চীনের বেইজিংয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে লাল গালিচা সংবর্ধনা ও গার্ড অব অনার দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় সময় বুধবার (২৪) বিকেল ৫টা ৩৫ মিনিটে বেইজিংয়ের চাউমিং রেলওয়ে স্টেশনে এসে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী।
এসময় প্রধানমন্ত্রী ও তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানকে লাল গালিচা সংবর্ধনা ও গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনসহ চীনের উচ্চপর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।-খবর তোলপাড়।
পরে রেলস্টেশন থেকে থেকে প্রধানমন্ত্রীকে বিশেষ মোটর শোভাযাত্রা সহকারে চীনের দিয়াওইউতাই গেস্ট হাউসে (রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন) নিয়ে যাওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী ও তার সহধর্মিণীসহ সফর সঙ্গীরা এই গেস্ট হাউসেই থাকবেন।
এর আগে স্থানীয় সময় বেলা ১টা ৫৮ মিনিটে দালিয়ান উত্তর রেলওয়ে স্টেশন থেকে হাই স্পিড ট্রেনযোগে (বুলেট ট্রেন) বেইজিংয়ের উদ্দেশে যাত্রা করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক সফরে তাঁর সঙ্গে ছিলেন একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী ও উপদেষ্টা। এদের মধ্যে রয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, বৈদেশিক কর্মসংস্থান বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন, প্রতিরক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এবং ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম রনি প্রমুখ।
বেইজিংয়ে পৌঁছানোর আগে প্রধানমন্ত্রী সকালে চীনের দালিয়ানে ‘দালিয়ান আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র’-এ আয়োজিত ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম (ডব্লিউইএফ) এর ‘গ্রীষ্মকালীন দাভোস’ বার্ষিক সভায় অংশগ্রহণ করেন। স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় তিনি এ অধিবেশনে যোগ দেন।
সেখানে তিনি জলবায়ু সহনশীলতা গড়ে তুলতে আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব, প্রযুক্তিগত সহযোগিতা, অর্থায়ন এবং যৌথ অঙ্গীকারের গুরুত্ব তুলে ধরেন। এ সময় ডব্লিউইএফ-এর প্রেসিডেন্ট ও সিইও আলোইস জভিংগির সঙ্গে তাঁর একটি সৌজন্য সাক্ষাৎও অনুষ্ঠিত হয়। আলোইস জভিংগি তাঁকে সুইজারল্যান্ডের দাভোসে অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের বার্ষিক সম্মেলনে অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ জানান।
এর আগে গত সোমবার মালয়েশিয়ায় দুই দিনের সফর শেষে সফরসঙ্গীদের নিয়ে চীনের দালিয়ানে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর ১৭ ফেব্রুয়ারি সরকার প্রধানের দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি ছিল মালয়েশিয়া ও চীনে তাঁর প্রথম সফর।