Views: 3

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে জুয়ার আসরে অভিযান চালিয়ে নগদ টাকা ও জুয়া খেলার সরঞ্জামসহ চার জুয়াড়িকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে নগদ ১ হাজার ১০০ টাকা ও তিনটি বাটন মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) ভূরুঙ্গামারী সদর ইউনিয়নের বাগভান্ডার এলাকায় বাগভান্ডার বিজিবি ক্যাম্পসংলগ্ন বাজারের পেছনে একটি সুপারি বাগানে এ অভিযান চালানো হয়।-খবর ভূরুঙ্গামারী (কুড়িগ্রাম)।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ওই সুপারি বাগানে দীর্ঘদিন ধরে ৪-৫টি জুয়ার আসর বসত। উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে জুয়াড়িরা সেখানে এসে নিয়মিত জুয়া খেলত। অভিযোগ রয়েছে, জুয়ার পাশাপাশি সেখানে মাদক সেবনেরও আসর বসত।
মাদক, চোরাকারবার ও জুয়ার বিরুদ্ধে চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেল। ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল জুয়ার আসরটি ঘিরে ফেলে। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কয়েকজন জুয়াড়ি পাশের পরিত্যক্ত নর্দমাযুক্ত গোবরের গাঁদায় লাফিয়ে পালিয়ে যায়। পরে চারজনকে আটক করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—বাগভান্ডার গ্রামের মৃত আব্দুল খালেকের ছেলে মো. ময়নাল হক (৬৫), একই গ্রামের বজলার রহমানের ছেলে মো. মাসুম হোসেন (৪৪), খামার পত্রনবীশ গ্রামের মৃত করিমের ছেলে মো. গাজীউর রহমান (৪৭) এবং বাগভান্ডার গ্রামের মো. সিরাজ উদ্দিনের ছেলে মো. নজরুল ইসলাম (৪১)।
অভিযানকালে জুয়া খেলার সরঞ্জাম, নগদ ১ হাজার ১০০ টাকা ও তিনটি বাটন মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন বলেন, “জুয়া ও মাদকের আসরগুলো অনেক সময় একসঙ্গে চলে। মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে পুলিশের নিয়মিত সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত থাকবে।”
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে জুয়া প্রতিরোধ আইন-২০২৬ অনুযায়ী মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। পাশাপাশি পালিয়ে যাওয়া জুয়াড়িদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।