1. admin@dailytolper.com : admin :
নোটিশ:
দৈনিক তোলপাড় পত্রিকা থেকে আপনাকে স্বাগতম। তোলপাড় পত্রিকা আপনার আমার সবার। আপনার এলাকার উন্নয়নের ভূমিকা হিসেবে পত্রিকাটির মাধ্যমে আমরা দায়িত্ব নিয়েছি।   এ জন্য বাংলাদেশের প্রতিটি জেলা-উপজেলা-বিভাগ-কলেজ ক্যাম্পাসসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সাংবাদিক নিয়োগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পত্রিকাটির পর্ষদ।  আগ্রহী হলে আপনিও এক কপি রঙিন ছবিসহ নিম্ন ঠিকানায় সিভি প্রেরণ করে নিয়োমিত সংবাদ পাঠাতে পারেন।   প্রচারে প্রসার, আপনার প্রতিষ্ঠান সারা বিশ্বে প্রচারেরর জন্য বিনামূল্যে বিজ্ঞাপন দিতে পারেন।   বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন-০১৭১৯০২৬৭০০, prohaladsaikot@gmail.com

কাজ শেষ না হতে ২৭ কোটি টাকার সেতুর পিলারে ফাটল

  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ১২ মে, ২০২৩
  • ৭০ টাইম ভিউ

Visits: 5

সংবাদদাতা, পীরগঞ্জ(রংপুর):

নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার আগেই রংপুরের পীরগঞ্জে করতোয়া নদীর ওপর নির্মিত ন্যুনদহ সেতুর পিলারে ফাটল দেখা দিয়েছে। গত সোমবার (৮ মে) সেতুর সামগ্রিক অবস্থা সরেজমিন তদন্ত করেছে এলজিইডির একটি বিশেষজ্ঞ টিম। তবে তদন্তে তারা কী পেয়েছন এখনও জানা যায়নি। ফলে প্রায় ২৭ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন সেতুর স্থায়িত্ব নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

করতোয়া নদীর ওপর সেতুটি নির্মাণ করার মূল লক্ষ্য ছিলো উপজেলার পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে ঘোড়াঘাট, নবাবগঞ্জ ও বিরামপুর উপজেলার মানুষের উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের (এলজিইডি) আওতায় সি আই বি প্রজেক্টের মাধ্যমে চতরা জিসি গিলাবাড়ী ঘাট ভায়া নিশ্চিন্তবাটি প্রাথমিক বিদ্যালয় সড়কে ন্যুনদহ ঘাট পর্যন্ত সেতুটি নির্মাণে ২৬ কোটি ৮২ লাখ ৩৩ হাজার ৮৭৮ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়।

টেন্ডারের মাধ্যমে কার্যাদেশ পায় চট্টগ্রামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘পি, পি, এল, জে, ভি’ ৫২ ছাত্তার ম্যানসন ও প্যান্স লাইন্স। ২০১৮ সালের ৯ মে প্রতিষ্ঠান দুটি নির্মাণকাজ শুরু করে। ২০২১ সালের ২২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সেতুর কাজ শেষ হওয়ার কথা। এখন পর্যন্ত ৭০ শতাংশ কাজ শেষ করেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।

এদিকে নদীর পানি কমে যাওয়ায় সেতুর অ্যাবাটমেন্ট (সেতুর কাঠামোর ভারবহনসহ দুই পাশের পাড়কে ভাঙন থেকে রক্ষা করে) এবং পিয়ার (একাধিক স্প্যান বিশিষ্ট পিলার) দৃশ্যমান হয়। এতে দেখা যায়, সব ক’টি পিলার ও দুই পাশের অ্যাবাটমেন্টের নিচের অংশ ভেঙে গেছে। এতে সেতুর ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তার সৃষ্টি হয়েছে। এলজিইডির একটি বিশেষজ্ঞ টিম বিষয়টি তদন্ত করে। তদন্তে তারা কী পেয়েছন এখনও জানা যায়নি। ভেঙে যাওয়া অংশ সেতুর কোনো ক্ষতি করবে কিনা– তাও এখনও স্পষ্ট নয়।

নির্মাণাধীন সেতুর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের তদারকির দায়িত্বে থাকা সাব্বির রহমান জানান, জমি অধিগ্রহণে কালক্ষেপণসহ নানা বাধা-বিপত্তিতে নির্মাণকাজ পিছিয়ে গেছে। ফাটলের বিষয়ে তিনি বলেন, একশ ভাগ কাজের মধ্য দুই ভাগ ভুল হতেই পারে। সেটাই হয়েছে। ওই সময়ের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রকৌশলী মঞ্জুরুল ইসলাম এ প্রসঙ্গে মন্তব্য করতে রাজি হননি।

এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকৌশলী মশিউর রহমান বলেন, ঢাকা থেকে উচ্চ পর্যায়ের একটি টিম সেতু পরিদর্শন করেছে। সেই টিমের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
© All rights reserved © 2017 তোলপাড়
Customized BY NewsTheme