• মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৪৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দ্বিতীয় স্ত্রীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা মামলা: এমপি গাজী নজরুলের ৪ ও প্রথম স্ত্রীর ১ দিনের রিমান্ড জ্বালানির দাম বাড়তেই বাসভাড়া বাড়ানোর দাবি রংপুরে ভোক্তা অধিকারের অভিযানে দুই প্রতিষ্ঠানকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা কুড়িগ্রাম-৩ আসনে সংরক্ষিত সংসদ সদস্যের বিশেষ প্রতিনিধি তারিক আবুল আলা চৌধুরী ৩ বছরেও চালু হয়নি পাঙ্গাহাটে ২কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সবজীর মার্কেট অপ্রতিম হত্যার দায় স্বীকার করে ৩ আসামির জবানবন্দি দুপুরে স্ত্রীর সঙ্গে খাবার খেয়েছে গাজী নজরুল, সন্ধ্যায় মৃত্যু রাফিনিয়ার টানা দ্বিতীয় হ্যাটট্রিকে জয় পেলো বার্সেলোনা পুরুষদেরও পিরিয়ড চান শ্রুতি হাসান যুক্তরাষ্ট্রকে ৭ শর্ত দিলো ইরান, না মানলে ‘চূড়ান্ত যুদ্ধের’ হুঁশিয়ারি
স্বাগতম:
দৈনিক তোলপাড় পত্রিকায় প্রবেশ করায় আপনাকে স্বাগতম। গুরত্বপূর্ণ তথ্যের জন্য ওয়েবসাইটটির সাথেই থাকুন, আপনার প্রতিষ্ঠানের বহুল প্রচারের জন্য নিয়মিত বিজ্ঞাপন দিন +৮৮-০১৭১৯০২৬৭০০

বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তপশিল ঘোষণা, ভোটগ্রহণ ২০ আগস্ট

প্রধান প্রতিবেদক:
আপডেট: শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬

Views: 0

বাংলাদেশের ২৪তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তপশিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ঘোষিত তপশিল অনুযায়ী, আগামী ২০ আগস্ট ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। বৃহস্পতিবার (৬ আগষ্ট) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ।

তপশিল অনুযায়ী, ১৩ আগস্ট মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন এবং ১৮ আগস্ট প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।-খবর তোলপাড়।

এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সদস্যদের নামসংবলিত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটার তালিকা নির্বাচন কমিশনের কাছে পাঠায় সংসদ সচিবালয়। ইসি সচিব জানান, কমিশন আনুষ্ঠানিকভাবে ভোটার তালিকা গ্রহণ করেছে এবং সেই তালিকার ভিত্তিতেই নির্বাচন আয়োজন করা হবে।

গত ২১ জুলাই রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেন মো. সাহাবুদ্দিন। সংবিধান অনুযায়ী, জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করছেন।

বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে সংসদ সদস্যদের ভোটে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সম্পন্ন করতে হয়।

কীভাবে নির্বাচিত হবে নতুন রাষ্ট্রপতি?
বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী, জাতীয় সংসদের ৩৫০ জন সদস্যের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। তবে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের কারণে কোনো সংসদ সদস্য দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে ভোট দিলে তাঁর সংসদ সদস্যপদ ঝুঁকিতে পড়তে পারে। ফলে কার্যত ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থীই রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

বাংলাদেশে সংসদীয় সরকারব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তনের পর ১৯৯১ সালের ৮ অক্টোবর একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ওই নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী আবদুর রহমান বিশ্বাস ১৭২ ভোট পেয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। এরপর অনুষ্ঠিত সাতটি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সরকারি দলের প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

গণভোটে অনুমোদিত জুলাই জাতীয় সনদে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন পদ্ধতিতে পরিবর্তনের প্রস্তাব রাখা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, ভবিষ্যতে সংসদের উভয় কক্ষের সদস্যদের গোপন ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন, যাতে দলীয় চাপ ছাড়াই সংসদ সদস্যরা ভোট দিতে পারেন। এই প্রস্তাব ৩০টি সংস্কার প্রস্তাবের অন্যতম, যেখানে কোনো রাজনৈতিক দলের নোট অব ডিসেন্ট ছিল না।

তবে এখনো সংবিধান সংশোধন না হওয়ায় এই প্রস্তাব কার্যকর হয়নি। একই কারণে সংসদের উচ্চকক্ষও গঠিত হয়নি। অন্যদিকে বিএনপির রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফা প্রস্তাবে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধনের কথা উল্লেখ রয়েছে, যাতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দলীয় অবস্থানের বাইরে ভোট দেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়।

জুলাই জাতীয় সনদে প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির ক্ষমতার ভারসাম্য আনতে রাষ্ট্রপতিকে ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে নিয়োগের একক ক্ষমতা দেওয়ার প্রস্তাবও রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে মানবাধিকার কমিশন, তথ্য কমিশন, প্রেস কাউন্সিল, আইন কমিশন, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর এবং বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্য নিয়োগ।

তবে এ প্রস্তাবের একটি অংশে বিএনপি নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছে। দলটি বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর এবং এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনে রাষ্ট্রপতির একক নিয়োগক্ষমতার বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছে। ফলে বাস্তবায়ন আদেশে এ বিষয়টি নোট অব ডিসেন্ট অনুযায়ী সংশোধনের জন্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর