিষেধাজ্ঞাকে একটি বড় আর্থিক শাস্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে বলে বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে।-খবর তোলপাড় ।

বুধবার সন্ধ্যায় দেয়া এক বিবৃতিতে রাশিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলেছে, মস্কো এক্সচেঞ্জ গ্রুপের বিপক্ষে নেয়া যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণমূলক পদক্ষেপের কারণে মার্কিন ডলার ও ইউরোভিত্তিক সম্পদের লেনদেন ও নিষ্পত্তি স্থগিত থাকবে।

সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পরের তিন দশকে দেশটির মুদ্রা রুবলের অনেকবার অবমূল্যায়ন হয়েছে। এ নিয়ে রুশ সমাজে ভয় রয়েছে। ফলে অনেক রুশ নাগরিক পশ্চিমা মুদ্রায় তাদের অর্থ সঞ্চয় করতে পছন্দ করেন। আর অর্থনৈতিক সংকটের সময় তারা রুবল বিক্রি করে দেন। সোভিয়েত আমলে মুদ্রার একটি কালোবাজার গড়ে উঠেছিল। রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক যে বিনিময় হার ঠিক করে দেয়া হতো, তার সঙ্গে ওই বাজারের দামের আকাশ–পাতাল পার্থক্য থাকত।

এদিকে, নতুন দফার নিষেধাজ্ঞার পর বুধবার সন্ধ্যায় রাশিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংক খুব দ্রুত এই পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যবস্থা নেয়। ব্যাংকের বিবৃতিতে বলা হয়, যেকোনো কোম্পানি বা ব্যক্তি রাশিয়ার ব্যাংকের মাধ্যমে মার্কিন ডলার ও ইউরো কিনতে বা বিক্রি করতে পারবেন। নিজস্ব হিসাবে যদি কারও ডলার থাকে, তাহলে তা নিরাপদ থাকবে।

রুশরা অবশ্য মস্কো এক্সচেঞ্জের আওতার বাইরের যেকোনো ব্যবস্থা ব্যবহার করে ডলার ও ইউরো কেনাবেচা করতে পারবেন। তবে এতে করে তারল্যের ঘাটতি এবং দামের খুব বেশি হেরফের হতে পারে।

মস্কো এক্সচেঞ্জে যত বিদেশি মুদ্রার লেনদেন হয়, তার বেশির ভাগই চীনা মুদ্রা ইউয়ান।

নিষেধাজ্ঞা দেয়ার পরপরই কেউ কেউ প্রতি ডলারের দাম ২০০ রুবল পর্যন্ত উঠিয়েছিল। নিষেধাজ্ঞা ঘোষণার আগে বুধবার রুশ কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রতি ডলারের দাম ৮৯ রুবলে নির্ধারণ করেছিল।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর