সুপ্রিমকোর্টের রায় ট্রাম্পের পক্ষে গেছে?
।। শিতাংশু গুহ, নিউইয়র্ক ।।
প্রথম প্রেসিডেন্সিয়াল বিতর্কে বিরাট বিজয়ের পর সোমবার (১লা জুলাই ২০২৪) যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিমকোর্ট ট্রাম্পকে আর একবার জিতিয়ে দিয়েছে। সর্বোচ্চ আদালত ৬-৩ ভোটে পরিষ্কার বলেছে, সরকারি কাজের জন্যে প্রেসিডেন্ট দায়মুক্ত, বেসরকারি কাজের জন্যে দায়মুক্ত নন। এর পরপরই ট্রাম্প সোশ্যাল মিডিয়ায় তার বিরুদ্ধে আনীত সকল মামলা প্রত্যাহারের আহবান জানান।
প্রেসিডেন্ট বাইডেন এ রায়ের বিরুদ্ধে রাগান্বিত প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেছেন, আদালত একটি বিপদজ্জ্বনক দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করছে। প্রেসিডেন্ট বলেন, এই রায় প্রেসিডেন্টের ক্ষমতাকে অসীম করে দেবে। বাইডেন জানান তিনি প্রেসিডেন্টের ক্ষমতার সীমাবদ্ধতার পক্ষে। উল্লেখ্য, এই রায় শুধু ট্রাম্প নন, পরবর্তী প্রেসিডেন্টদের জন্যেও প্রযোজ্য। এ রায়ের ফলে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলাগুলোর ভবিষ্যৎ অনেকটা অনিশ্চিত হয়ে পড়বে।
এ রায়ের পর ট্রাম্পের সাথে বিচার বিভাগের কথোপকথন, ভোটার ফ্রড থিওরি সংক্রান্ত মামলাগুলো টিকবে কিনা বলা শক্ত। ট্রাম্প তার ভাইস-প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্সকে নির্বাচনের রেজাল্ট পাল্টে দেয়ার যে পরামর্শ দিয়েছেন, তাও সরকারি কাজের মধ্যে পড়বে। অর্থাৎ ৬ই জানুয়ারি ২০২১ ট্রাম্পের কর্মকান্ড সরকারি কাজের আওতায় পরার সম্ভবনা। ট্রাম্পের কোন কাজটি সরকারি, কোনটি নয় এ নিয়ে হয়তো এখন চুলচেরা বিশ্লেষণ চলবে।
এদিকে বাইডেনকে প্রতিদ্ধন্ধিতায় টিকিয়ে রাখতে তাঁর মিত্ররা উঠে পড়ে লেগেছে। বাইডেন টিম দলের ভেতর যেকোন বিদ্রোহ দ্রুত নিষ্পত্তিতে কাজ করছেন। বাইডেনের প্রার্থিতা নিয়ে উদ্বেগ যেমন বাড়ছে, তেমনি বড় বড় দলীয় নেতারা প্রেসিডেন্টকে আশ্বস্থ করছেন। এখন পর্যন্ত কোন বড় নেতা প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে সরাসরি অবস্থান নেননি। ২/১জন প্রেসিডেন্টের অফিসে ফোন করে পাশে থাকার কথা জানিয়েছেন। তবু শেষ কথা বলার সময় এখনো আসেনি।
প্রেসিডেন্ট সরে দাঁড়ালে প্রথমেই আসবে ভাইস-প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস’র নাম। অন্যান্য শোনা নামগুলো হচ্ছে, ইলিনয়েসের গভর্নর জেবি প্রিৎজকার; ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম; মিশিগান গভর্নর গ্রেটচেন হুইটমার; পেনসিলভানিয়ার গভর্নর হোজে সাপ্রিয়; কেন্টাকির গভর্নর এন্ডি ব্যাসার; আরিজোনার সিনেটর মার্ক কেলী; ক্যালিফোর্নিয়ার কংগ্রেসম্যান রো খান্না। পিট্ বুটিগেগ ও কোরি বুকার আশা ছাড়েননি, এঁরা ২০২০ প্রাইমারীতে বাইডেনের সাথে প্রতিদ্ধন্ধিতা করেছেন।









Chief Editor-Dipali Rani Roy