বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০২:৪৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
কুয়াশার সঙ্গে আসছে শৈত্যপ্রবাহ, বাড়বে দুর্ভেোগ ২৮ কুড়িগ্রাম-৪ আসনের “জামায়াতের প্রার্থীর বিরুদ্ধে” তথ্য গোপনের অভিযোগ উঠেছে বদলগাছী উপজেলা প্রেসক্লাবের অভিষেক মোটরসাইকেল কিনে না দেয়ায় গলায় ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করলো স্কুলছাত্র নড়াইলে ইট ভাটায় অভিযানে ২ লাখ টাকা জরিমানা নাগরিকদের ইরান ছাড়তে বলল ভারত ভূমিকম্পজনিত ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে ১০ সুপারিশ দিরো এডাব ও ক্যাপস রাজারহাটে লাঠিয়ালের পাঠ সার্বজনীন মহাদেব মন্দিরে মহাদেব পূজা ও মিলন মেলা অনুষ্ঠিত রাজারহাটে গলায় রশি দিয়ে দুই সন্তানের জননীর আত্মহত্যা কু‌ড়িগ্রা‌মে ট্রা‌কের ধাক্কার সাবেক সেনা সদস্যর মৃত‌্যু, ছে‌লে আহত
শোকার্ত:

বাংলাদেশে সরিয়ে আনা হতে পারে রাশিয়ার বড় বড় পোশাক কারখানা

প্রকাশের সময়: বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০২৪

শ্রমিক সংকট ও উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় রাশিয়ার সবচেয়ে বড় পোশাক প্রস্তুতকারক কোম্পানিগুলো বাংলাদেশসহ অন্য দেশগুলোতে সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করছে দেশটি। এর মধ্যে রয়েছে গ্লোরিয়া জিনস নামের পোশাক কোম্পানি। রাশিয়াজুড়ে গ্লোরিয়া জিনসের ১৮টি কারখানা রয়েছে। তারা মূলত পোশাক ও জুতা তৈরি করে।-খবর তোলপাড়।

সম্প্রতি রুশ গণমাধ্যম কমারসান্তকে উদ্ধৃত করে ইউক্রেনের অনলাইন সংবাদপত্র ইউক্রেইনস্কা প্রাভদা জানিয়েছে, রাশিয়ার পোশাকশিল্পে দক্ষ কর্মীর সংকট দিনে দিনে গভীর হচ্ছে। ২০২৪ সালের তৃতীয় প্রান্তিকে দেশটিতে শ্রমিক-ঘাটতি আগের তুলনায় অনেক বেড়েছে। শ্রমিক-সংকটের পাশাপাশি রাশিয়ায় তৈরি কাঁচামাল ও আনুষঙ্গিক উপকরণের মানও খারাপ। ফলে পোশাক খাতের ব্যবসায়ীদের অন্য দেশ থেকে পণ্য জোগাড় করতে হচ্ছে।

এ ছাড়া পশ্চিমা দেশগুলো রাশিয়ার ওপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা দিয়ে রেখেছে। এর ফলে বিদেশ থেকে সেলাই করার যন্ত্রপাতি আমদানি করা রুশ ব্যবসায়ীদের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে। কারণ, নিষেধাজ্ঞার মধ্যে এসব আমদানির বিপরীতে দাম পরিশোধ করা যাচ্ছে না।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, রাশিয়ার সালস্কের একটি সেলাই কারখানা ইতোমধ্যে বন্ধ করা হয়েছে এবং সেখানকার কর্মীদের অন্য কারখানায় চলে যাওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। ঠিক এসব কারণে রস্তভ এলাকায় অবস্থিত কারখানাগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এ বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে গ্লোরিয়া জিনস কোম্পানিটির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তারা কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানায় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ কার হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, একসময় চীন ছিল রাশিয়ার পোশাক প্রস্তুতকারকদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে। কিন্তু রুশ ব্র্যান্ডগুলো এখন আর চীনে যেতে খুব একটা আগ্রহী নয়। ফ্যাশনশিল্পের সঙ্গে জড়িত এক প্রতিনিধি বিষয়টি ব্যাখ্যা করে বলেন, বর্তমানে চীনে শ্রমিক মজুরি বাংলাদেশ কিংবা উজবেকিস্তানের তুলনায় অনেক বেশি।

তাই কোম্পানিটি তাদের উৎপাদনব্যবস্থা ভিয়েতনাম, বাংলাদেশ বা উজবেকিস্তানে সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করছে। কারণ উজবেকিস্তানে তুলার উৎপাদন হয়, সে কারণে কাঁচামালের স্থিতিশীল সরবরাহ রয়েছে। এসব দেশে ভালো মানের শিল্পসুবিধা বিদ্যমান। ফলে কাঁচামালের সরবরাহ কিংবা উৎপাদন খরচ নিয়ে কোনো ঝামেলা পোহাতেও হয় না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর