• শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
হাতে ৫০ দিন, শেখ হাসিনা সত্যি ফিরছেন? তারপর কী হবে বাংলাদেশে? সাহিত্যে নোবেল পেলেন কানাডার অ্যান কারসন গণপরিবহনে শৃঙ্খলা ফেরাতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ ৪ দিনের সরকারি সফরে রংপুর ও লালমনিরহাটে আসছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী খবর সংযোগ পত্রিকার পক্ষ থেকে আর্থিক সহযোগিতা পেল ক্যান্সার আক্রান্ত নাছিমা সিএনজি চলাচলের অনুমতির দাবিতে চালকদের সড়ক অবরোধ চিলমারীতে “আইএফআইসি ব্যাংকের ৫০বছর” পূর্তি উদযাপিত এক দশক ধরে অধরা ব্রিজ, সীমাহীন দুর্ভোগে এলাকাবাসী কুড়িগ্রামের রাজারহাটে দুর্গাপূজা ঘিরে প্রশাসনের কঠোর প্রস্তুতি, সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান ইউএনও’র উলিপুরে অম্বিকা চরণ রায় শিক্ষাবৃত্তি-২০২৬ প্রদান
স্বাগতম:
দৈনিক তোলপাড় পত্রিকায় প্রবেশ করায় আপনাকে স্বাগতম। গুরত্বপূর্ণ তথ্যের জন্য ওয়েবসাইটটির সাথেই থাকুন, আপনার প্রতিষ্ঠানের বহুল প্রচারের জন্য নিয়মিত বিজ্ঞাপন দিন +৮৮-০১৭১৯০২৬৭০০

তিস্তায় তীব্র নদী ভাঙ্গনে ৩০বাড়ি বিলীন, দিশেহারা নদীর তীরবর্তী মানুষ

প্রধান প্রতিবেদক:
আপডেট: শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২৬

Views: 15

পিএম সৈকত: 

কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের রামহরি ও চতুরা গ্রামে তিস্তা নদীতে তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫জুন) থেকে নদীর পানি কমতে শুরু করায় তীব্র স্রোতে তিস্তা নদীর পূর্বপাড় প্রতিরক্ষায় ব্যবহৃত জিও ব্যাগ ভেঙ্গে ঘরবাড়ি বিলীন হচ্ছে। ইতোমধ্যে নদী তীরবর্তী ইদ্রিস আলী,শহিদুল হক ও আতাউল ইসলামের বসতবাড়ীসহ ৩০টি বাড়ি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। হুমকীতে রয়েছে অর্ধশতাধিক বাড়িঘর, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, ফসলি জমিন ও গাছপালা।

শুক্রবার (২৬জুন) সকালে ভাঙন কবলিত এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, নদী তীর রক্ষার জন্য প্রটেকশনকৃত জিও ব্যাগ প্রচন্ড স্রোতের তোড়ে নদীতে ভেঙে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। স্থানীয়রা বিভিন্নভাবে ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হচ্ছে। ভাঙনের কবল থেকে রক্ষা পেতে এলাকাবাসীর সহযোগীতায় ৩টি বাড়ি অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং আরও ২০টি বাড়ি সেখানে ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে। স্থানীয়রা আমদের জানিয়েছেন, রামহরি মৌজায় গত এক সপ্তাহে ২৫টি বাড়ি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।

জানা গেছে, তিস্তার ভাঙন রোধে প্রায় শতকোটি টাকা ব্যয়ে ৪০ টি প্যাকেজের মাধ্যমে পূর্ব তীর সংরক্ষণ কাজ চলমান রয়েছে। ঠিকাদারদের অবহেলা এবং শুকনো মৌসুমে কাজ না করে ভরা বর্ষা মৌসুমে তাড়াহুড়ো করে জিও ব্যাগের কাজ বাস্তবায়ন করায় সেগুলো আর আটকানো যাচ্ছে না।

স্থানীয়দের অভিযোগ, কিছু কিছু ক্ষেত্রে সুষ্ঠুভাবে ডাম্পিং কাজ সম্পাদন না করায় সেই জায়গাগুলোতে ভাঙন দেখা যায়।

রামহরি গ্রামের অধিবাসী মাওলানা জাহেরুল ইসলাম বলেন, বর্ষা এসে যাচ্ছে অথচ পাউবো এখনো কাজ শেষ করতে পারেনি। অবহেলা ও ধীরগতি কাজের খেসারত দিচ্ছে হচ্ছে এলাকাবাসীকে। এছাড়াও প্যাকেজ বন্টনে অফিসের লোকজন গাফিলতি করায় সময় মতো ডাম্পিং কাজ শেষ করতে পারেনি। আমরা লক্ষ্য করছি একজন লেবার সর্দার দিয়েই পুরো প্যাকেজের কাজ শেষ করতে গিয়ে এই জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে।

ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করতে এসে বিদ্যানন্দ ইউনিয়ন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সদস্য সচিব মজিদুল ইসলাম বলেন, আমরা সুষ্ঠুভাবে ও দ্রুতগতিতে কাজ সম্পাদনে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলেছি।

এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান জানান, তিস্তার পূর্বতীর সংরক্ষণ কাজে কিছু কিছু এলাকায় ভাঙন দেখা দিয়েছে। আমরা তাৎক্ষনিকভাবে ভাঙন প্রতিরোধে যথাসাধ্য ব্যবস্থা গ্রহন করছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর