• মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ১২:৪৫ অপরাহ্ন
স্বাগতম:
দৈনিক তোলপাড় পত্রিকায় প্রবেশ করায় আপনাকে স্বাগতম। গুরত্বপূর্ণ তথ্যের জন্য ওয়েবসাইটটির সাথেই থাকুন, আপনার প্রতিষ্ঠানের বহুল প্রচারের জন্য নিয়মিত বিজ্ঞাপন দিন +৮৮-০১৭১৯০২৬৭০০

“ফাউন্ডেশনের হুইলচেয়ার খান পাওয়া খুব উপকার হইলো”

প্রধান প্রতিবেদক:
Update : সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬

কুড়িগ্রামে ৪৬ জন প্রতিবন্ধী পেল হুইল চেয়ার

উলিপুর(কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি:
“হুইলচেয়ার খান পাওয়া খুব উপকার হইলো আমার ছাওয়াটা এখন ভালো ভাবে চলাফেরা করবের পাবে হামার দেখি কাউয়ো দেখে না। রোডেম ফাউন্ডেশনের পক্ষ থাকি হুইলচেয়ার খেন দিলো। হামরা দোয়া করি তারা আরো ভালো থাকুক।” -এ কথা গুলো বলছিলেন হুইল চেয়ার নিতে আসা কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার তবকপুর ইউনিয়ন থেকে আসা প্রতিবন্ধী মাহিন হাসান মিনহার মা মাজেদা বেগম(৬০) তিনি আরো বলেন, হামরা গরীব মানুষ প্রতিবন্ধী ছেলেকে নিয়ে অনেক কষ্টে দিন পার করছি এহনা হুইল চেয়ার কিনমো তার টাকা নাই। হুইল চেয়ার খান পাওয়া খুব উপকার হইছে।

আজ সোমবার(২০ জুলাই) দুপুরে অডিটোরিয়াম হল রুমে “রোডেম ফাউন্ডেশন” এর উদ্যোগে উপজেলার ১৩টি ইউনিয়ন ও ১ টি পৌর সভার মোট ৪৬ জন প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মাঝে হুইল চেয়ারে বিতরণ করা হয়।

এসময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা( ইউএনও) এ. টি. এম. আরিফ, উলিপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক ( তদন্ত) কমল কিশোর ঘোষ, রোডেম ফাউন্ডেশনের ন্যাশনাল ডিরেক্টর, ডোসেয়গ হং, ফাউন্ডেশনের বিজনেস ম্যানেজার ডেভিড হালদার, উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা মো.লুৎফর রহমান,প্রকল্প ম্যানেজার বাবলু রিবেরু,চিলমারী প্রতিনিধি আতাউর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

ধামশ্রনী ইউনিয়নের কলপনা বেগম বলেন,বয়স্ক মানুষ ঠিক মতো চলাফেরা করতে পারি নে । কাইয়ো এহনা হুইল চেয়ারও দেয় না হুইল চেয়ার খেন পাওয়া খুব উপকার হইছে।
রোডেম ফাউন্ডেশনের চিলমারীর দায়িত্বে থাকা আতাউর রহমান বলেন, যারা হুইল চেয়ার কিনতে পারে না তাদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে খোঁজ খবর নিয়ে তালিকা করা হয়েছে।

রোডেম ফাউন্ডেশনের ন্যাশনাল ডিরেক্টর ডসেয়ক হং বলেন,প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সমাজের বোঝা নন বরং সমান অধিকার ও সম্ভাবনাময় নাগরিক হিসেবে দেখি। তাদের শিক্ষা,স্বাস্থ্য,কর্মসংস্থান এবং সামাজিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা শুধু মানবিক দায়িত্ব নয়, এটি একটি ন্যায়ভিত্তিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনের অপরিহার্য শর্ত। প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সক্ষমতা বিকাশে পরিবার, সমাজ, সরকার এবং বেসরকারি সংস্থাসহ সকলের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।আমার এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর