যমুনায় দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত অন্তত ২০
৯ম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ ও বাস্তবায়নের দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার সামনে অবস্থান নেয়া সরকারি কর্মচারীদের সঙ্গে পুলিশের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। সংঘর্ষে আহত হয়ে এ পর্যন্ত ২০ জন ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
শুক্রবার(৬ফেব্রুয়ারী) সকাল সোয়া ১১টার পর থেকে এই সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সময় পুলিশ আন্দোলনকারীদের ওপর টিয়ার গ্যাস, জলকামান ও গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। দুপুর ১২টার দিকে ঘটনাস্থলে আসেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মোতায়েন করা হয় বিজিবি ও নৌবাহী সদস্যদের। এ সময় বেশ কয়েকজন আন্দোলনকারীকে আটক করে পুলিশ। -খবর তোলপাড়।
এ অবস্থায় এলাকাটিতে ১৪৪ ধারা জারি করেছে সরকার। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে এ তথ্য জানিয়েছেন।
উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী। সেখানে তিনি ১৪৪ ধারা জারির তথ্য দেন।
এদিকে, যমুনার নিরাপত্তায় রাজধানীর কাকরাইল মসজিদ ও হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল এলাকায় ৬ প্লাটুন বিজিবিও মোতায়েন করা হয়েছে। বিজিবি মোতায়েনের পর ডিএমপির পক্ষ থেকে ১৪৪ ধারা জারি করা হলো।এর আগে, সকালে ৯ম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ ও বাস্তবায়নের দাবিতে ঢাকার কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে জড়ো হন সরকারি চাকরিজীবীরা। এরপর সেখান থেকে মিছিল নিয়ে যমুনা অভিমুখে যাত্রা করেন তারা। বেলা ১১টার দিকে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের পাশের সড়কে পুলিশের দেয়া ব্যারিকেড ভেঙে যমুনা অভিমুখে যান তারা। এ সময় সরকারি চাকরিজীবীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগন দেন।
আন্দোলনকারীরা জানান, আজকের মধ্যেই ৯ম পে স্কেলের গেজেট প্রকাশ করতে হবে, অন্যথায় তারা বাড়ি ফিরবেন না। বিগত দিনে বারবার আশ্বাস দেয়া হলেও গেজেট প্রকাশ না করায় ক্ষোভ জানান তারা।









Chief Editor-Dipali Rani Roy