1. admin@dailytolper.com : admin :
নোটিশ:
দৈনিক তোলপাড় পত্রিকা থেকে আপনাকে স্বাগতম। তোলপাড় পত্রিকা আপনার আমার সবার। আপনার এলাকার উন্নয়নের ভূমিকা হিসেবে পত্রিকাটির মাধ্যমে আমরা দায়িত্ব নিয়েছি।   এ জন্য বাংলাদেশের প্রতিটি জেলা-উপজেলা-বিভাগ-কলেজ ক্যাম্পাসসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সাংবাদিক নিয়োগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পত্রিকাটির পর্ষদ।  আগ্রহী হলে আপনিও এক কপি রঙিন ছবিসহ নিম্ন ঠিকানায় সিভি প্রেরণ করে নিয়োমিত সংবাদ পাঠাতে পারেন।   প্রচারে প্রসার, আপনার প্রতিষ্ঠান সারা বিশ্বে প্রচারেরর জন্য বিনামূল্যে বিজ্ঞাপন দিতে পারেন।   বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন-০১৭১৯০২৬৭০০, prohaladsaikot@gmail.com

পাগলা মসজিদের দানবক্সে অসহায় মায়ের চিঠি!

  • আপডেটের সময় : শনিবার, ৬ মে, ২০২৩
  • ৮৬ টাইম ভিউ

Visits: 10

সংবাদদাতা, কিশোরগঞ্জ:

কিশোরগঞ্জ জেলার ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের ৮টি দান সিন্দুক থেকে ১৯ বস্তা টাকা পাওয়া গেছে। এবারও দান সিন্দুকের টাকার সঙ্গে পাওয়া গেছে একটি চিরকুট। এ ছাড়াও টাকার পাশাপাশি বিভিন্ন বৈদেশিক মুদ্রা ও বেশ কিছু স্বর্ণালংকারও মিলেছে।

শনিবার (৬ মে) অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এ টি এম ফরহাদ চৌধুরী এ তথ্য নিশ্চিত করেন। এর আগে একই দিন সকাল ৮টায় মসজিদের ৮টি দান সিন্দুক খোলা হয়।

সিন্দুকের টাকার সঙ্গে পাওয়া চিরকুটটি লিখেছেন পারভীন নামে এক নারী। তিনি চিরকুটে ছেলে-মেয়েকে ভালো জায়গায় বিয়ে দেওয়ার জন্য মানত করেছেন। পাশাপাশি নিজের শারীরিক সুস্থতাও কামনা করেছেন। নিজের সমস্যাগুলো দূর হলে তিনি মসজিদের দান সিন্দুকে দুই হাজার টাকা দেওয়ার কথাও লিখেছেন চিরকুটে।

চিরকুটে পারভীন লেখেন, ‘আমার নাম পারভীন। আমার শরীর অনেক অসুস্থ। আমার পাগলা বাবার মসজিদে আসার অনেক ইচ্ছা ছিল, আসতে পারলাম না। পাগলা বাবার মসজিদে আমার আরজি যে, আমার ছেলে-মেয়েকে যেন ভালো জায়গায় বিয়ে দিতে পারি। আমার শরীরে অনেক ব্যথা, আমি চলতে পারি না। আমার কিডনি সমস্যাও আছে। আমি পাগলা বাবার কাছে এই দোয়া চাই যেন, আমার এই সমস্যাগুলো সমাধান হয়ে যায়। তাহলে আমি পাগলা বাবার মসজিদের দানবাক্সে দুই হাজার টাকা দিবো। আর আমি যদি ভালো থাকি, তাহলে আমি নিজেই আসবো। আমি তো শুনি, পাগলা বাবার কাছে যে আসে সবার মনের আশা পূরণ হয়। আমার আশাগুলো যেন পূরণ হয়। আমিন।’

এলাকাবাসী জানায়, পাগলা মসজিদে মানত করলে মনের আশা পূর্ণ হয়। এমন ধারণা থেকে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই এ মসজিদে দান করেন।

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ৬ জানুয়ারি ৩ মাস ৭ দিন পর দান সিন্দুকগুলো খোলা হয়েছিল। তখন রেকর্ড ১৪ কোটি ১৮ লাখ ১৬ হাজার ৭৪৪ টাকা এবং বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণালঙ্কার পাওয়া গিয়েছিল। এবার ৪ মাস পর ৮টি দান সিন্দুক খোলা হলো। দান সিন্দুকে পাওয়া টাকাগুলো গণনা চলছে। টাকা গণনার কাজে অংশ নিয়েছেন মসজিদ ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য, মসজিদ কমপ্লেক্সে অবস্থিত মাদ্রাসা ও এতিমখানার শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং রূপালী ব্যাংকের কর্মকর্তারা।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
© All rights reserved © 2017 তোলপাড়
Customized BY NewsTheme