• রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ভারতে ২বছর ৯মাস কারাভোগের পর ৩ বাংলাদেশী দেশে ফেরত আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্ব পারমাণবিক পরিবারে প্রবেশ করল বাংলাদেশ অপ্রতীম হত্যার নেপথ্যে কী, উদঘাটনে মাঠে নেমেছে ৫ বাহিনী নতুন পে-স্কেলে নিজের বেতন বৃদ্ধির হিসাব করবেন যেভাবে সরকারি কর্মকর্তা–কর্মচারীদের নতুন বেতনের প্রজ্ঞাপন কুড়িগ্রামে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সক্রিয় সদস্য রিয়ান গ্রেপ্তার নড়াইলে রেললাইন ও পল্লী বিদ্যুতের চোরাইকৃত তামার তার রামদা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২ বিটিভিতে উচ্চ শ্রেণিতে উন্নীত হলেন ভাওয়াইয়া ভাস্কর ভূপতি ভূষণ বর্মা দুই কিডনি ডায়ালাইসিসের খরচ জোগাতে দিশেহারা রিয়াজুলের পরিবার কুড়িগ্রামে ঝুঁকিপূর্ণ সেতু দিয়ে ১৫ হাজার মানুষের চলাচল
স্বাগতম:
দৈনিক তোলপাড় পত্রিকায় প্রবেশ করায় আপনাকে স্বাগতম। গুরত্বপূর্ণ তথ্যের জন্য ওয়েবসাইটটির সাথেই থাকুন, আপনার প্রতিষ্ঠানের বহুল প্রচারের জন্য নিয়মিত বিজ্ঞাপন দিন +৮৮-০১৭১৯০২৬৭০০

দুই কিডনি ডায়ালাইসিসের খরচ জোগাতে দিশেহারা রিয়াজুলের পরিবার

প্রধান প্রতিবেদক:
আপডেট: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Oplus_131072

Views: 0

আব্দুল মালেক :

জ্বর থেকে জন্ডিস। এরপর শারীরিক অবস্থার অবনতি। হাসপাতালে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর জানা গেল, দুই কিডনিই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। লিভারেও সমস্যা দেখা দিয়েছে। এখন সপ্তাহে দুই থেকে তিন দিন ডায়ালাইসিস করাতে হচ্ছে রিয়াজুল ইসলাম রয়েলকে (৩৫)। ছেলের চিকিৎসার ব্যয় বহন করতে গিয়ে পরিবারটির সঞ্চয় শেষ হয়েছে। বর্তমানে ধারদেনা করে চলছে চিকিৎসা।

রিয়াজুলের বাড়ি কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার গুনাইগাছ ইউনিয়নের কৃষ্ণমঙ্গল গ্রামে। গত ৬ সেপ্টেম্বর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের ২৯ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় দুই মাস আগে জ্বরে আক্রান্ত হন রিয়াজুল। পরে জন্ডিস দেখা দিলে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নেন। অবস্থার অবনতি হলে তাকে রংপুরে নেওয়া হয়। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসকেরা জানান, তার দুই কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। লিভারেও সমস্যা রয়েছে। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী বর্তমানে নিয়মিত ডায়ালাইসিস চলছে।

পরিবারের দাবি, প্রতিবার ডায়ালাইসিস ও সংশ্লিষ্ট খাতে প্রায় ৩ হাজার ৫০০ টাকা ব্যয় হচ্ছে। সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার ডায়ালাইসিসের পাশাপাশি ওষুধসহ অন্যান্য চিকিৎসা ব্যয়ও রয়েছে। ফলে প্রতিদিনই বাড়ছে পরিবারের আর্থিক চাপ।

রিয়াজুলের বাবা আবুল কাসেম ও মা রেনু বেগম। তার স্ত্রী ও এক ছেলে রয়েছে। ঢাকায় রিকশাচালক ও বাসের হেলপার হিসেবে কাজ করতেন তিনি। তাঁর উপার্জনেই চলত সংসার। অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর থেকে সেই আয়ও বন্ধ।

রিয়াজুলের বড় ভাই আনোয়ারুর রানা বলেন, আমাদের আর্থিক অবস্থা ভালো নয়। ভাই অসুস্থ হওয়ার পর চিকিৎসার পেছনে সামান্য যে সঞ্চয় ছিল, সেটাও শেষ হয়ে গেছে। এখন ধারদেনা করে চিকিৎসা চালাতে হচ্ছে। ভাইটা সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসুক-এটাই আমাদের চাওয়া। কিন্তু চিকিৎসার খরচ চালানো আমাদের জন্য খুব কঠিন হয়ে পড়েছে।

উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা লুৎফর রহমান বলেন, রিয়াজুল ইসলামের কিডনি রোগের চিকিৎসাসংক্রান্ত সব রিপোর্ট নিয়ে তার পরিবারকে জেলা সমাজসেবা কার্যালয় ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে আবেদন করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। সরকারি নীতিমালার আওতায় তাকে যতটুকু সহায়তা করা সম্ভব, সমাজসেবা অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে তার সবটুকু দেওয়ার চেষ্টা করা হবে।

রিয়াজুলের চিকিৎসা চালিয়ে নিতে পরিবারের পক্ষ থেকে সামর্থ্যবান ব্যক্তি, সামাজিক সংগঠন ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।
পরিবারের সদস্যরা জানান, আর্থিক সহায়তা পেলে নিয়মিত ডায়ালাইসিসসহ তাঁর চিকিৎসা চালিয়ে নেওয়া সহজ হবে। সহায়তা পাঠানোর ঠিকানা: অগ্রণী ব্যাংক, রংপুর শাখা।
সঞ্চয়ী হিসাব: ০২০০০২৪৭২৯৪৯৬
বিকাশ-০১৭২৮-৩৩১৫৮৫


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর