টানা ৪র্থ জয় চিটাগাংয়ের
লক্ষ্যটা বেশ বড় ছিল। তাই জিততে হলে রান তাড়ার শুরুটা দারুণ করতে হতো খুলনা টাইগার্সকে। কিন্তু সেটা করতে পারেননি তাদের টপ অর্ডারের ব্যাটাররা। যার ফলে ৪৫ রানের পরাজয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে খুলনাকে।-খবর তোলপাড়।
চিটাগাং কিংসের বিপক্ষে হারটি এবারের বিপিএলে টানা চতুর্থ হার খুলনার। অথচ, প্রথম দুই ম্যাচ জিতে টুর্নামেন্টের শুরুটা দারুণ করেছিল তারা। অন্যদিকে খুলনার চতুর্থ হারের বিপরীতে টানা চতুর্থ জয় চিটাগাংয়ের। আজ জয়ে ফিরতে ২০১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমেছিল খুলনা।
তবে ঘরের মাটে দারুণ বোলিং করেছে চিটাগাংয়ের বোলাররা। দলটির প্রত্যেক বোলারই কমপক্ষে একটি করে উইকেট পেয়েছেন। সর্বোচ্চ ৩ উইকেট পেয়েছেন বাঁহাতি স্পিনার আরফাত সানি।
খুলনার নতুন তারকা ডম সিবলি দলকে দারুণ কিছু দিতে এসে ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই বিদায় নেন।
বিপিএলে প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমে রান করেন ৩ রান। পরে দ্রুত আরো দুই উইকেট হারিয়ে মুহূর্তের মধ্যে দলটির স্কোর দাঁড়ায় ৩ উইকেটে ৪২ রান।
শুরুতেই এমন হোঁচটের পর খুলনা আরো বড় ধাক্কা খায় যখন আফিফ হোসেন (২০) ও মাহফুজুর রহমান রাব্বি (২) দলের হাল ধরার আগেই ড্রেসিংরুমের পথ ধরেন। দুই মিডল অর্ডার ব্যাটারের আউটের পর খুলনার স্কোর দাঁড়ায় ৫ উইকেটে ৭১ রান। এতে বড় হারের চোখ রাঙানি পাচ্ছিল খুলনা।
শেষ দিকে দলীয় সর্বোচ্চ ৩৭ রান করে হারের ব্যবধান কমান ডারউইশ রসুল। ২৫ ও ১৮ রান করে হারের ব্যবধান কিছুটা কমিয়েছেন মোহাম্মদ নওয়াজ ও মাহিদুল ইসলাম অঙ্কনও। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ওভার শেষে ৯ উইকেট ১৫৫ রান করেছে খুলনা।
চিটাগাংয়ের বোলারদের দারুণ বোলিংয়ে গ্রাহাম ক্লার্কের সেঞ্চুরি পূর্ণতা পেয়েছে। এর আগে চট্টগ্রামে বিধ্বংসী এক সেঞ্চুরি করে দলকে ২০০ রানের বড় সংগ্রহ এনে দেন ইংল্যান্ডের ব্যাটার। ৫১ বলে ১০১ রানের ইনিংসটি সাজান ৭ চার ও ৬ ছক্কায়। এমন দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ের জন্য পরে ম্যাচসেরাও হয়েছেন তিনি।









Chief Editor-Dipali Rani Roy