Views: 0

বাংলাদেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হিসেবে বিএনপির মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে মনোনয়ন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি। দলটির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার নাম চূড়ান্ত করেছেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
‘ডেইলি ওয়াদা’কে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিএনপির একজন জ্যেষ্ঠ নেতা। তিনি জানান, দীর্ঘদিনের মহাসচিব মির্জা ফখরুলকেই রাষ্ট্রপতি পদের জন্য মনোনীত করেছে দল। তারেক রহমানের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে প্রায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।-খবর তোলপাড়।
এ বিষয়ে বিএনপির আরও কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতার সঙ্গে কথা বলেছে ‘ডেইলি ওয়াদা’। তাঁদের অধিকাংশই জানান, রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী মনোনয়নের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীর ওপর নির্ভর করছে। তবে তারেক রহমানের পছন্দ সম্পর্কে তাঁদের আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ একজন নেতা জানিয়েছেন, মির্জা ফখরুলকেই রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
এদিকে রবিবার (৯ আগস্ট) সকালে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশন থেকে দুটি মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছে বিএনপি। দলের ভাইস চেয়ারম্যান ও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি এবং জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে গিয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছ থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন।
এর আগে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটি রাষ্ট্রপতি পদে দলের প্রার্থী চূড়ান্ত করার দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপর ন্যস্ত করে। সংসদে বিএনপির সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় এবং সংসদীয় সমর্থনে কোনো পরিবর্তন না হলে দলটির মনোনীত প্রার্থীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।
নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ২০ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। প্রয়োজন হলে ওই দিন দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সংসদে ভোটগ্রহণ হবে। তবে মির্জা ফখরুল একমাত্র বৈধ প্রার্থী হলে ভোটের প্রয়োজন হবে না। সে ক্ষেত্রে তাকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত ঘোষণা করা হতে পারে।
এর আগে অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে গত ২৪ জুলাই রাষ্ট্রপতির পদ থেকে মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেন। এরপর পদটি শূন্য হলে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেন।
সংবিধান ও রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন, ১৯৯১ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।