• সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১২:৩৩ পূর্বাহ্ন
স্বাগতম:
দৈনিক তোলপাড় পত্রিকায় প্রবেশ করায় আপনাকে স্বাগতম। গুরত্বপূর্ণ তথ্যের জন্য ওয়েবসাইটটির সাথেই থাকুন, আপনার প্রতিষ্ঠানের বহুল প্রচারের জন্য নিয়মিত বিজ্ঞাপন দিন +৮৮-০১৭১৯০২৬৭০০

ঘুমধুম সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণে নিহত ৩

প্রধান প্রতিবেদক:
Update : রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬
এফএনএস নিজউ, হোম, জেলার সংবাদ, বাংলাদেশ, বিশেষ সংবাদ, অর্থনীতি, বিনোদন, খেলা, বিশ্ব, লাইফস্টাইল, প্রযুক্তি, সংগঠন, ধর্ম, সাহিত্য, মুক্তমত, সম্পাদকীয়, আর্কাইভ,

 

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম সীমান্তে মিয়ানমারের পেতে রাখা স্থলমাইন বিস্ফোরণে ৩ বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। কলাবাগানে কাজ করতে গিয়ে একের পর এক বিস্ফোরণে প্রাণ হারান তারা। ঘটনাটি ঘিরে সীমান্ত এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

রোববার (২৪ মে) দুপুরে ঘুমধুম ইউনিয়নের তুমব্রু নোম্যান্সল্যান্ড সংলগ্ন জিরো পয়েন্ট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানিয়েছে, ৪১ ও ৪২ নম্বর সীমান্ত পিলারের কাছাকাছি এলাকায় কলাবাগানে কাজ করতে গিয়েছিলেন কয়েকজন শ্রমিক। এ সময় হঠাৎ স্থলমাইনের বিস্ফোরণ ঘটে।-সংবাদদাতা, বান্দরবান।

নিহতরা হলেন, অক্যমং তংচঙ্গ্যা (৪০), চিক্যং তংচঙ্গ্যা (৩৪) এবং শৈফুচিং তংচঙ্গ্যা (৩২)। তারা সবাই ঘুমধুম ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বালুক্যা পাড়ার বাসিন্দা।

পুলিশ ও স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রথম বিস্ফোরণে অক্যমং তংচঙ্গ্যা নিহত হন। পরে তাকে উদ্ধার করতে গেলে আরও দুটি মাইন বিস্ফোরিত হয়। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান চিক্যং তংচঙ্গ্যা ও শৈফুচিং তংচঙ্গ্যা।

ঘটনার খবর পেয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি থানা পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান চালায়। মরদেহ উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

ঘুমধুম ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য বাবুল চাকমা বলেন, “সকালে তারা কলাবাগানে কাজ করতে গিয়েছিল। ফেরার সময় মাইন বিস্ফোরণে একজন মারা যায়। পরে তাকে উদ্ধার করতে গিয়ে আরও দুজনের মৃত্যু হয়। পুরো এলাকায় শোক নেমে এসেছে।”

বিজিবির রামু সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মহিউদ্দিন আহমেদ ঘটনাটির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোজাম্মেল হক বলেন, “ঘুমধুম সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণে তিনজন নিহত হয়েছেন। ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

সীমান্ত এলাকার বাসিন্দারা বলছেন, মিয়ানমার সীমান্তের নোম্যান্সল্যান্ড এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই স্থলমাইনের ঝুঁকি রয়েছে। তারপরও জীবিকার তাগিদে অনেকেই সেখানে কাজ করতে যান। ফলে প্রায়ই দুর্ঘটনার আশঙ্কা থেকে যায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর