শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:৪৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
চলতি বছরের চুক্তিতে থাকা ক্রিকেটারদের তালিকা প্রকাশ করলো বিসিবি ঈদের আগেই ফ্যামিলি কার্ড চালু করা হবে জানালো দুর্যোগ ও ত্রাণমন্ত্রী দুলু স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে দুর্নীতি ও সিন্ডিকেট মুক্ত গড়ে তোলা হবে বললো বাংলাদেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাংলাদেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে মাদক, সন্ত্রাস ও ইভটিজিংমুক্ত করা হবে বললো শিক্ষামন্ত্রী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন জামায়াত আমির দলীয় শুদ্ধিকরণে প্রাধান্য দিন—অন্যথায় দেশবাসী হতাশ হবে: বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে টিআইবি তারেক রহমানকে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন বিশ্বের সব ভাষাভাষী মানুষ ও জাতিগোষ্ঠীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর বাজারে বেড়েছে মাছ-সবজির দাম, মুরগিতে কিছুটা স্বস্তি ১০ দিনের সময় ট্রাম্পের, পাল্টা হামলার হুঁশিয়ারি ইরানের
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন:

জবাই করে দুই শিশুসহ নারীকে জবাই করে হত্যা

প্রকাশের সময়: মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

সংবাদদাতা, কুমিল্লা:

কুমিল্লার হোমনা উপজেলার ঘারমোড়া ইউনিয়নের উত্তর মনিপুর গ্রামে ঘরে ঢ়ুকে এক নারী ও দুই শিশুকে জবাই করে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার দিবাগত রাতে এ নির্মম হত্যাকাণ্ড ঘটে। নিহতরা হলেন উত্তর মনিপুর গ্রামের সৌদি প্রবাসী জহিরুল ইসলামের স্ত্রী পাপিয়া আক্তার সুখি (৩২) ও তার শিশু ছেলে মো. হোসাইন (৪) এবং নারীর প্রবাসী ভাসুর আব্দুস সাত্তারের ছেলে জুবায়েদ (৭)। তারা সবাই জহিরুল ইসলামের ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন।

নিহতদের স্বজনরা জানায়, কে বা কারা এ ঘটনা গটিয়েছে তা তারা বুঝতে পারছেন না। তাদের কোনো শত্রুও ছিল না। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেছেন। তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করছেন। এখনও লাশ উদ্ধার করা হয়নি।

এ ঘটনায় পুলিশের ইন্সপেক্টর দীনেশ চন্দ্র দাশ গুপ্ত জানান, সিআইডি ও পিবিআই আসার পর সুরতহাল রিপোর্ট করে ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হবে।

নিহত পাপিয়া আক্তারের ভাই মো. সাইদুল হক জানান, তারা সকালে তার বোন ও ভাগিনার খুন হওয়ার খবর পেয়ে বাড়িতে এসেছেন। নিহত পাপিয়া আক্তারের ভাগিনা আমান উল্লাহ্রও একই বক্তব্য। তিনিও শুনেছেন কে বা কারা তার ফুপু ও ফুপাতো ভাই হোসাইন এবং তার চাচাতো ভাই জুবাইদকে জবাই করে ভেতরে ফেলে রেখেছে।

খুন হওয়া শিশু জুবাইদের মা লিপি আক্তার বলেন, তার শিশু ছেলে জুবাইদ কাল (সোমবার) রাতে তার বড় আম্মুর (বড় চাচী) সঙ্গে ঘুমানের বায়না ধরে। সে অনুযায়ী রাতে খাবার খেয়ে সেও তাদের সঙ্গে ছিল। সকালে অনেক বেলা হয়ে যাওয়ায় ছেলেকে খাওয়ানোর জন্য ডাকতে গেলে এমন মর্মান্তিক ঘটনা দেখেন। প্রথমে তার বড় ছেল সাত বছরের জুনাইদকে পাঠান জুবাইদকে ডাকার জন্য। দরজা ধাক্কা দিয়ে ঘরে ঢ়ুকে জুবাইদকে কাঁথা মুড়ি দিয়ে গড়াগড়ি করে শুয়ে থাকা অবস্থায় রয়েছে বলে মা লিপি আক্তারকে জানান। পরে তিনি ঘরে ঢ়ুকে প্রথমে জা’য়ের ছেলেকে জবাই করা অবস্থায় দেখতে পান পরে একে একে অন্য দুটি কক্ষ থেকে জা এবং নিজ সন্তানের গলা কাটা লাশ খুঁজে পান। ঘরের দরজার কাছে একটি ছুরি পেয়েছেন। তিনি কারও সঙ্গে তাদের কোনো শত্রুতা অথবা পারিবারিক কোনো ঝামেলা ছিল না বলে জানান; এবং তার জা’ও ভালো ছিলেন। কারও সঙ্গে অনৈকি কোনো সম্পর্কও ছিল না বলে জানান।

হোমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশেদুল আলম চৌধুরি বলেন, এখনও কোনো ক্লু পাওয়া যায়নি। ঘর থেকে কোনো কিছু খোয়া যাওয়ার বিষয়টিও পুরোপুরি নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে মনে হচ্ছে। ফোনে নিহত সুখি আক্তারের প্রবাসী স্বামীর সঙ্গে কথা বলে তার বরাত দিয়ে তিনি আরও জানান, তাদের সঙ্গে কারও কোনো শত্রুতা ছিল না। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেছেন। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর