• শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০৩:৪৩ পূর্বাহ্ন
স্বাগতম:
দৈনিক তোলপাড় পত্রিকায় প্রবেশ করায় আপনাকে স্বাগতম। গুরত্বপূর্ণ তথ্যের জন্য ওয়েবসাইটটির সাথেই থাকুন, আপনার প্রতিষ্ঠানের বহুল প্রচারের জন্য নিয়মিত বিজ্ঞাপন দিন +৮৮-০১৭১৯০২৬৭০০

জাতীয় পেনশন স্কিম নিয়ে নতুন নির্দেশনা

প্রধান প্রতিবেদক:
Update : শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ‘সর্বজনীন পেনশন স্কিম’ সম্প্রসারণে বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের প্রায় ৪ কোটি পরিবারের প্রতিটি থেকে কমপক্ষে একজনকে এ পেনশন স্কিমের আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণের নির্দেশনা দেন।

মঙ্গলবার বিকালে অর্থমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রণালয়ে তার সভাকক্ষে সর্বজনীন পেনশন স্কিমের অগ্রগতি, চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা বিষয়ে উচ্চ পর্যায়ে সভা হয়। এতে তিনি এ নির্দেশনা দেন।-খবর তোলপাড়।

একই সঙ্গে স্কিমকে আরও আকর্ষণীয় করতে মন্ত্রী ‘শরিয়াহভিত্তিক পেনশন স্কিম’ চালু, নমিনিদের জন্য আজীবন পেনশন সুবিধা বিবেচনা এবং প্রগতি স্কিমে আউটসোর্সিং কর্মীদের অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব ব্যক্ত করেন।

সভায় জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান স্কিমের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত উপস্থাপনা তুলে ধরেন।

জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান মো. সুরাতুজ্জামানসহ কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং অর্থ সচিব খায়েরুজ্জামান মজুমদার ও অর্থ বিভাগের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

সেখানে দেখানো হয়, যাত্রার শুরু থেকে গত ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত চারটি স্কিমে (প্রবাস, প্রগতি, সুরক্ষা ও সমতা) মোট ৩ লাখ ৭৭ হাজার ৫৪৫ জন নাগরিক নিবন্ধিত হয়েছেন। পেনশন তহবিলে মোট জমার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৫৫ কোটি ৭০ লাখ টাকা। মুনাফাসহ এ পর্যন্ত মোট বিনিয়োগের পরিমাণ ২৭৯ কোটি ৭৪ লাখ টাকা।

কর্তৃপক্ষের পুরনো তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৭ অগাস্ট পর্যন্ত এক বছরে ‘জাতীয় পেনশন স্কিমে’ যুক্ত হয়েছিলেন ৩ লাখ ৭২ হাজার ৪০১ জন। মোট জমার পরিমাণ ছিল ১৩১ কোটি টাকা। ২০২৪ সালের অগাস্টে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর এই স্কিমের ভবিষ্যত নিয়ে সাধারণের মনে অনিশ্চয়তা তৈরি হলে অংশগ্রহণে ভাটা পড়ে।

শেষ বয়সে সব শ্রেণির মানুষের আর্থিক নিরাপত্তার জন্য আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ঘটা করে শুরু করা ‘সর্বজনীন পেনশন স্কিমে’ ৩২ মাসে যুক্ত হয়েছেন ৩ লাখ ৭৭ হাজার গ্রাহক, যাদের মাধ্যমে জমা হয়েছে ২৫৫ কোটি টাকা।

২০২৩ সালের ১৭ অগাস্ট ১৮ থেকে ৫০ বছর বয়সী সব বাংলাদেশি নাগরিকের (বিশেষ বিবেচনায় ৫০ ঊর্ধ্ব) জন্য ‘সার্বজনীন পেনশন স্কিমের’ যাত্রা শুরু হয়।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের তথ্য বলছে, প্রথম এক বছরে এ স্কিমে যেখানে যুক্ত হয়েছিল প্রায় পৌনে চার লাখ মানুষ, সেখানে পরের ২০ মাসে এ সংখ্যা বেড়েছে কেবল পাঁচ হাজারের মত।

২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর ‘সর্বজনীন পেনশন স্কিম’ নিয়ে জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ এক ধরনের ‘অনিশ্চিয়তার’ মধ্যে ছিল। তবে অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে সবুজ সংকেত পাওয়ার পর এখন নিয়মিত কার্যক্রম চালিয়ে গেলেও ‘পেনশন স্কিমে’ জনগণের সাড়া তলানিতে নেমেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর