• মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৪০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় ৫০ লাখ টাকা দেবে জামায়াত চিলমারীত পল্লী বিদ্যুতের ডিজিএমের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন উলিপুরে মাদরাসার জ‌মি‌ দখল ক‌রে বসতবা‌ড়ি নির্মাণ, দখলমুক্ত করার দাবি দেশ ও স্বাস্থ্যখাতে অস্থিরতা সৃষ্টির প্রতিবাদে কুড়িগ্রামে ড্যাবের মানববন্ধন নায়কের স্ত্রী পছন্দ করতেন না, সিনেমা থেকে বাদ পড়েন তাপসী যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে দেশে ফিরেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কৃষকরা দেশের প্রকৃত ও শ্রেষ্ঠ মানুষ জানিয়েছে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ভারতে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে ৫৬ জন নিহত কুড়িগ্রামে গণশুনানী অনুষ্ঠিত চিলমারীতে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত
স্বাগতম:
দৈনিক তোলপাড় পত্রিকায় প্রবেশ করায় আপনাকে স্বাগতম। গুরত্বপূর্ণ তথ্যের জন্য ওয়েবসাইটটির সাথেই থাকুন, আপনার প্রতিষ্ঠানের বহুল প্রচারের জন্য নিয়মিত বিজ্ঞাপন দিন +৮৮-০১৭১৯০২৬৭০০

উলিপুরে মাদরাসার জ‌মি‌ দখল ক‌রে বসতবা‌ড়ি নির্মাণ, দখলমুক্ত করার দাবি

প্রধান প্রতিবেদক:
আপডেট: সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
Oplus_131072

Views: 2

আব্দুল মালেক:

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার থেতরাই ইউনিয়নের গোড়াই পিয়ার পিয়ারিয়া দাখিল মাদরাসার ১৫ শতাংশ জমিতে চারটি বাড়ি নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে।

মাদরাসা কর্তৃপক্ষ বলছে, ওই জমি দখলে থাকায় শিক্ষার্থীদের খেলাধুলার জায়গা কমে গেছে। জমির সীমানা নির্ধারণ করে তা দখলমুক্ত করার জন্য উপজেলা প্রশাসনের কাছে আবেদন করেছে মাদরাসা কর্তৃপক্ষ।

গত ২ জুন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর এ আবেদন করেন মাদরাসার সুপারিনটেনডেন্ট মো. আব্দুস সবুর। আবেদনে স্থানীয় বা‌সিন্দা মো. নুরুন্নবী সরকার ও তার স্বজনদের বিরুদ্ধে মাদরাসার জমিতে ঘর নির্মাণের অভিযোগ করা হয়।

জানা গে‌ছে, ১৯৭১ সাল থেকে প্রতিষ্ঠানটি পরিচালিত হয়ে আসছে। তিনটি দলিলের মাধ্যমে মাদরাসার নামে ৮০ শতক জমি রয়েছে। এসব জমির সাবেক দাগ নম্বর ৩৭৭১, সাবেক খতিয়ান ১৩৬০ এবং হাল দাগ নম্বর ৩৯৪৬, হাল খতিয়ান ৮৮৬। জমিগুলো মাদরাসার নামে রেকর্ডভুক্ত এবং নিয়মিত নামজারি ও খাজনা পরিশোধ করা হয় বলে দাবি তাদের।
মাদরাসার কয়েকজন শিক্ষক বলেন, তিস্তা নদীর ভাঙনে বসতভিটা হারিয়ে আজিজার রহমান, আশরাফুল ইসলাম ও কয়ছার আলী ওই এলাকায় বসতি গড়েন। তাদের বসতি মাদরাসার মাঠের অংশে পড়েছে। আগে ওই জায়গায় ছাত্রীরা খেলাধুলা করত।

তবে সেখানে বসবাসকারী পরিবারগুলোর ভাষ্য, তিস্তা নদীর ভাঙনে তাদের বাপ-দাদার বসতভিটা বিলীন হয়েছে। বসবাসের জন্য অন্য জায়গা না থাকায় তারা সেখানে ঘর নির্মাণ করে থাকছেন।

মো. নুরুন্নবী সরকার বলেন, সেখানে বসবাসকারীরা তার আত্মীয়-স্বজন। নদী ভাঙনে বসতভিটা হারানো কয়েকটি পরিবার তার পাঁচ শতাংশ জমিসহ মাদরাসার জমিতে বাড়ি করেছে। তাদের বিকল্প জায়গার ব্যবস্থা করা হলে তারা সেখান থেকে চলে যাবেন।

তিনি আরও বলেন, তার বাপ-দাদাসহ পরিবারের অনেকেই মাদরাসায় জমি দান করেছেন। মাদরাসার সুপার তাকে ‘ভূমিদস্যু বলায় তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে সুপারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন দপ্তরে অনিয়মের অভিযোগ করেছেন।

এ ব্যাপারে মাদরাসার সুপারিনটেনডেন্ট মো. আব্দুস সবুর বলেন, মাদরাসার নামে জমির রেকর্ড ও নামজারি রয়েছে এবং নিয়মিত খাজনা দেওয়া হচ্ছে। জমিতে বাড়ি নির্মাণ করায় শিক্ষার্থীদের খেলাধুলাসহ মাদরাসার বিভিন্ন কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। এ কারণে জমির সীমানা নির্ধারণ ও দখলমুক্ত করার জন্য উপজেলা প্রশাসনের কাছে আবেদন করা হয়েছে।
এ বিষয়ে উলিপুর উপ‌জেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এ. টি. এম. আরিফ বলেন, বিষয়টি তদন্তের জন্য সহকারী কমিশনার (ভূমি)কে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্তে মাদরাসার জমি দখল করে বাড়ি নির্মাণের সত্যতা পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর