1. admin@dailytolper.com : admin :
নোটিশ:
দৈনিক তোলপাড় পত্রিকা থেকে আপনাকে স্বাগতম। তোলপাড় পত্রিকা আপনার আমার সবার। আপনার এলাকার উন্নয়নের ভূমিকা হিসেবে পত্রিকাটির মাধ্যমে আমরা দায়িত্ব নিয়েছি।   এ জন্য বাংলাদেশের প্রতিটি জেলা-উপজেলা-বিভাগ-কলেজ ক্যাম্পাসসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সাংবাদিক নিয়োগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পত্রিকাটির পর্ষদ।  আগ্রহী হলে আপনিও এক কপি রঙিন ছবিসহ নিম্ন ঠিকানায় সিভি প্রেরণ করে নিয়োমিত সংবাদ পাঠাতে পারেন।   প্রচারে প্রসার, আপনার প্রতিষ্ঠান সারা বিশ্বে প্রচারেরর জন্য বিনামূল্যে বিজ্ঞাপন দিতে পারেন।   বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন-০১৭১৯০২৬৭০০, prohaladsaikot@gmail.com

অর্থের অভাবে আটকা জবির দ্বিতীয় ক্যাফেটরিয়া, ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীরা

  • আপডেটের সময় : শনিবার, ৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ২৩ টাইম ভিউ

Visits: 0

সংবাদদাতা, জবি:

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) প্রায় ১৮ হাজার শিক্ষার্থীর জন্য একটা মাত্র ক্যাফেটরিয়া। গত সেপ্টেম্বরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ফটক সংলগ্ন একটি উন্নত মানের ক্যাফেটরিয়া (ফুড কোর্ট) গড়ে তোলা হবে।

কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রকৌশলী বলেছেন, প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দের অভাবে এখনো কাজ শুরু করা যায়নি। একটিমাত্র ক্যাফেটরিয়া থাকায় অনেক সময় শিক্ষার্থীরা আসার আগেই ফুরিয়ে যায় খাবার। অনেক সময় ক্যাফেটরিয়ায় খাবার না পেয়ে অনেকেই বাধ্য হয়ে খাবার খান বাইরের হোটেলগুলোতে। এতে শিক্ষার্থীরা স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছেন ও খাবার খেতে গিয়ে উচ্চমূল্য পরিশোধ করতে হচ্ছে।

জানা যায়, আগে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ চত্বরে ছোট একটা খাবারের দোকান থাকলেও সেটাও নেই এখন। সেটা ভেঙে ফেলা হয়েছে প্রায় ৩ বছর হতে চললো। সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ, কলা অনুষদ, বিজ্ঞান অনুষদসহ সকল বিভাগের শিক্ষার্থীদের সকালের নাস্তা ও দুপুরের খাবারের জন্য এই একটা ক্যাফেটেরিয়াই ভরসার স্থান। এখন ক্যাফেটেরিয়ায় সকালে পাওয়া যায় ডাল, পরোটা, হালুয়া। দুপুরে ভাত, মাছ, ডিম, ভর্তা, মুরগি, তেহারি। বিকেলে ছোলা বুট, পুরি, হালুয়া। খাবারের দাম ও মান নিয়ে রয়েছে শিক্ষার্থীদের নানান প্রশ্ন। ক্যাফেটেরিয়ায় একসঙ্গে ৫০ থেকে ৬০ জনের বেশি শিক্ষার্থী বসে খেতে পারে না। ফলে দাঁড়িয়ে খাবার খেতে বাধ্য হচ্ছে অনেক শিক্ষার্থী। অনেক সময় শিক্ষার্থীদের আসন দখল করে গ্রুপ স্টাডি ও আড্ডা দিতে দেখা যায়।

ক্যান্টিনে খেতে আসা মেহেদী হাসান শুভ নামে এক শিক্ষার্থী জানান, প্রায় সময় দেখা যায় শিক্ষার্থীরা ক্লাস শেষ করে এসে দেখে খাবার শেষ। প্রতিনিয়ত আমাদের শিক্ষার্থীদের সংখ্যা বাড়ছে আমাদের একটি ক্যাফেটেরিয়ার জায়গাও ছোট। যদি আরেকটি ক্যাফেটরিয়া দ্রুত গড়ে তোলা হয় তাহলে আমাদের জন্য উপকার হবে।

এ বিষয়ে মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী ফাহিম শাহারিয়ার বলেন, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাফেটরিয়ার খাবারের মান খুব একটা ভালো নয়। তবুও বাধ্য হয়ে আমরা এখান থেকেই খাই। কারণ এই একটি ক্যাফেটরিয়া ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের খাবার খাওয়ার জন্য আর কোনো জায়গা নেই। এখানে খাবারের দামও বেশ চড়া। আমরা ঠিকমতো বসার জায়গাও পাই না। বিশ্ববিদ্যালয়ের উচিত আমাদের জন্য নতুন ক্যাফেটরিয়াসহ খাবারের মান বৃদ্ধি করা। তাতে আমাদের কষ্ট কিছুটা হলেও লাঘব হবে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রকৌশলী হেলাল উদ্দিন পাটোয়ারী বলেন, নতুন ক্যাফেটেরিয়ার জন্য অত্যাধুনিক একটা নকশা ইতোমধ্যে প্রস্তুত করা হয়েছে। ফাইলটি অর্থ দপ্তরে পাঠানো হয়েছিলো এবং প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ না থাকায় কাজটি শুরু করা যাচ্ছে না। পরবর্তীতে অর্থ বরাদ্দ হলে কাজটি শুরু করা যাবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র কল্যাণ দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. জিএম আল-আমীন বলেন, এ নিয়ে একটা মিটিং হয়েছিল। আধুনিক ক্যাফেটরিয়ার নকশাটি ইতোমধ্যে প্রস্তুত আছে। নতুন উপাচার্যের সাথে আলোচনা করে যত দ্রুত সম্ভব অর্থ বরাদ্দসহ নতুন ক্যাফেটরিয়া নির্মাণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
© All rights reserved © 2017 তোলপাড়
Customized BY NewsTheme