• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
৭ নভেম্বর এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা অ্যাম্বুলেন্সের ধাক্কায় মাদ্রাসাছাত্রের মৃত্যু রাজারহাটে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২’-এর উদ্বোধন দেখল উপজেলা প্রশাসন সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ: ভুটানকে হারিয়ে শুভসূচনা বাংলাদেশের রাতে পরীমনির ‘রহস্যময়’ স্ট্যাটাস ভাইরাল মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা: যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পরও মহাকাশ শক্তি বাড়াচ্ছে ইরান বাংলাদেশের পোশাক শিল্পে অস্থিরতা কমলেও উৎপাদন বন্ধ ১৩০ কারখানায় আমদানি নির্ভরতা কমাতে: নতুন ৩ সার কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা সরকারের বিশ্ববাজারে আবার বাড়লো জ্বালানি তেলের দাম সবজিতে স্বস্তি, মাছ-মাংসে অস্বস্তি
স্বাগতম:
দৈনিক তোলপাড় পত্রিকায় প্রবেশ করায় আপনাকে স্বাগতম। গুরত্বপূর্ণ তথ্যের জন্য ওয়েবসাইটটির সাথেই থাকুন, আপনার প্রতিষ্ঠানের বহুল প্রচারের জন্য নিয়মিত বিজ্ঞাপন দিন +৮৮-০১৭১৯০২৬৭০০

আজ জাতিসংঘ দিবস

তোলপাড় প্রতিবেদক:
আপডেট: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬

Views: 7

২৪ অক্টোবর, জাতিসংঘ দিবস। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতা থেকে শিক্ষা নিয়ে বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠা, আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতা জোরদারের প্রত্যয়ে ১৯৪৫ সালের এই দিনে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে জাতিসংঘ। প্রতিষ্ঠার ৮১ বছরে পদার্পণ করা সংস্থাটির বর্তমান সদস্যসংখ্যা ১৯৩।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান, মানবাধিকার সংরক্ষণ এবং দারিদ্র্য কমানোর লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে জাতিসংঘ। পাশাপাশি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা ও টেকসই উন্নয়নের মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রেও সংস্থাটির কার্যক্রম বিস্তৃত। তবে বিভিন্ন অঞ্চলে যুদ্ধ, রাজনৈতিক অস্থিরতা, শরণার্থী সংকট ও মানবিক বিপর্যয় অব্যাহত থাকায় এসব সমস্যা সমাধানে জাতিসংঘের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা রয়েছে।

স্বাধীনতার পর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সক্রিয় ভূমিকা রাখার অংশ হিসেবে জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভের উদ্যোগ নেয় বাংলাদেশ। ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর সংস্থাটির ১৩৬তম সদস্যরাষ্ট্র হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয় দেশটি। এরপর থেকে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, শান্তি প্রতিষ্ঠা ও উন্নয়ন কার্যক্রমে অংশগ্রহণের মাধ্যমে বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করার চেষ্টা করছে বাংলাদেশ।

জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণও আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ। ১৯৮৮ সালে ইরান-ইরাক সামরিক পর্যবেক্ষক মিশনে কর্মকর্তা পাঠানোর মধ্য দিয়ে এ কার্যক্রমে যুক্ত হয় বাংলাদেশ। পরবর্তী সময়ে বিশ্বের বিভিন্ন সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে শান্তি বজায় রাখা, বেসামরিক মানুষের সুরক্ষা এবং স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার কাজে দায়িত্ব পালন করেছেন বাংলাদেশি সামরিক ও পুলিশ সদস্যরা। শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ দেশটির আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি ও বহুপক্ষীয় সহযোগিতার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

জাতিসংঘে বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকার রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধান। মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কার্যকর উদ্যোগ চেয়ে আসছে ঢাকা।

এ ছাড়া জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলা, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন, অভিবাসীদের অধিকার সংরক্ষণ এবং আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়গুলোতেও গুরুত্ব দিচ্ছে বাংলাদেশ।

জাতিসংঘ দিবস উপলক্ষে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আলোচনা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি পালিত হয়। এসব আয়োজনের মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক শান্তি, মানবাধিকার এবং পারস্পরিক সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়।

বর্তমান বিশ্বে যুদ্ধ, বাস্তুচ্যুতি ও জলবায়ু সংকটের মতো বহুমুখী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জাতিসংঘের কার্যকর ভূমিকা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তবে এসব ক্ষেত্রে অগ্রগতি অর্জনের জন্য সদস্যরাষ্ট্রগুলোর রাজনৈতিক সদিচ্ছা, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলা জরুরি।


এই বিভাগের আরও খবর