• মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৩৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কুড়িগ্রামে কন্যাশিশুর বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত নজরুল বর্ষে রাজারহাটে শিক্ষার্থীদের পুরস্কৃত, মিলল গাছের চারাও কুড়িগ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে অটোচালকের মৃত্যু দ্বিতীয় স্ত্রীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা মামলা: এমপি গাজী নজরুলের ৪ ও প্রথম স্ত্রীর ১ দিনের রিমান্ড জ্বালানির দাম বাড়তেই বাসভাড়া বাড়ানোর দাবি রংপুরে ভোক্তা অধিকারের অভিযানে দুই প্রতিষ্ঠানকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা কুড়িগ্রাম-৩ আসনে সংরক্ষিত সংসদ সদস্যের বিশেষ প্রতিনিধি তারিক আবুল আলা চৌধুরী ৩ বছরেও চালু হয়নি পাঙ্গাহাটে ২কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সবজীর মার্কেট অপ্রতিম হত্যার দায় স্বীকার করে ৩ আসামির জবানবন্দি দুপুরে স্ত্রীর সঙ্গে খাবার খেয়েছে গাজী নজরুল, সন্ধ্যায় মৃত্যু
স্বাগতম:
দৈনিক তোলপাড় পত্রিকায় প্রবেশ করায় আপনাকে স্বাগতম। গুরত্বপূর্ণ তথ্যের জন্য ওয়েবসাইটটির সাথেই থাকুন, আপনার প্রতিষ্ঠানের বহুল প্রচারের জন্য নিয়মিত বিজ্ঞাপন দিন +৮৮-০১৭১৯০২৬৭০০

জরাজীর্ণ ভবনে পাঠদান, আতঙ্কে শিক্ষার্থীরা

প্রধান প্রতিবেদক:
আপডেট: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
oplus_2

Views: 0

আব্দুল মালেক উলিপুর:

“আসমানীরে দেখতে যদি তোমরা সবে চাও,
রহিমদ্দির ছোট্ট বাড়ি রসুলপুরে যাও।

বাড়ি তো নয় পাখির বাসা ভেন্না পাতার ছানি,
একটুখানি বৃষ্টি হলেই গড়িয়ে পড়ে পানি।

পল্লীকবি জসীম উদ্দীনের আসমানী কবিতার মতোই দশা কুড়িগ্রামের উলিপুর পৌরসভার বাকরের হাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের। স্কুলে বর্তমানে একটি পুরাতন টিনশেড (সেমি পাকা) ঘর ও দুই কক্ষ বিশিষ্ট ভবন রয়েছে। টিনশেড ঘরের দেয়াল থেকে ঝরে পড়ছে বালু, উপর থেকে নষ্ট হওয়া বাসের ছাদের ময়লা ও টিনের মরিচা পড়ছে শিক্ষার্থীর শরীরে। বিল্ডিং এর ছাদ থেকেও ঝরে পড়ছে বালু, সিমেন্টের গুঁড়ো। সামান্য বৃষ্টি হলেই টিনশেড ঘরের একটি অফিস কক্ষ ও ৩টি শ্রেণি কক্ষ পানিতে একাকার হয়ে যায়। বৃষ্টির পানির হাত থেকে রক্ষা পেতে অফিস কক্ষের উপরে নতুন টিন লাগানো হয়েছে। শ্রেণিকক্ষের ভেতর গুলো স্যাঁতস্যাঁতে। দুর্ঘটনার আশঙ্কা সত্ত্বেও দেড় শতাধিক শিক্ষার্থীর পাঠদান চলছে জরাজীর্ণ এই ভবনে।
বিদ্যালয়টি ১৯১৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও অবকাঠামোর উন্নয়ন হয়নি।

বিদ্যালয়ের ভবন ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় সন্তানকে স্কুলে পাঠিয়ে আতঙ্কে থাকেন অভিভাবকেরা।

প্রধান শিক্ষক সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিভিন্ন সময়ে একাধিক দরখাস্ত দিলেও বিদ্যালয়ের নতুন ভবন কিংবা সংস্কার করা হচ্ছে না।

সরেজমিনে দেখা যায়, ভবনটির অবস্থা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। বিদ্যালয়ে বর্তমানে টিনশেড (সেমিপাকা)ঘরটি অনেক পুরনো। আর দুই কক্ষ বিশিষ্ট ভবনটির কাজ নিম্নমানের হাওয়ায় দেড় যুগের মধ্যে অনেকটাই ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

পঞ্চম শ্রেণীর শিক্ষার্থী আয়শা জানায়, ক্লাস চলাকালে মাঝেমধ্যে ছাদের সিমেন্টের আস্তরণ খসে পড়ে। এতে শরীরে অনেক সময় ধুলোবালি এসে পড়ে। তার পরও বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় এই ভবনেই ক্লাস করতে হচ্ছে।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অজিফা বেগম বলেন, টিনশেড ঘর ও ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ। তিনি নতুন ভবনের জোর দাবি জানান।

সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার ও বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি জাকির হোসেন বলেন, চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি-৪) শেষ হয়েছে, ৫ এর কাজ শুরু হলে নতুন ভবন হবে ইনশাআল্লাহ।

উপজেলা প্রকৌশলী প্রদীপ কুমারের সাথে কথা হলে তিনি বলেন নতুন বরাদ্দ পেলে কাজ করা হবে।

উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা নার্গিস ফাতেমা তোকদার বলেন, নতুন ভবন নির্মাণ ও সংস্কারের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর লিখিত আকারে পাঠানো হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এ টি এম আরিফ বলেন, শিক্ষা অফিসের ফাইল আমার কাছে আসে না। শিক্ষা অফিসারের সাথে কথা বলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর