সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪, ০১:২৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
‘বাবাকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে হত্যা করেছি’ বিলের পানিতে ভাসছে কাউন্সিলরের মরদেহ ইজিবাইক চালককে হত্যার দায়ে যুবকের মৃত্যুদণ্ড রাষ্ট্রপতির কাছে স্মারকলিপি জমা দিল কোটা আন্দোলনকারীরা একইদিনে বাংলাদেশে মুক্তি ‘পদাতিক’ ট্রাম্পের হামলাকারী কে এই যুবক? প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্ন, মুক্তিযোদ্ধার নাতি-নাতনিরা পাবে না তো রাজাকারের নাতিরা পাবে? কারাগার ভেঙে পালানোর চেষ্টাকালে বন্দুকযুদ্ধ ,নিহত ৮ জঙ্গিবাদ থামিয়েছি, এখন দুর্নীতিবাজদের ধরছি জানিয়েছে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী দেশের যেকোন দুর্যোগ মূহুর্তে র‌্যাব সবসময় বন্ধু হয়ে জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছে কুড়িগ্রামে জানিয়েছে র‌্যাব মহাপরিচালক

লায়লার ধর্ষণ: প্রিন্স মামুনের জামিন

রিপোর্টারের নাম / ৬৮ টাইম ভিউ
Update : সোমবার, ১ জুলাই, ২০২৪

লায়লা আক্তার ফারহাদের (৪৮) করা ধর্ষণ মামলায় জামিন পেয়েছে টিকটকার আব্দুল্লাহ আল মামুন ওরফে প্রিন্স মামুন (২৫)। সোমবার (১ জুলাই) ঢাকা দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেন শুনানি শেষে জামিন মঞ্জুর করেন।

এর আগে ৯ জুন প্রিন্স মামুনের বিরুদ্ধে রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানায় ধর্ষণ মামলা করেন লায়লা। এরপর ১০ জুন রাত সাড়ে ৯টার দিকে প্রিন্স মামুনকে গ্রেফতার করে কুমিল্লার পুলিশ। পরদিন ১১ জুন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাকে সাতদিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা ক্যান্টনমেন্ট থানার এসআই মুহাম্মদ শাহাজাহান।-খবর তোলপাড় ।

অন্যদিকে তার আইনজীবী রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিনের আবেদন করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মামুনুর রশীদ তার রিমান্ড ও জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এরপর মামুনের আইনজীবী জামিন চেয়ে আবেদন করেন। আদালত শুনানির জন্য আজ সোমবার (১ জুলাই) দিন ধার্য করেন।

মামলার অভিযোগে লায়লা উল্লেখ করেন, প্রিন্স মামুনের সঙ্গে গত তিন বছর আগে ফেসবুকের মাধ্যমে আমার পরিচয় হয়। পরিচয়ের একপর্যায়ে মামুন বিয়ে করবে মর্মে প্রলোভন দেখিয়ে আমার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক স্থাপন করেন। তিনি আমাকে জানান, তার ঢাকায় থাকার মতো নিজস্ব কোনো বাসা নেই। যেহেতু প্রেমের সম্পর্ক সৃষ্টি হয় এবং মামুন আমাকে বিয়ে করবে বলে জানান, তাই তার কথা সরল মনে বিশ্বাস করে তাকে আমার বাসায় থাকার অনুমতি দিই।

২০২২ সালের ৭ জানুয়ারি মামুন তার মাকে সঙ্গে নিয়ে আমার বাসায় এসে বসবাস করতে থাকেন। সেদিন থেকে তিনি আমার বাসায় আমার সঙ্গে একই রুমে থাকতে শুরু করেন। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক করেন। মামুন আমার বাসায় থাকাকালে তার বাবা-মা মাঝে মধ্যেই সেখানে এসে অবস্থান করতেন। আমি মামুনকে একাধিকবার বিয়ের বিষয় বললে তিনি বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন।

মামলায় আরও বলা হয়, সবশেষ চলতি বছরের ১৪ মার্চ মামুন আবার ধর্ষণ করেন। পরবর্তীসময়ে আমি তাকে বিয়ের বিষয়ে বললে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। আমাকে অশ্লীল ভাষায় গালমন্দ করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

এক ক্লিকে বিভাগের খবর