• বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৫৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সার নিয়ে সুখবর, বাংলাদেশে চাহিদার চেয়েও মজুত ১৬ লাখ টন বেশি এসএসসির খাতা দেখায় অবহেলাকারীরা জবাবদিহির আওতায় আসছেন: বাংলাদেশের শিক্ষামন্ত্রী ইউপি নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা ইসির, প্রতিমন্ত্রী বললেন, ‘সরকার কিছু জানে না’ মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত ৫ আসামির ৫০ শতাংশ সম্পত্তি পাবে জুলাই শহীদের পরিবার আসিফের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ এআই দিয়ে বানানো? যা বলল দুদক গণতন্ত্রকে রক্ষা করাই এখন আমাদের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব : বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শহীদ সেনাসদস্যদের পরিবারের সাক্ষাৎ, আর্থিক সহায়তা সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে প্রেসক্লাব থেকে সাংবাদিক আশিক বহিষ্কার “কিডনি প্রতিস্থাপনের জন্য সহায়তা চাচ্ছেন” সজীব মিয়া নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাদ্দাম ও ইনানের মৃত্যুদণ্ড
স্বাগতম:
দৈনিক তোলপাড় পত্রিকায় প্রবেশ করায় আপনাকে স্বাগতম। গুরত্বপূর্ণ তথ্যের জন্য ওয়েবসাইটটির সাথেই থাকুন, আপনার প্রতিষ্ঠানের বহুল প্রচারের জন্য নিয়মিত বিজ্ঞাপন দিন +৮৮-০১৭১৯০২৬৭০০

কুড়িগ্রামের রাজারহাটে পানির ট্যাংকে চেতনানাশক মিশিয়ে চুরির চেষ্টা, অসুস্থ্ ৭

প্রধান প্রতিবেদক:
আপডেট: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

Views: 0

​পিএম সৈকত: 

কুড়িগ্রামের রাজারহাটে একটি বসতবাড়ির পানির ট্যাংকে চেতনানাশক ওষুধ মিশিয়ে চুরির চুরির চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নারী ও শিশুসহ একই পরিবারের ৫ সদস্য এবং তাদের প্রতিবেশী স্বামী-স্ত্রীসহ মোট ৭ জন গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। গত মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাতে উপজেলার ছিনাই ইউনিয়নের পূর্বদেবত্তর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

​অসুস্থ ব্যক্তিরা হলেন— পূর্বদেবত্তর গ্রামের বাসিন্দা অনিল চন্দ্র রায় (৫৫), তার স্ত্রী শান্তনা রানী রায় (৪৫), মেয়ে অর্পিতা রানী রায় (১৫), ছেলে চন্দন কুমার রায় (৩০), চন্দনের স্ত্রী পূজা রানী রায় (২২) এবং পাশের বাড়ির ভাতিজা মাধব চন্দ্র রায় (৪২) ও মাধবের স্ত্রী শিল্পী রানী রায় (৩২)।

​প্রতিবেশীরা জানান, মঙ্গলবার(৮সেপ্টেম্বর) রাতে দুর্বৃত্তরা চুরির উদ্দেশ্যে কৌশলে ওই বাড়ির পানির ট্যাংকে চেতনানাশক বা বিষাক্ত কোনো দ্রব্য মিশিয়ে দিয়ে কেটে পড়ে। রাতের খাবার ও দৈনন্দিন কাজে ওই পানি ব্যবহার করার কিছুক্ষণের মধ্যেই পরিবারের সদস্যরা এবং প্রতিবেশী ওই দম্পতি বিষক্রিয়ায় অসুস্থ ও অচেতন হয়ে পড়েন।

​পরবর্তীকালে রাত আনুমানিক ৪টার দিকে দুর্বৃত্তরা চুরির উদ্দেশ্যে বাড়িতে প্রবেশ করে। এ সময় পরিবারের সদস্য চন্দন কুমার রায় তন্দ্রাচ্ছন্ন অবস্থায় ঘরে চোরের উপস্থিতি টের পান। তিনি সাহসিকতার সাথে চোরকে ধাওয়া করলে চোর চক্রটি দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। তবে এসময় বিদ্যুৎ না থাকায় অন্ধকারের কারণে কোনো চোরকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

​ভোররাতে প্রতিবেশীরা বিষয়টি জানতে পেরে অচেতন অবস্থায় ৭ জনকে উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন।​ এ রিপোর্ট দুপুর পৌনে ১২টায়ও লেখা পর্যন্ত ওই ৭জন অচেতন অবস্থায় রয়েছেন। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে স্থানীয়রা জানান, পুরো এলাকা জুড়ে এ ঘটনায় চরম আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। এ বিষয়ে রাজারহাট থানার অফিসার ইনচার্জ মামুনুর রশিদ বলেন, বিষয়টি শুনেছি। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহন করবেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর