• মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ০৮:২৯ অপরাহ্ন
স্বাগতম:
দৈনিক তোলপাড় পত্রিকায় প্রবেশ করায় আপনাকে স্বাগতম। গুরত্বপূর্ণ তথ্যের জন্য ওয়েবসাইটটির সাথেই থাকুন, আপনার প্রতিষ্ঠানের বহুল প্রচারের জন্য নিয়মিত বিজ্ঞাপন দিন +৮৮-০১৭১৯০২৬৭০০

ইউক্রেনে বড় হামলা চালাবে রাশিয়া, বিদেশিদের রাজধানী ছাড়ার আহ্বান

প্রধান প্রতিবেদক:
Update : মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬

 

ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে সামরিক ও প্রশাসনিক স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে ‘পদ্ধতিগত হামলা’ চালানোর ঘোষণা দিয়েছে রাশিয়া। একই সঙ্গে বিদেশি নাগরিক ও কূটনীতিকদের দ্রুত কিয়েভ ছাড়ার আহ্বান জানিয়েছে দেশটি।-খবর তোলপাড়।

সোমবার (২৫ মে) রয়টার্সে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সের্গেই ল্যাভরভ যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওকে জানিয়েছেন যে, রাশিয়ার ভূখণ্ডে বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্য করে ইউক্রেনের কথিত ‘সন্ত্রাসী হামলার’ জবাব হিসেবেই মস্কো নতুন সামরিক পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে।

রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনীর প্রয়োজনীয় অবকাঠামো এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কেন্দ্রগুলোকে লক্ষ্য করে নিয়মিত হামলা চালাবে রুশ বাহিনী। মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, এসব হামলার উদ্দেশ্য হবে ইউক্রেনের সামরিক সক্ষমতা দুর্বল করা এবং তাদের পরিচালন কাঠামোতে চাপ সৃষ্টি করা।

এর আগে প্রকাশিত আরেক বিবৃতিতে রাশিয়া বিদেশি নাগরিকদের, বিশেষ করে কূটনীতিকদের দ্রুত কিয়েভ ত্যাগের আহ্বান জানায়। সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে রুশ কর্তৃপক্ষ এ সতর্কতা জারি করে।

অন্যদিকে আন্দ্রি সিবিহা পশ্চিমা মিত্রদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, রাশিয়ার চাপ বা ‘ব্ল্যাকমেইল’-এর কাছে নতি স্বীকার করা উচিত হবে না। তিনি আন্তর্জাতিক অংশীদারদের ইউক্রেনের পাশে থাকার আহ্বান জানান এবং রাশিয়ার হুমকিকে কূটনৈতিক চাপ সৃষ্টির কৌশল হিসেবে আখ্যা দেন।

এদিকে কিয়েভে ইউরোপীয় ইউনিয়ন মিশনের প্রধান কাতারিনা ম্যাথেরনোভাও রাশিয়ার এই হুমকিকে আতঙ্ক সৃষ্টির প্রচেষ্টা বলে মন্তব্য করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় তিনি বলেন, “রাশিয়া ভয় ও বিচ্ছিন্নতা তৈরি করতে চায়, কিন্তু তারা সফল হবে না। ইউরোপীয় ইউনিয়ন কিয়েভ ছেড়ে যাচ্ছে না; আমরা ইউক্রেনের পাশেই আছি।”

এর মধ্যে রাশিয়া দাবি করেছে, গত শুক্রবার রুশ নিয়ন্ত্রিত লুহানস্ক অঞ্চলে একটি ছাত্রাবাসে ইউক্রেন ইচ্ছাকৃতভাবে ড্রোন হামলা চালিয়েছে। মস্কোর অভিযোগ, ওই হামলায় বেসামরিক অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

তবে ইউক্রেনের সেনাবাহিনী রাশিয়ার এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তাদের দাবি, ছাত্রাবাস নয়, বরং ওই এলাকায় অবস্থান করা একটি বিশেষ ড্রোন কমান্ড ইউনিটকে লক্ষ্য করেই হামলা চালানো হয়েছিল।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর