• রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৪০ পূর্বাহ্ন
স্বাগতম:
দৈনিক তোলপাড় পত্রিকায় প্রবেশ করায় আপনাকে স্বাগতম। গুরত্বপূর্ণ তথ্যের জন্য ওয়েবসাইটটির সাথেই থাকুন, আপনার প্রতিষ্ঠানের বহুল প্রচারের জন্য নিয়মিত বিজ্ঞাপন দিন +৮৮-০১৭১৯০২৬৭০০

“হুইলচেয়ার খান পাওয়ায় খুব উপকার হইলো”

প্রধান প্রতিবেদক:
আপডেট: শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬

Views: 5

পিএম সৈকত:

হুইলচেয়ার খান পাওয়া খুব উপকার হইলো আমার ছাওয়াটা এখন ভালো ভাবে চলাফেরা করবের পাবে হামার দেখি কাউয়ো দেখে না। রোডেম ফাউন্ডেশনের পক্ষ থাকি হুইলচেয়ার খেন দিলো। হামরা দোয়া করি তারা আরো ভালো থাকুক। এ কথা গুলো বলছিলেন হুইল চেয়ার পাওয়া কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার রমনা মডেল ইউনিয়নের প্রতিবন্ধী শামীম হাসানের মা শাহিদা বেগম(৬০) তিনি আরো বলেন, আমার স্বামী অনেক আগেই মারা গেছে প্রতিবন্ধী ছেলেকে নিয়ে অনেক কষ্টে দিন পার করছি এহনা হুইল চেয়ার কিনমো তার টাকা নাই।

মঙ্গলবার অডিটোরিয়াম হল রুমে রোডেম ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে” উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে মোট ৩০জন প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মাঝে হুইল চেয়ারে বিতরণ করা হয়।
এসময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা( ইউএনও) মাহমুদুল হাসান,চিলমারী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নয়ন কুমার, রোডেম ফাউন্ডেশনের ন্যাশনাল ডিরেক্টর, ডোসেয়গ হং, ফাউন্ডেশনের বিজনেস ম্যানেজার ডেভিড হালদার, প্রকল্প ম্যানেজার বাবলু রিবেরু,চিলমারী প্রতিনিধি আতাউর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

চিলমারী ইউনিয়নের বৈইলমনদিয়ার খাতা এলাকার সমশের আলী বলেন, বয়স্ক মানুষ ঠিক মতো চলাফেরা করতে পারি নে । কাইয়ো এহনা হুইল চেয়ারও দেয় না হুইল চেয়ার খেন পাওয়া খুব উপকার হইছে।

রোডেম ফাউন্ডেশনের চিলমারীর দায়িত্বে থাকা আতাউর রহমান বলেন, যারা হুইল চেয়ার কিনতে পারে না তাদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে খোঁজ খবর নিয়ে তালিকা করা হয়েছে।
রমনা মডেল ইউনিয়নের বাসিন্দা আলামিন মিয়া(৫৫) বলেন, ফাউন্ডেশনটি চিলমারীতে অনেক আগে থেকেই প্রতিবন্ধী মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। তারা শুধু হুইল চেয়ার দেন না। খাদ্য সহায়তা ও করেন। আমরা আশা করি হতদরিদ্র মানুষের কল্যাণে তারা কাজ করুক।

রোডেম ফাউন্ডেশনের ন্যাশনাল ডিরেক্টর ডসেয়ক হং জানান,প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সমাজের বোঝা নন বরং সমান অধিকার ও সম্ভাবনাময় নাগরিক হিসেবে দেখি। তাদের শিক্ষা,স্বাস্থ্য,কর্মসংস্থান এবং সামাজিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা শুধু মানবিক দায়িত্ব নয়, এটি একটি ন্যায়ভিত্তিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনের অপরিহার্য শর্ত। প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সক্ষমতা বিকাশে পরিবার, সমাজ, সরকার এবং বেসরকারি সংস্থাসহ সকলের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

তিনি আরও জানান, ফাউন্ডেশনটি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জীবনমান উন্নয়নে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছে। দক্ষতা উন্নয়ন, আত্মনির্ভরশীলতা বৃদ্ধি এবং সমাজের মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ভবিষ্যতেও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং একটি বৈষম্যহীন,অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনে কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর