
টাইগারদের দেয়া ১০৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দক্ষিণ আফ্রিকা কিছুটা আগ্রাসী মেজাজেই খেলেছে। দুই ওপেনার এইডেন মার্করাম এবং টনি ডি জর্জি গড়েছিলেন ৪২ রানের উদ্বোধনী জুটি। দশম ওভারে তাইজুল ইসলামের বলে বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফিরেন অধিনায়ক মার্করাম। সাজঘরে ফেরার আগে তিনি করেন ২৭ বলে ২০ রান।
এরপর প্রোটিয়াদের দলীয় ৭১ রানে আরেক ওপেনার টনিকেও সাজঘরের পথ দেখান তাইজুল। টাইগার স্পিনারের বলে হাসান মাহমুদের মুঠোবন্দী হয়ে আউট হওয়ার আগে ৫২ বলে ৪১ রান করেন টনি। এরপর সফরকারীদের তৃতীয় উইকেটের পতন হয় দলীয় ৯৭ রানে। ১৩ বলে ১২ রান করে তাইজুলের বলেই লিটন দাসের গ্লাভসবন্দী হয়ে আউট হন ডেভিড বেনিংহাম। -খবর তোলপাড়।
তবে তিন উইকেট হারালেও জয় তুলে নিতে খুব একটা বেগ পেতে হয়নি প্রোটিয়াদের। ট্রিস্টান স্টাবস আগ্রাসী মেজাজে খেলেছেন, ৪ চার আর ১ ছয়ে তিনি ৩৭ বলে করেছেন ৩০ রান। তাঁর এই ইনিংসের সুবাদেই মধ্যাহ্নবিরতির আগেই ২২ ওভারে ৭ উইকেটের জয় তুলে নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা।
২০২ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসের ব্যাতিংয়ে নেমেছিল বাংলাদেশ। তবে দ্বিতীয় ইনিংসেও টপ অর্ডার ব্যাটাররা ভালো করতে পারেননি, ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয় খেলেছিলেন ৪০ রানের ইনিংস। টপ অর্ডার ব্যর্থ হওয়ায় আগেই হারের শঙ্কা জেগেছিল, তবে জাকের আলিকে নিয়ে মিরাজ গড়েছিলেন প্রতিরোধ। দুজনের ১৩৮ রানের জুটিতে প্রোটিয়াদের সংগ্রহ পেরিয়ে লিডের দেখা পায় বাংলাদেশ।
অভিষেক টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে ৫৮ রান করে জাকের ফিরলেও ক্রিজে ছিলেন মিরাজ। দলের সংগ্রহ বাড়ানোর পাশাপাশি তিনি এগোচ্ছিলেন ব্যক্তিগত শতকের দিকেও। তৃতীয় দিন শেষে তিনি অপরাজিত ছিলেন ৮৭ রানে, সঙ্গী ছিলেন নাইম হাসান, তিনি আজ ব্যক্তিগত ১৬ রান নিয়ে ব্যাতিংয়ে নেমে দিনের শুরুতেই আউট হন। এরপর তাইজুল ও মিরাজও আউটও হলে টাইগারদের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১০৫ রান।
প্রধান সম্পাদক- দিপালী রানী রায়
খামারবাড়ী, ফার্মগেট ঢাকা-১২১৫ ও ট্রাফিক মোড়, রাজারহাট-৫৬১০ থেকে প্রকাশিত। মোবাইল - ০১৭৭৩৩৭৪৩৬২, ০১৩০৩০৩৩৩৭১, নিউজ ইমেইল- dailytolpernews@gmail.com, বিজ্ঞাপন- prohaladsaikot@gmail.com