• রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০১:৫৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মাঝ আকাশে সংঘর্ষে ২ স্কাইডাইভার নিহত নওগাঁ সদর মডেল থানায় নতুন ওসি হিসেবে মিন্টু রহমানের যোগদান কুড়িগ্রামে জেলা বিএনপির জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত মাদক সেবনে বাধা দেয়ায় স্বামী-স্ত্রীকে ছুরিঘাত, নিহত স্বামী, গ্রেফতার মাদকাসক্ত যুবক জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস: হেঁটেই নেতাকর্মীদের সঙ্গে র‍্যালিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী পাওনার অর্ধেকও পায়নি ব্রাজিল-উরুগুয়ে, বিপাকে ভারত তাওহীদের ডাবল সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশের লিড সৌদি আরবের পর্যটন ভিসায় নতুন সুবিধা পরাজিত শক্তির ষড়যন্ত্র ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবিলা করার আহ্বান বাংদেশের প্রধানমন্ত্রীর
স্বাগতম:
দৈনিক তোলপাড় পত্রিকায় প্রবেশ করায় আপনাকে স্বাগতম। গুরত্বপূর্ণ তথ্যের জন্য ওয়েবসাইটটির সাথেই থাকুন, আপনার প্রতিষ্ঠানের বহুল প্রচারের জন্য নিয়মিত বিজ্ঞাপন দিন +৮৮-০১৭১৯০২৬৭০০

চোখের নিমিষেই তিস্তায় বিলীন মন্ডলপাড়া জামে মসজিদ

তোলপাড় প্রতিবেদক:
আপডেট: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬

Views: 6

কুড়িগ্রামে ভাঙনের করাল গ্রাসে আতঙ্কিত চরবাসী

পিএম সৈকত: 

কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার তিস্তা তীরবর্তী চরাঞ্চলে আবারও তার প্রলয়ংকারী রূপ দেখিয়েছে ‘রাক্ষুসে তিস্তা’। অব্যাহত ও ভয়াবহ নদীভাঙনের মুখে এবার মুহূর্তের মধ্যেই নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে চর বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের ঐতিহাসিক মন্ডলপাড়া জামে মসজিদ। তিস্তাপাড়ের মানুষের কাছে এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, আর কত ক্ষতি হলে মিলবে স্থায়ী সমাধান?

মঙ্গলবার(২১জুলাই) বিকালে স্থানীয়দের চোখের সামনেই ঘটে যাওয়া এ দৃশ্য যেন এক দুঃস্বপ্ন। দীর্ঘদিন ধরে তিস্তার তীরঘেঁষে ঝুঁকিতে থাকা মসজিদটি শেষ পর্যন্ত নদীর তীব্র স্রোত ও ভাঙনের কাছে হার মানে। অল্প সময়ের ব্যবধানে পুরো মসজিদ ভবনটি ভেঙে পড়ে নদীতে তলিয়ে যায়।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গত কয়েকদিন ধরেই বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের বিভিন্ন পয়েন্টে নদীভাঙন আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছিল। বিশেষ করে মন্ডলপাড়া এলাকায় ভাঙনের গতি ছিল অত্যন্ত তীব্র। ভিটেমাটি ও মসজিদ রক্ষায় কোনো ধরনের প্রস্তুতি নেওয়ার সুযোগই পাননি তারা।

মসজিদটি নদীতে বিলীন হওয়ার পর এলাকাজুড়ে নেমে এসেছে শোক ও আতঙ্কের ছায়া। ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের কণ্ঠে ফুটে উঠেছে অসহায়ত্বের করুণ সুর। এক বাসিন্দা আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, “আমাদের একটাই চাওয়া ছিল ঘরবাড়ি না থাকলেও অন্তত আল্লাহর ঘরটা যেন টিকে থাকে। কিন্তু তিস্তা সেটাও কেড়ে নিল। এখন আমরা কোথায় নামাজ পড়ব?”
এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রতি বছরই তিস্তা নদীর ভাঙনে ছোট হয়ে আসছে বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের মানচিত্র। ভিটেমাটি, আবাদি জমি, মসজিদ-মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠান হারিয়ে নিঃস্ব হচ্ছেন শত শত পরিবার। অথচ দীর্ঘদিন ধরেও স্থায়ী কোনো ভাঙন প্রতিরোধ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি বলে দাবি তাদের।

ভাঙনকবলিতরা ভূক্তভোগীরা দ্রুত টেকসই বাঁধ নির্মাণসহ জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। তাদের আশঙ্কা, কার্যকর উদ্যোগ না নিলে অচিরেই চর বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের আরও বিস্তীর্ণ এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে।

 

ভিডিওটি ধেখতে ক্লিক করুন-https://www.facebook.com/reel/1166490983223535


এই বিভাগের আরও খবর