1. admin@dailytolper.com : admin :
নোটিশ:
দৈনিক তোলপাড় পত্রিকা থেকে আপনাকে স্বাগতম। তোলপাড় পত্রিকা আপনার আমার সবার। আপনার এলাকার উন্নয়নের ভূমিকা হিসেবে পত্রিকাটির মাধ্যমে আমরা দায়িত্ব নিয়েছি।   এ জন্য বাংলাদেশের প্রতিটি জেলা-উপজেলা-বিভাগ-কলেজ ক্যাম্পাসসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সাংবাদিক নিয়োগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পত্রিকাটির পর্ষদ।  আগ্রহী হলে আপনিও এক কপি রঙিন ছবিসহ নিম্ন ঠিকানায় সিভি প্রেরণ করে নিয়োমিত সংবাদ পাঠাতে পারেন।   প্রচারে প্রসার, আপনার প্রতিষ্ঠান সারা বিশ্বে প্রচারেরর জন্য বিনামূল্যে বিজ্ঞাপন দিতে পারেন।   বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন-০১৭১৯০২৬৭০০, prohaladsaikot@gmail.com

পহেলা বৈশাখ ১৪৩০, বাঙালির সার্বজনীন উৎসবের দিন আজ

  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৩
  • ৬০ টাইম ভিউ

Visits: 8

প্রহলাদ মণ্ডল সৈকত:
১৪এপ্রিল শুক্রবার বাঙালি জাতির পহেলা বৈশাখ। বাংলা নববর্ষ ১৪৩০এর প্রথম দিন। দিনটি বাংলা প্রতিটি বাঙালিকে এক সুতোয় বেঁধেছে। নানা ধর্মের, বর্ণের, বিশ্বাসের বাঙালি যেন এই বৃন্তে এক। তাই একে বলা হয়ে থাকে ‘বাঙালির সার্বজনীন উৎসবের দিন’।

আমুদে এক জাতির নাম বাঙালি। নিজেদের অস্তিত্বের জানান দেয় তারা প্রাণে প্রাণে, উৎসবে। তেমনি নিজেদের জানান দেওয়ার এক সার্বজনীন উৎসব হলো নববর্ষ। চৈত্রের বিদায় আর বৈশাখের আগমন আমাদের জানান দেয় নতুন বছর শুরুর কথা।

নববর্ষের সাথে জড়িয়ে আছে বাঙালির আবহমানকালের ঐতিহ্য হালখাতা আর বৈশাখী মেলা। আজও সেই রেওয়াজ চালু রয়েছে দেশের নানা প্রান্তে। নদীপাড়ের খোলা হাট কিংবা গ্রামের ছোট্ট টং দোকান সবখানেই দারুণ উৎসাহে শুরু হয় হালখাতা। আজও ব্যবসায়ীরা বৈশাখের জন্য অপেক্ষায় থাকে পুরাতন খাতার হিসেব চুকিয়ে, নতুন খাতা চালু করার জন্যে।

বছরের পর বছর ধরে বৈশাখী মেলা আয়োজিত হয়ে আসছে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। তবে নগরায়নের ফলে শহুরে উৎসব-আয়োজনের ধরন এখন কিছুটা পাল্টেছে। এদিন লাল-হলুদ শাড়ি-পাঞ্জাবি পরে বের হন সকলে। পান্তা-ইলিশ খেয়ে নিজেদের মাছে ভাতে বাঙালি পরিচয়টা আরেকবার পোক্ত করে নেন।

দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আয়োজন করা হয় নানান সাংস্কৃতিক উৎসবের। আয়োজন করা হয় সংক্ষিপ্ত মেলারও। এছাড়া হাজার বছরের ঐতিহ্যকে ধারণ করে বের করা হয় মঙ্গল শোভাযাত্রা। এদিন বিশ্বকে বলে দেয়- আমি বাঙালি; আমার আছে গর্বের ইতিহাস। অতীত বেদনাকে ভুলে প্রতিনিয়ত এগিয়ে যেতে পারি। সংকল্প করতে পারি নতুন আগামীর।

বাঙালি জাতির সবচেয়ে বড় অসাম্প্রদায়িক উৎসব পহেলা বৈশাখ। বিগত বছরের জরাকে দূরে ঠেলে বাঙালির আজ স্বপ্ন দেখার দিন, নতুন আলোয় অবগাহনের দিন, বাঙালির বাঁধভাঙা উল্লাসের দিন। হাজার বছরের ঐতিহ্যের বহমানতায় বাংলার ঘরে ঘরে আজ উৎসবের আমেজ।

এবারের পহেলা বৈশাখ বা বাংলা নববর্ষ ১৪৩০ উদযাপন করতে ঢাকাসহ সারাদেশে রয়েছে ব্যাপক কর্মসূচি। এবারের নববর্ষ সমাগত পবিত্র রমজান মাসে। ফলে এ মাসে ইসলাম ধর্মের রীতির প্রতি সম্মান রেখে যথাযথ ভাবগাম্ভীর্য বজায় রেখে নতুন বছরকে বরণ করে নেবে মানুষ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগ দিনব্যাপী বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দিবসটি উদযাপন করবে। ঋষিজ শিল্পীগোষ্ঠীসহ অন্যান্য সাংস্কৃতিক সংগঠন যথাযোগ্য মর্যাদায় বাংলা নববর্ষ উদযাপন করবে। বাংলা নববর্ষের অনুষ্ঠান আবশ্যিকভাবে জাতীয় সংগীত ও এসো হে বৈশাখ গান পরিবেশনের মাধ্যমে শুরু হবে। বাংলা নববর্ষের তাৎপর্য ও মঙ্গল শোভাযাত্রার ইতিহাস এবং ইউনেস্কো কর্তৃক এটিকে বিশ্ব সংস্কৃতির ঐতিহ্য হিসাবে অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি তুলে ধরে এদিন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলা একাডেমির উদ্যোগে বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকায় ক্রোড়পত্র প্রকাশ করেছে। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করেছে। বাংলা নববর্ষে সকল কারাগার, হাসপাতাল ও শিশু পরিবারে (এতিমখানা) উন্নতমানের ঐতিহ্যবাহী বাঙালি খাবার ও ইফতারের আয়োজন করা হয়েছে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
© All rights reserved © 2017 তোলপাড়
Customized BY NewsTheme