• বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে পুরুষ বিভাগে চ্যাম্পিয়ন কুড়িগ্রাম থানা, নারী বিভাগে নাগেশ্বরী থানা সরকারি হাসপাতালের ১ কিলোমিটারের মধ্যে নতুন ক্লিনিক নয়, প্র্যাকটিসও বন্ধ শিশু নিখোঁজের দীর্ঘ তালিকা, স্বজনদের অসহায় কান্নায় উদ্বিগ্ন বাংলাদেশ চিলমারীতে ফের “ব্রহ্মপুত্র নদের ডানতীর রক্ষা প্রকল্পের ধস, আতঙ্ক এলাকাবাসী সারের দাবিতে উলিপুরে ফের কৃষকদের সড়ক অবরোধ পাঁচ দিনের সরকারি সফরে ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর, কুড়িগ্রাম ও লালমনিরহাটে আসছে ত্রাণ মন্ত্রী কুড়িগ্রামে নারীর মর্যাদা ও জরুরী সুরক্ষায় ডিগনিটি কিট বিতরণ কুড়িগ্রামে সার বিতর্কে কৃষি বিভাগের উপ-পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুনকে স্ট্যান্ড রিলিজ প্রতি কিলোমিটারে বাস ভাড়া বাড়ল ১৭ পয়সা কুড়িগ্রামে কন্যাশিশুর বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত
স্বাগতম:
দৈনিক তোলপাড় পত্রিকায় প্রবেশ করায় আপনাকে স্বাগতম। গুরত্বপূর্ণ তথ্যের জন্য ওয়েবসাইটটির সাথেই থাকুন, আপনার প্রতিষ্ঠানের বহুল প্রচারের জন্য নিয়মিত বিজ্ঞাপন দিন +৮৮-০১৭১৯০২৬৭০০

ভাই-বোনের মৃত্যু হলো পানিতে পড়ে

প্রধান প্রতিবেদক:
আপডেট: বৃহস্পতিবার, ২৮ মে, ২০২৬

Views: 0

 

রংপুরের গঙ্গাচড়ায় পানিতে ডুবে ভাই-বোনের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার দুপুরে উপজেলার কোলকোন্দ ইউনিয়নের মাজারেরপাড় এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- রুশা মনি (১৫) ও ছোট ভাই সাইফ (৫)। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন গঙ্গাচড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক আনিচা বেগম।-খবর সংবাদদাতা গঙ্গচড়া।

তিনি পরিবার ও স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানান, রংপুর নগরীর শিরিনপার্ক এলাকার বাসিন্দা রাসেল ও আদুরী দম্পতির মেয়ে রুশা মনি ও ছেলে কাইফ। মঙ্গলবার মায়ের সঙ্গে গঙ্গাচড়ার কোলকোন্দ ইউনিয়নের মাজারেরপাড় এলাকায় নানা বাড়িতে বেড়াতে আসে তারা। বুধবার দুপুরে বাড়ির পাশে খেলতে যায় রুশা মনি ও কাইফ। এক পর্যায়ে বৃষ্টির পানিতে ডুবে থাকা একটি গর্তে পড়ে যায় ছোট্ট কাইফ। ছোট ভাইকে ডুবে যেতে দেখে তাকে বাঁচাতে পানিতে ঝাঁপ দেয় বড় বোন রুশা মনি। কিন্তু সাঁতার না জানায় দুজনেই পানিতে তলিয়ে যায়। পরে স্থানীয় এক শিশুর চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে তাদের উদ্ধার করে। রুশা ও কাইফকে গঙ্গাচড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

গঙ্গাচড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক আনিচা বেগম বলেন, হাসপাতালে আনার পর শিশু দুটিকে আমরা ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করি। তাদের শরীরে জীবনের কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, হাসপাতালে আনার আগেই তাদের মৃত্যু হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর