• বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আবাসিক এলাকায় মিঠু বিড়ির কারখানা, গন্ধে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী ডিজিটাল ব্যাংকের প্রাথমিক অনুমোদন পেল বিকাশ, রবিসহ ৫প্রতিষ্ঠান কুড়িগ্রামে পৃথক দুই কলেজে একাদশ শ্রেণির নবীনবরণ অনুষ্ঠিত বন্যার আগে প্রস্তুতি দুর্যোগে উদ্ধার বিষয়ক কুড়িগ্রামে উপজেলা পর্যায়ে অভিজ্ঞতা বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে পুরুষ বিভাগে চ্যাম্পিয়ন কুড়িগ্রাম থানা, নারী বিভাগে নাগেশ্বরী থানা সরকারি হাসপাতালের ১ কিলোমিটারের মধ্যে নতুন ক্লিনিক নয়, প্র্যাকটিসও বন্ধ শিশু নিখোঁজের দীর্ঘ তালিকা, স্বজনদের অসহায় কান্নায় উদ্বিগ্ন বাংলাদেশ চিলমারীতে ফের “ব্রহ্মপুত্র নদের ডানতীর রক্ষা প্রকল্পের ধস, আতঙ্ক এলাকাবাসী সারের দাবিতে উলিপুরে ফের কৃষকদের সড়ক অবরোধ পাঁচ দিনের সরকারি সফরে ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর, কুড়িগ্রাম ও লালমনিরহাটে আসছে ত্রাণ মন্ত্রী
স্বাগতম:
দৈনিক তোলপাড় পত্রিকায় প্রবেশ করায় আপনাকে স্বাগতম। গুরত্বপূর্ণ তথ্যের জন্য ওয়েবসাইটটির সাথেই থাকুন, আপনার প্রতিষ্ঠানের বহুল প্রচারের জন্য নিয়মিত বিজ্ঞাপন দিন +৮৮-০১৭১৯০২৬৭০০

আবাসিক এলাকায় মিঠু বিড়ির কারখানা, গন্ধে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী

প্রধান প্রতিবেদক:
আপডেট: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

Views: 0

টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার আকুয়া এলাকায় আবাসিক বসতবাড়ির মধ্যে ‘মিঠু বিড়ি’ কারখানা পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, কারখানাটি শাহিন মিয়ার মালিকানাধীন। আবাসিক এলাকার মধ্যে বিড়ি উৎপাদনের কারণে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, কারখানা থেকে ধোঁয়া বা দৃশ্যমান বর্জ্য বের হওয়ার বিষয়টি প্রধান সমস্যা নয়; বরং বিড়ি তৈরির কাঁচামাল ও প্রক্রিয়াজাতকরণের তীব্র গন্ধ আশপাশের বাড়িঘরে ছড়িয়ে পড়ছে। দীর্ঘ সময় ধরে এ গন্ধে অনেকেই অস্বস্তিতে থাকছেন। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক ও শ্বাসকষ্টে ভোগা ব্যক্তিরা বেশি সমস্যায় পড়ছেন বলে জানান স্থানীয়রা।-খবর সংবাদদাতা, টাঙ্গাইল।

এলাকাবাসীর কয়েকজনের অভিযোগ, তীব্র গন্ধের কারণে তাদের মাথাব্যথা, বমি বমি ভাব ও শ্বাসকষ্টের মতো শারীরিক সমস্যা হচ্ছে। তবে এসব সমস্যার সঙ্গে কারখানার সরাসরি চিকিৎসাবৈজ্ঞানিক সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের স্বাস্থ্য ও পরিবেশগত তদন্ত প্রয়োজন বলে মনে করছেন তারা। অনুসন্ধানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠেছে-আবাসিক এলাকায় কারখানাটি পরিচালনার জন্য কী ধরনের অনুমোদন রয়েছে এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র আছে কি না। একই সঙ্গে কারখানাটির অবস্থান, উৎপাদন কার্যক্রম এবং স্থানীয় পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পরিদর্শন হয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে।

স্থানীয়রা বলছেন, তারা কারখানা বন্ধের দাবি করছেন কি না, সেটি কর্তৃপক্ষের তদন্ত ও আইনগত অবস্থানের ওপর নির্ভর করবে। তবে আবাসিক এলাকায় মানুষের স্বাভাবিক বসবাসের পরিবেশ যাতে বিঘ্নিত না হয়, সে বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা প্রয়োজন। এলাকাবাসীর দাবি, সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, পরিবেশ অধিদপ্তর ও স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা সরেজমিনে আকুয়া এলাকার কারখানাটি পরিদর্শন করে এর অনুমোদন ও পরিবেশগত ছাড়পত্র যাচাই করুন। পাশাপাশি বিড়ি উৎপাদনের গন্ধে স্থানীয়দের যে ভোগান্তির অভিযোগ উঠেছে, তার বাস্তবতা পরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক। তবে কারখানার মালিক শাহিন মিয়া বলেন,শুধু আমার কারখানা নয় এরকম আরো অনেক কারখানা আবাসিক এলাকায় ঘরে উঠেছে। আমি পরিবেশ অনুযায়ী কারখানা চালাচ্ছি। টাঙ্গাইল পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক তাপস চন্দ্র পাল বলেন,এটি কোন ভাবেই ছাড়পত্র পাওয়ার যোগ্য নয়। আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি ও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আবাসিক এলাকায় তো কোন ভাবেই করতে পারবেনা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর