1. admin@dailytolper.com : admin :
নোটিশ:
দৈনিক তোলপাড় পত্রিকা থেকে আপনাকে স্বাগতম। তোলপাড় পত্রিকা আপনার আমার সবার। আপনার এলাকার উন্নয়নের ভূমিকা হিসেবে পত্রিকাটির মাধ্যমে আমরা দায়িত্ব নিয়েছি।   এ জন্য বাংলাদেশের প্রতিটি জেলা-উপজেলা-বিভাগ-কলেজ ক্যাম্পাসসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সাংবাদিক নিয়োগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পত্রিকাটির পর্ষদ।  আগ্রহী হলে আপনিও এক কপি রঙিন ছবিসহ নিম্ন ঠিকানায় সিভি প্রেরণ করে নিয়োমিত সংবাদ পাঠাতে পারেন।   প্রচারে প্রসার, আপনার প্রতিষ্ঠান সারা বিশ্বে প্রচারেরর জন্য বিনামূল্যে বিজ্ঞাপন দিতে পারেন।   বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন-০১৭১৯০২৬৭০০, prohaladsaikot@gmail.com

মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়েছে লাম্পি স্কিন রোগ, ১মাসে মারা গেছে ২শতাধিক গরু, ক্ষতির মুখে খামারিরা

  • আপডেটের সময় : বুধবার, ১২ জুলাই, ২০২৩
  • ১২৮ টাইম ভিউ

Visits: 24

প্রহলাদ মন্ডল সৈকত:
কুড়িগ্রামের রাজারহাটে গবাদিপশুর মধ্যে ভয়াবহ মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়েছে লাম্পি স্কিন ডিজিজ (এলএসডি)। গত ১মাসে এ রোগে আক্রান্ত হয়ে উপজেলায় মারা গেছে প্রায় ২শতাধিক গরু।

‘লাম্পি স্কিন’ রোগে মৃত্যুহার কম হলেও এবারে মহামারি আকার ধারণ করছে এ উপজেলায়। এছাড়া এ রোগের কারণে ঝুঁকি বাড়াচ্ছে দুগ্ধ ও চামড়া শিল্পে। এ রোগে আক্রান্ত হলে পশুর চামড়া অনেকটাই অকার্যকর হয়ে যায়। আবার গাভী আক্রান্ত হলে দুধ উৎপাদন শূন্যের কোটায় নেমে আসে। দুুধ উৎপাদন কমে যাওয়ায় আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে ছোট-বড় খামারিরা।

এদিকে গরুর ‘লাম্পি স্কিন’ রোগ ছড়িয়ে পড়লেও এতে আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তারা। তারা বলেছেন, খুব সাধারণ চিকিৎসায় গবাদি পশুর এই রোগ সারানো সম্ভব। সচেতনতা ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এই রোগ থেকে মুক্তি দিতে পারে। লাম্পি স্কিন রোগের লক্ষণ প্রকাশ পেলে দ্রুত রেজিস্টার্ড ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে এবং ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে।

সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার সাতটি ইউানিয়নের বেসরকারিভাবে প্রায় ৭হাজার খামারে লাম্পি স্কিন রোগ দেখা দিয়েছে। ফলে গত এক মাসে এ রোগে আক্রান্ত হয়ে বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের মন্দির মৌজার আঃ হকের ১টি গাভী, মনঃস্বর মৌজার রতনের ১টি বাছুর, সুখদেব মৌজার রেজাউল মাষ্টারের ১টি গরু, মোশারফ হোসেনের ১টি গরু, লাভলু মিয়ার ১টি গরু, মিজানুরের ১টি গরু, নাজিমখান ইউনিয়নের সোমনারায়ন মৌজার অনাথ বন্ধু সরকারের ১টি, মজিবর রহমেনের ১টি গরু, বিমল চন্দ্রের ১টি গরু, আঃ সোবহানের ১টি গরু, বিমল মহন্তের ১টি গরু, চাকিরপশার ইউনিয়নের রতœ দুগ্ধ খামারের ১টি গরু, বালাটারি গ্রামের সহিদুল ইসলামের ১টি গরু মারা গেছে। এছাড়া চাকিরপশার, বিদ্যানন্দ, ঘড়িয়ালডাঙ্গা, উমর মজিদ, নাজিমখান, ছিনাই ও রাজারহাট সদর ইউনিয়নের প্রায় ২শতাধিক গরু লাম্পি স্কিন রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়। এদিকে প্রায় প্রতিটি খামারে ৪/৫টি করে গরু এ রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে।

দুলাল দুগ্ধ খামারের দুলাল মিয়া, শিব শংকর দুগ্ধ খামারের শংকর রায়, রতœ দুগ্ধ খামারের রতন, মজিবর দুগ্ধ খামারের মজিবর রহমান, রেজাউল দুগ্ধ খামারের রেজাউল ইসলাম মাষ্টারসহ অনেক খামারী বলেন, রাজারহাট উপজেলায় প্রায় ৫থেকে ৭হাজারের মতো ছোট বড় গরুর খামার রয়েছে। এতে দেড় লক্ষাধিক ছোট বড় গরু রয়েছে। এছাড়া প্রতিটি বাড়িতে ৫টি করে দেশী গরু রয়েছে। আগে বর্ষাকালে খুরা রোগ দেখা দিতো, কিন্তু গত ৫/৬বছর ধরে লাম্পি স্কিন রোগ নতুন করে দেখা দিয়েছে। এ রোগের প্রাদূর্ভাব হওয়ায় খামারিরা বিপদে রয়েছেন। কোন ওষধ কাজ করছে না। উপজেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগ থেকেও তেমন কোন সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। বাধ্য হয়ে গ্রাম্য পশু ডাক্তারদের শরনাপন্ন হতে হচ্ছে। কিন্তু তারাও তেমন ওষধ দিচ্ছে না। শুধুমাত্র প্যারাসিটামল ট্যাবলেট, নিমপাতার রস ছাড়া কিছু দিতে পারছে না। লাম্পি স্কিন রোগের প্রাদুর্ভাব থেকে খামারকে মুক্ত রাখা না গেলে এই অগ্রযাত্রায় বিঘœ ঘটতে পারে। গাভী আক্রান্ত হলে দুধ উৎপাদন শূন্যের কোটায় নেমে আসে। ফলে উৎপাদন কমে যাওয়ায় আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে খামারিরা। এর কোনো সঠিক প্রতিষেধক না থাকায় গরু নিয়ে দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছে খামারিরা। লাম্পি স্কিন ডিজিজ গরুর জন্য একটি ভয়ঙ্কর ভাইরাস জনিত চর্মরোগ, যা খামারের ক্ষতির কারণ।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মূলত মশা ও মাছির মাধ্যমে ভাইরাসজনিত রোগটি সারা দেশে সম্প্রসারিত হচ্ছে। দেশে প্রতি বছর ভুটান, নেপাল, থাইল্যান্ড ও ভারত থেকে গরু আমদানি করা হয়। এমনকি কার্গো বিমানে করে ব্রাহামা জাতের গরুও আনা হচ্ছে। কিন্তু আমদানিকারকরা কী ধরনের গরু আনছেন বা আমদানি করা গরুর শরীরে প্রাণঘাতী ভাইরাস আছে কিনা, সে পরীক্ষা করা হচ্ছে না, যা রোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে। তবে আগে এ ধরনের রোগ দেশে ছিল না। ওষুধেরও তাই প্রয়োজন পড়েনি। লাম্পি স্কিন ডিজিজের চিকিৎসায় গোট পক্সের ভ্যাকসিন প্রাথমিকভাবে কাজে লাগতে পারে। তবে এ ভ্যাকসিনেরও যথেষ্ট অভাব রয়েছে দেশে।

এ বিষয়ে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর (প্রাণি হেলথ) থেকে বলা হয়, গরুর লাম্পি স্কিন রোগের সুনির্দিষ্ট কোনো চিকিৎসা নেই। শুধু সচেতনতার মাধ্যমেই এ রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব। রোগের লক্ষণ অনুযায়ী চিকিৎসা করাতে হয়। প্রাথমিকভাবে অ্যান্টিপাইরেটিক ও অ্যান্টিহিস্টামিন দিয়ে চিকিৎসা করা হয়। নডিউল বা গুটি ফেটে গেলে বা সেকেন্ডারি ব্যাক্টেরিয়াল ইনফেকশন দমন করার জন্য ক্ষতস্থানে পভিসেপ অথবা ভয়োডিন দিয়ে ড্রেসিং করে বোরিক পাউডার বা সালফানিলামাইড পাউডার লকগানো যেতে পারে। অযথা অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের প্রয়োজন নেই।

আরও বলা হয়, এই রোগ প্রতিরোধে অসুস্থ পশু আলাদা করতে হবে। খামারের ভেতরের এবং আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রেখে মশা-মাছির উপদ্রব কমিয়ে রোগ নিয়ন্ত্রণ করা যায়। আক্রান্ত গরুর খামারের শেড থেকে আলাদা করে অন্য স্থানে মশারি দিয়ে ঢেকে রাখলে অন্য গরুতে সংক্রমণ হওয়া থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। আক্রান্ত গাভীর দুধ বাছুরকে খেতে না দিয়ে মাটি চাপা দেওয়া উচিত। আক্রান্ত গরুর ব্যবহার্য কোনো জিনিস সুস্থ গরুর কাছে আনা বা সেই গরুর খাবার অন্য গরুকে খেতে না দেওয়া যাবে না।

এই প্রাণিস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ আরও বলেন, এই রোগ নিয়ন্ত্রণে টিকা দেওয়া যেতে পারে। তবে আমাদের দেশে এই রোগের কোনো টিকা না থাকলেও গোট পক্স টিকা দিলে উপকার পাওয়া যাচ্ছে। তবে ২১ দিন পর সাধারণত এমনিতেই রোগটি সেরে যায়। তাই লাম্পি স্কিন রোগের লক্ষণ প্রকাশ পেলেই দ্রুত উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা বা রেজিস্ট্রার্ড প্রাণী চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে পরিচর্যার ব্যবস্থা করতে হবে। তাই লাম্পি স্কিন রোগ প্রতিরোধে আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন হতে হবে। অকারণে অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া যাবে না।

১৯২৯ সালে সর্বপ্রথম আফ্রিকা মহাদেশের জাম্বিয়াতে লাম্পি স্কিন রোগ দেখা দেয়। ১৯৪৩ থেকে ১৯৪৫ সালের মধ্যে মহাদেশের বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। তবে এখন পর্যন্ত এ রোগের কোনো প্রতিষেধক আবিষ্কার হয়নি। মশা-মাছি বাহিত রোগটি মূলত মশার মধ্যমেই বেশি ছড়ায়। আক্রান্ত গরু সুস্থ হতে দীর্ঘদিন সময় লাগে। দিন দিন গরু-বাছুর দুর্বল হয়ে পড়ে। অনেক ক্ষেত্রে মারাও যায়। একটি খামারকে অর্থনৈতিকভাবে ধসিয়ে দিতে খুরা রোগের চেয়েও অনেক বেশি ভয়ঙ্কর রোগ লাম্পি স্কিন।

বাংলাদেশে গরুর লাম্পি স্কিন ডিজিজ প্রথম দেখা দেয় ২০১৯ সালে চট্টগ্রামে। এরপরই মাঠে নামে প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের তদন্ত টিম। তখন দেশের ১২ জেলায় ৪৮ হাজার গরুর মধ্যে এ রোগের লক্ষণ খুঁজে পাওয়া গিয়েছিল। এ বছর আবার রোগটি দেশের বিভিন্ন জেলায় দেখা দিয়েছে। সম্প্রতি আফ্রিকা মহাদেশে ৪০ শতাংশ গরু এ রোগে মারা গেছে বলে কৃষি তথ্য সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে।

রোগের কারণ:
মূলত এটি একটি ভাইরাসজনিত রোগ। ভাইরাসটি চড়ীারৎরফধব পরিবারের অন্তর্ভুক্ত ঈধঢ়ৎরঢ়ড়ী ারৎঁং গণের ভাইরাস। ছাগল ও ভেড়ার পক্স ভাইরাসের সাথে এ ভাইরাসের খুবই সাদৃশ্য পাওয়া যায়। এ ভাইরাস গরু ছাড়া মহিষেও ছড়াতে পারে। এক গরু থেকে আরেক গরুতে ছড়িয়ে পড়ে। ছাগল ও ভেড়ায় প্রতিলিপি তৈরি করলেও এরা সাধারণত লাম্পি স্কিন রোগে আক্রান্ত হয় না। এছাড়াও এ ভাইরাস মানুষকে আক্রমণ করে না।

আক্রান্তের সময়:

রোগটি প্রধানত বর্ষার শেষে, শরতের শুরুতে বা বসন্তের শুরুতে মশা-মাছির বেশি বিস্তারের সময় ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে পড়তে দেখা যায়।

রোগের লক্ষণ:
আক্রান্ত গরু প্রথমে জ্বরে আক্রান্ত হয় এবং খাবার রুচি কমে যায়। জ্বরের সাথে সাথে নাক-মুখ দিয়ে লালা বের হয়, পা ফুলে যায়, দুই পায়ের মাঝে পানি জমে যায়। পশুর শরীরের বিভিন্ন জায়গায় চামড়া পিণ্ড আকৃতি ধারণ করে, লোম উঠে যায় এবং ক্ষত সৃষ্টি হয়। আর এ ক্ষত শরীরের অন্যান্য জায়গায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। ক্ষতস্থান থেকে রক্তপাত হতে পারে। শরীরের কোথাও কোথাও ফুলে যায়। যা ফেটে টুকরা মাংসের মতো বের হয়ে ক্ষত হয় এবং পুঁজ বের হয়। পাকস্থলি বা মুখের ভেতরে সৃষ্ট ক্ষতের কারণে গরুর পানি পানে অনীহা তৈরি হয় এবং খাদ্য গ্রহণ কমে যায়।

যেভাবে ছড়ায়:
এ রোগে আক্রান্ত গরু থেকে বিভিন্ন উপায়ে অন্য গরুতে ছড়িয়ে পড়ে। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য মাধ্যম হলো মশা ও মাছির আক্রমণ। মশা ও মাছিকে এ ভাইরাসের প্রধান বাহক হিসেবে দায়ী করা হয়। অন্যান্য কীট-পতঙ্গের মাধ্যমেও ভাইরাসটি ছড়াতে পারে। আক্রান্ত গরুর লালা গরুর খাবারের মাধ্যমে এবং খামার পরিচর্যাকারী ব্যক্তির কাপড়ের মাধ্যমে এক গরু থেকে অন্য গরুতে ছড়াতে পারে। আক্রান্ত গাভির দুধেও এ ভাইরাস বিদ্যমান। তাই আক্রান্ত গাভীর দুধ খেয়ে বাছুর আক্রান্ত হতে পারে। গ্রাম-গঞ্জের প্রাণি চিকিৎসকরা এক সিরিঞ্জ ব্যবহার করে বিভিন্ন গরু-ছাগলকে টিকা দেন। এতেও সিরিঞ্জের মাধ্যমে এক গরু থেকে অন্য গরুতে ছড়িয়ে পড়ে। ভাইরাসে আক্রান্ত ষাঁড়ের সিমেন প্রজননে ব্যবহার করলেও এ রোগ ছড়িয়ে পড়ে। কেবল গরু, মহিষ ও ছাগল লাম্পি স্কিন রোগে আক্রান্ত হয়।

বুধবার(১২জুলাই) রাজারহাট উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মাহফুজার রহমান বলেন, রাজারহাট উপজেলায় সরকারি হিসেবে প্রায় ৬শতাধিক গরুর খামার রয়েছে। এসব খামার থেকে খামারীরা দুধ উৎপাদন করে বাজারজাত করছে। কিছু কিছু খামারে গরু মোটাতাজা করণও করা হয়। কিন্তু লাম্পি স্কিন ডিজিজ এখন ভয়াবহ রুপ নিয়েছে। যারা আক্রান্ত গরু আমাদের কাছে নিয়ে এসেছেন তাদের আমরা ভ্যাকসিন দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছি।এছাড়া এ রোগটি ডেঙ্গু রোগের মতো মশা মাছি এবং সুচ দ্বারা ছড়িয়ে পড়ে। সেকারণে আক্রান্ত গরু অবশ্যই আলাদা করে মশারি দিয়ে ঢেকে রাখতে হবে। লাম্পি স্কিন রোগ সামাজিক আন্দোলন করে প্রতিরোধ করা সম্ভব। আক্রান্ত গরুকে ব্যথার ওষুধ, নিমপাতার রস, আদার রস, লবন খাওয়ানো যেতে পারে। এবারে বড় গরুর চেয়ে বাছুরগুলো বেশী মারা যাচ্ছে। তবে আমাদের কাছে সব গুলোর তথ্য নেই। আমরা তথ্য সংগ্রহের কাজ করছি।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
© All rights reserved © 2017 তোলপাড়
Customized BY NewsTheme