• শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মাথাপিছু জিডিপিতে ভারতকে ছাড়াল বাংলাদেশ সৌদিগামী ১০৭ ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে ১৬ হাজার যাত্রী শারদীয় দুর্গোৎসবে ধর্মীয় সম্প্রীতি ও নিরাপত্তার আহ্বান রাষ্ট্রপতির ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার দুর্গাপূজায় নিরাপদে উৎসব পালনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর স্পেন ফুটবল ফেডারেশনকে জরিমানা করল ফিফা এক আসনেই ৭০ মনোনয়ন ফরম বিক্রি করল বিএনপি কুড়িগ্রামে দৈনিক কালবেলার ৪র্থ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপন মোটর সাইকেলের ধাক্কায় মুক্তা রানী বিশ্বাসের মৃত্যু ‘সারের ডিলারশিপ না দেন, বিষের ডিলারশিপ দেন, ত্যাগী কর্মীরা মরে যাক’-কুড়িগ্রামে ছাত্রদল নেতার মন্তব্য ভাইরাল দুর্গামন্ডপ পরিদর্শন করলেন কুড়িগ্রামের রাজারহাট ইউএনও তানজিলা তাসনিম
স্বাগতম:
দৈনিক তোলপাড় পত্রিকায় প্রবেশ করায় আপনাকে স্বাগতম। গুরত্বপূর্ণ তথ্যের জন্য ওয়েবসাইটটির সাথেই থাকুন, আপনার প্রতিষ্ঠানের বহুল প্রচারের জন্য নিয়মিত বিজ্ঞাপন দিন +৮৮-০১৭১৯০২৬৭০০

ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার দুর্গাপূজায় নিরাপদে উৎসব পালনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

তোলপাড় প্রতিবেদক:
আপডেট: শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬

Views: 0

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে বাংলাদেশের হিন্দু সম্প্রদায়সহ সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, ‘ধর্ম যার যার—রাষ্ট্র সবার। ধর্ম যার যার—নিরাপত্তা পাবার অধিকার সবার।’ –খবর তেfলপাড়।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষ্যে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এ শুভেচ্ছা জানান।

বাণীতে তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশসহ সারাবিশ্বের হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। এ উপলক্ষ্যে তিনি দেশের হিন্দু সম্প্রদায় তথা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানান।

তিনি বলেন, হিন্দু ধর্মমতে, জগতের মঙ্গল কামনায় দেবী দুর্গা স্বর্গলোক থেকে মর্ত্যলোকে আসেন এবং ভক্তদের কল্যাণ সাধন করে শত্রুর বিনাশ ও সৃষ্টিকে লালন করেন। অশুভ শক্তির বিনাশ এবং সত্য ও সুন্দরের এই আরাধনা শারদীয় দুর্গোৎসবের তাৎপর্যকে অনন্য মাত্রা দিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী মানুষ প্রতিটি গোষ্ঠী-গোত্র-সম্প্রদায় ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে যার যার ধর্ম পালন করবে। ধর্মীয় উৎসব পালন করা বাংলাদেশের আবহমানকালের ধর্মীয়, সামাজিক মূল্যবোধ ও সংস্কৃতির সৌন্দর্য। ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক কিংবা সামাজিক কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে একজন বাংলাদেশি হিসেবে বিভিন্ন ধর্ম-গোত্র-সম্প্রদায়ের মানুষের পারস্পরিক বন্ধুত্ব, সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ব পরিস্ফুটিত হয়ে ওঠে।

তিনি আরও বলেন, সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার সব ধর্মেরই মূল উপজীব্য। মানবতার কল্যাণ সব ধর্মের অন্যতম মূল শিক্ষা। তাই যার যার ধর্মীয় বিধান ও সংস্কৃতি অনুশীলনের পাশাপাশি মানুষে মানুষে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সম্মান ও সহমর্মিতা বজায় রেখে সমাজে শান্তির পরিবেশ বহাল রাখা সবার জন্য জরুরি।

বাণীতে তারেক রহমান বলেন, হাজারো প্রাণের বিনিময়ে ফ্যাসিস্টের বিতাড়নের পর বাংলাদেশ পুনরায় গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু করেছে। শুরু হয়েছে বাংলাদেশ পুনর্গঠনের বিশাল কর্মযজ্ঞ। দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের জন্য একটি কল্যাণমূলক, নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠাই আমাদের অঙ্গীকার।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সৌহার্দ্য-সম্প্রীতির বার্তায় সমৃদ্ধ হয়ে উঠুক আমাদের বহুমাত্রিক সমাজ ও জীবনবোধ। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ধর্ম যার যার—রাষ্ট্র সবার। ধর্ম যার যার—নিরাপত্তা পাবার অধিকার সবার।’

বাণীর শেষাংশে হিন্দু সম্প্রদায়ের ভাই ও বোনদের উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে, নিশ্চিন্তে ও নিরাপদে সারা দেশে উৎসব-আনন্দ উদ্‌যাপনের আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।


এই বিভাগের আরও খবর