• মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:২১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নিখোঁজ শিশুর অনিশ্চিৎ ভবিষ্যৎ: আইনি ও সামাজিক সুরক্ষা জরুরী – নিকোলাস বিশ্বাস আগামী ১৭ দিন শপিংমল-মার্কেট খোলা থাকবে রাত ১০টা পর্যন্ত চিকিৎসায় নোবেল পেল ৩ বিজ্ঞানী ফের নামঞ্জুর খলনায়ক ডনের জামিন আগামী ৩১ অক্টোবর খুলনা-কুষ্টিয়া অভিমুখে ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চ শিক্ষকরা রাষ্ট্রের কাছে অবশ্যই আমৃত্যু সম্মানীয়: বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী রাজারহাটে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত রাজারহাটে শারদীয় দুর্গাপূজার প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত ক্লাব কাপ ওপেন তায়কোয়ানডো চ্যাম্পিয়নশীপ ২০২৬ এ ১৫টি পদক জয় করে রাজশাহী তায়কোয়ানডো দোজাং চুক্তি হলে মোঘলহাটের পরিত্যক্ত স্থলবন্দর পুনরায় চালুর উদ্যোগ —দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী
স্বাগতম:
দৈনিক তোলপাড় পত্রিকায় প্রবেশ করায় আপনাকে স্বাগতম। গুরত্বপূর্ণ তথ্যের জন্য ওয়েবসাইটটির সাথেই থাকুন, আপনার প্রতিষ্ঠানের বহুল প্রচারের জন্য নিয়মিত বিজ্ঞাপন দিন +৮৮-০১৭১৯০২৬৭০০

চিকিৎসায় নোবেল পেল ৩ বিজ্ঞানী

প্রধান প্রতিবেদক:
আপডেট: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬

Views: 0

চিকিৎসাবিজ্ঞানে এ বছর নোবেল পুরস্কার বিজয়ীর নাম ঘোষণা করেছে নোবেল কমিটি। ২০২৬ সালের নোবেল পুরস্কার অর্জন করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের কার্ল ডেইসেরথ এবং জার্মানির দুই বিজ্ঞানী পিটার হেগেমান ও জর্জ নাগেল। আলো-নিয়ন্ত্রিত আয়ন চ্যানেল ও অপটোজেনেটিকস নিয়ে আবিষ্কারের জন্য তাদের পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।-খবর তোলপাড়।

আজ সোমবার বিকেলে সুইডেনের স্টকহোমে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়। নোবেল কমিটির সংবাদ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, হেগম্যান ও নাগেল ‘চ্যানেলরোডপসিন’ নামে একটি প্রোটিন আবিষ্কার করেছিলেন। তাঁরা দেখতে পান, এই প্রোটিনটি যেকোনো কোষে প্রবেশ করানো হলে সেটি আলোর প্রতি সংবেদনশীল হয়ে ওঠে।

অন্যদিকে, ইঁদুরের স্নায়ুকোষে চ্যানেলরোডপসিনের জিন প্রবেশ করান ডাইসেরথ। এরপর ওই কোষগুলোতে নীল আলো ফেলে তিনি স্নায়বিক সংকেত (নার্ভ সিগন্যাল) চালু বা ট্রিগার করতে সক্ষম হন। পরে তিনি দেখান, জীবিত ইঁদুরের মস্তিষ্কেও স্নায়ুকোষের জন্য আলো-নিয়ন্ত্রিত এই সুইচটি কার্যকর।

আলো দিয়ে স্নায়বিক সংকেত নিয়ন্ত্রণের এই পদ্ধতিটি এখন ‘অপটোজেনেটিক্স’ নামে পরিচিত। এখন পর্যন্ত ২৩২ জন ব্যক্তিকে চিকিৎসায় নোবেল দেওয়া হয়েছে। সবচেয়ে কম ৩১ বছর বয়সে পুরস্কারটি পেয়েছেন কানাডার ব্রেডরিক ব্যান্টিং। ৮৭ বছর বয়সে পেয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের পেটন রোস।

‘পেরিফেরাল ইমিউন টলারেন্স’ সম্পর্কিত আবিষ্কারের জন্য গত বছর পুরস্কার পেয়েছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রের বিজ্ঞানী মেরি ই ব্রাঙ্কো, ফ্রেড রামসডেল ও জাপানের শিমন সাকাগুচি।

তখন নোবেল কর্তৃপক্ষ বলেছিল, মানবদেহে শক্তিশালী রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা অবশ্যই নিয়ন্ত্রিত থাকতে হয়। তা না হলে এটি অন্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গকে আক্রমণ করতে পারে। তিন বিজ্ঞানীর আবিষ্কার ক্যানসার ও অটোইমিউন রোগের নতুন চিকিৎসা উদ্ভাবনের পথ খুলে দিয়েছে।

মেরি ই ব্রাঙ্কো যুক্তরাষ্ট্রের সিয়াটলের ইনস্টিটিউট ফর সিস্টেমস বায়োলজির সিনিয়র প্রোগ্রাম ম্যানেজার। ফ্রেড রামসডেল সান ফ্রান্সিসকোর সোনোমা বায়োথেরাপিউটিকস এর বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টা এবং শিমন সাকাগুচি জাপানের ওসাকা ইউনিভার্সিটির ইমিউনোলজি ফ্রন্টিয়ার রিসার্চ সেন্টারের অধ্যাপক।

মঙ্গলবার পদার্থবিজ্ঞান ও বুধবার রসায়নে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হবে। বৃহস্পতিবার সাহিত্যে ও শান্তিতে পুরস্কার বিজয়ীর নাম ঘোষণা হবে আগামী শুক্রবার। অর্থনীতিতে পুরস্কার ঘোষণা করা হবে ১৩ অক্টোবর।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর