শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২৫, ১২:১৫ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞাপন দিন- নিজের এবং প্রতিষ্ঠানের প্রচার করুন:
আগামী ১০ ডিসেম্বর(বুধবার) পাক্ষিক ‘আলোকিত রাজারহাট’ এর বিশেষ সংখ্যা প্রকাশিত হবে। আপনি/আপনার প্রতিষ্ঠানের সারাদেশব্যাপী প্রচারের জন্য বিজ্ঞাপন দিতে পারেন। যোগাযোগ করুন পাক্ষিক ‘আলেকিত রাজারহাট’ ট্রাফিক মোড়, রাজারহাট অথবা ০১৭১৯০-২৬৭০০(প্রহলাদ মন্ডল সৈকত), ০১৭৩৭-১৬৯৪৬৩(দিপালী রানী রায়, ০১৩৪১-৯২৬৮২১(মোস্তফা কামাল)

উলিপুরে পাইকারি ও খুচরা দোকানে মিলছে না বোতলজাত সয়াবিন

প্রকাশের সময়: সোমবার, ১৩ জানুয়ারী, ২০২৫

আব্দুল মালেক:

কুড়িগ্রামের উলিপুরে পাইকারি ও খুচরা দোকান গুলোতে মিলছে না বোতলজাত সয়াবিন তেল। অনেকে সংকট মনে করে খোলা সয়াবিন তেল কিনছেন। প্রায় দুই দিন ধরে দোকান গুলোতে তেল না পাওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। মুদি ব্যবসায়ীরা তেল সংকটের জন্য ডিলার এবং কোম্পানিকে দোষারোপ করছেন। তারা বলছেন কোম্পানি গুলোর বিক্রয় প্রতিনিধিরা তাদের যেসব পণ্যের চাহিদা বাজারে নেই, সেসব পণ্য না রাখলে তেল দিচ্ছেন না।

সরেজমিন উলিপুর বাজারের বেশ কয়েকটি দোকান ঘুরে লক্ষ্য করা গেছে সয়াবিন তেলের বোতল সংকট। তবে কিছু দোকানে যত সামান্য সয়াবিনের বোতল দেখা গেলেও বোতলের গায়ে লিখা দামের চেয়ে অধিক দাম আদায় করা হচ্ছে। এ নিয়ে প্রায়ই ক্রেতাদের সঙ্গে বাকবিত-ায় জড়াচ্ছেন দোকানীরা। এজন্য তারা বোতলজাত তেল খুলে চড়া দামে বিক্রি করছেন।

নাম না প্রকাশ করার অনুরোধ জানিয়ে এক মুদি দোকানদার জানান, সয়াবিন তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় আগের চেয়ে বেশি দাম সয়াবিন তেল বিক্রি করা হচ্ছে। শুধু আমি একাই বেশি রাখছি না, সকল ব্যবসায়ীরা বেশি দামে বিক্রি করছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রায় দুই মাস থেকে খোলা সয়াবিন তেলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। আগে ১৬৫ টাকা লিটার বিক্রি করা হলেও বর্তমানে তা ১৯০ থেকে ২০০ টাকা লিটার হিসাবে বিক্রি করা হচ্ছে। এদিক থেকে বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম বৃদ্ধি না পাওয়ায় দোকানিরা বোতলের গায়ে দেওয়া মূল্যের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি করছেন। তাদের দাবি, আগে কম রেটে কেনা থাকলেও বর্তমানে বাজার মূল্য বেড়ে যাওয়ার কারণে আমরা দাম ধরে নিচ্ছি।

উলিপুর বাজার করতে আসা রফিকুল ইসলাম বলেন, আমি কয়েকটি দোকানে গিয়ে বোতলজাত সয়াবিন তেল পাইনি। যদিও সব সময় বোতলজাত সয়াবিন তেল কিনে থাকি। কিন্তু বোতলজাত সয়াবিন না পাওয়ায় বাধ্য হয়ে খোলা সয়াবিন তেল দুইশত টাকা লিটার দরে কিনলাম।

সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী মাহমুদুর রহমান বলেন, জেলা ভোক্তা অধিকার কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে দ্রুত অভিযান পরিচালনা করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর