• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ১১:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
৭ নভেম্বর এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা অ্যাম্বুলেন্সের ধাক্কায় মাদ্রাসাছাত্রের মৃত্যু রাজারহাটে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২’-এর উদ্বোধন দেখল উপজেলা প্রশাসন সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ: ভুটানকে হারিয়ে শুভসূচনা বাংলাদেশের রাতে পরীমনির ‘রহস্যময়’ স্ট্যাটাস ভাইরাল মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা: যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পরও মহাকাশ শক্তি বাড়াচ্ছে ইরান বাংলাদেশের পোশাক শিল্পে অস্থিরতা কমলেও উৎপাদন বন্ধ ১৩০ কারখানায় আমদানি নির্ভরতা কমাতে: নতুন ৩ সার কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা সরকারের বিশ্ববাজারে আবার বাড়লো জ্বালানি তেলের দাম সবজিতে স্বস্তি, মাছ-মাংসে অস্বস্তি
স্বাগতম:
দৈনিক তোলপাড় পত্রিকায় প্রবেশ করায় আপনাকে স্বাগতম। গুরত্বপূর্ণ তথ্যের জন্য ওয়েবসাইটটির সাথেই থাকুন, আপনার প্রতিষ্ঠানের বহুল প্রচারের জন্য নিয়মিত বিজ্ঞাপন দিন +৮৮-০১৭১৯০২৬৭০০

এপ্রিলে ৪০৪ প্রাণ ঝরল সড়কে, মোটরসাইকেল দুর্ঘটনাই সবচেয়ে বেশি

তোলপাড় প্রতিবেদক:
আপডেট: বুধবার, ৬ মে, ২০২৬

Views: 7

 

এপ্রিল মাসে বাংলাদেশজুড়ে ৪৬৩টি সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ৪০৪ জন, আহত হয়েছেন আরও ৭০৯ জন। নিহতদের মধ্যে ৫৩ জন নারী ও ৪৮ জন শিশু রয়েছে। বুধবার (৬ মে) সকালে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন প্রকাশিত প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এই চিত্র।-খবর তোলপাড়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, একই সময়ে নৌপথেও ঘটেছে ৭টি দুর্ঘটনা, যেখানে ৪ জন নিহত এবং ১১ জন আহত হয়েছেন। রেলপথেও ৩৪টি দুর্ঘটনায় ২৬ জনের মৃত্যু হয়েছে, আহত হয়েছেন ১৭ জন। বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক, অনলাইন সংবাদমাধ্যম ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার তথ্য বিশ্লেষণ করে এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

সড়ক দুর্ঘটনার চিত্র বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে মোটরসাইকেল। এই বাহন সংশ্লিষ্ট দুর্ঘটনাই সবচেয়ে বেশি ঘটেছে। এছাড়া মোট দুর্ঘটনার বড় অংশ, প্রায় ৪১ দশমিক ৬৮ শতাংশ, ঘটেছে আঞ্চলিক সড়কে। দিনের সময় বিবেচনায় সকালে দুর্ঘটনার হারও বেশি, যা মোট ঘটনার প্রায় ২৮ দশমিক ৫০ শতাংশ।

ভৌগোলিক দিক থেকেও পার্থক্য স্পষ্ট। ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি ১০৯টি দুর্ঘটনায় ১০২ জন নিহত হয়েছেন। বিপরীতে সিলেট বিভাগে সবচেয়ে কম ১২টি দুর্ঘটনায় প্রাণহানি হয়েছে ১২ জনের।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশন বলছে, দুর্ঘটনার পেছনে একাধিক কারণ কাজ করছে। এর মধ্যে রয়েছে বেপরোয়া গতি, অদক্ষ চালক, ট্রাফিক আইন অমান্য করা এবং সড়ক ও যানবাহনের ত্রুটি। বিশেষ করে তরুণদের বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানোকে বড় ঝুঁকি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সংস্থাটির মতে, “মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণে আলাদা নজরদারি ও কঠোর আইন প্রয়োগ জরুরি। একই সঙ্গে চালকদের প্রশিক্ষণ ও সচেতনতা বাড়াতে হবে।” তারা সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাঠামোগত সংস্কার, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং কার্যকর তদারকির ওপর জোর দিয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই পরিস্থিতি শুধু পরিবহন খাতেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং জননিরাপত্তার বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছে। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে প্রাণহানির এই ধারা অব্যাহত থাকতে পারে।


এই বিভাগের আরও খবর