সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪, ০৩:০২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
‘বাবাকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে হত্যা করেছি’ বিলের পানিতে ভাসছে কাউন্সিলরের মরদেহ ইজিবাইক চালককে হত্যার দায়ে যুবকের মৃত্যুদণ্ড রাষ্ট্রপতির কাছে স্মারকলিপি জমা দিল কোটা আন্দোলনকারীরা একইদিনে বাংলাদেশে মুক্তি ‘পদাতিক’ ট্রাম্পের হামলাকারী কে এই যুবক? প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্ন, মুক্তিযোদ্ধার নাতি-নাতনিরা পাবে না তো রাজাকারের নাতিরা পাবে? কারাগার ভেঙে পালানোর চেষ্টাকালে বন্দুকযুদ্ধ ,নিহত ৮ জঙ্গিবাদ থামিয়েছি, এখন দুর্নীতিবাজদের ধরছি জানিয়েছে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী দেশের যেকোন দুর্যোগ মূহুর্তে র‌্যাব সবসময় বন্ধু হয়ে জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছে কুড়িগ্রামে জানিয়েছে র‌্যাব মহাপরিচালক

কারণ ছাড়াই চালের দাম বেড়েছে কেজিতে ১০ টাকা পর্যন্ত!

রিপোর্টারের নাম / ৫৪ টাইম ভিউ
Update : শনিবার, ৬ জুলাই, ২০২৪

কোনো কারণ ছাড়াই দুই সপ্তাহের ব্যবধানে দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রকারভেদে চালের দাম কেজিতে বেড়েছে ২ থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত। ঈদের আগে যশোরে বাসমতি চাল বিক্রি হয় ৭৪ টাকা কেজিতে। এখন তা বেড়ে হয়েছে ৮৪ টাকা। এ ছাড়া প্রকারভেদে ২ থেকে ৬ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে মিনিকেট, আটাশ, কাজললতা, স্বর্ণাসহ বিভিন্ন চালের দাম।

কিন্তু মিল মালিকদের দাবি, ধান সংকট ও ধানের দাম বেশি হওয়ায় চালের দাম কিছুটা বেড়েছে। আর খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন সংকট নয়, অটোমিল মালিকদের কারসাজিতেই নিয়ন্ত্রণ নেই চালের বাজারে।-খবর তোলপাড় ।

তবে কৃষি বিভাগের হিসাবে, গত মৌসুমে যশোরে ১১ লাখ মেট্রিক টন ধান উৎপাদন হয়েছে। যা স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে ৪ লাখ মেট্রিক টন উদ্বৃত্ত। চালের দাম বৃদ্ধির জন্য অটোমিল মালিকদের কারসাজিকে দুষছেন খুচরা ব্যবসায়ীরা।

যশোর চাল ব্যবসায়ী সমিতির যুগ্ম সম্পাদক মীর বদরুল আলম বলেন, ‘এখন ধানটা তারা (অটোমিল মালিকেরা) বেশি দাম দিয়ে কালেকশন করবে। এরপর তাদের নিয়ন্ত্রণে যখন ধানটা চলে আসবে তখন আরও বেশি মুনাফা রেখে বিক্রি করবে।’

এদিকে, কুষ্টিয়াতে মিনিকেটসহ সব চালের দাম বেড়েছে কেজিতে ২ থেকে ৩ টাকা। খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, এখনই মজুতদারদের লাগাম টেনে ধরা জরুরি। এছাড়া দুই সপ্তাহের ব্যবধানে জয়পুরহাটে চালের দাম কেজিতে বেড়েছে ৪ থেকে ৫ টাকা। এতে বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ।

নওগাঁর বাজারে প্রতি কেজি স্বর্ণা ৫০ টাকা থেকে ৫৩, কাটারি ৬০ থেকে ৬৪ এবং জিরা ৬০ থেকে বেড়ে ৬৩ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ বিষয়ে নওগাঁ জেলা চাল কল মালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ হোসেন চকদার বলেন, ঈদের আগে ও পরে মিল কারখানা বন্ধ থাকা এবং বৈরী আবহাওয়ার কারণে চালের দাম বেড়েছে।

অন্যদিকে, দেশের অন্যতম খাদ্যভান্ডার দিনাজপুরের খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, মিলগেটে ৫০ কেজির প্রতিবস্তা চাল দেড়শ থেকে দু’শ টাকা বেশিতে কিনতে হচ্ছে। অথচ এবার জেলায় ৮ লাখ টন চাল উদ্বৃত্ত রয়েছে বলেও জানান তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

এক ক্লিকে বিভাগের খবর