• মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৩৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যার পর মসজিদের মাইকে ঘোষণা ‘ডাকাত’ পড়ার ব্রিকস নেতাদের নৈশভোজে মোদির মেনুতে যেসব খাবার কিশোর কুমারের গান গেয়ে মোদির নৈশভোজ মাতালো মালয়েশীয় প্রধানমন্ত্রী চীনে চ্যালেঞ্জার গ্রুপে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশের মেয়েরা সড়কে ধাক্কা লাগার পর শিক্ষার্থীকে ফ্ল্যাটে নিয়ে গেল তরুণী, ‌‘কট দেখিয়ে’ ১ লাখ টাকা দাবি পশ্চিমবঙ্গে ২৫২ মাদ্রাসা বন্ধের নির্দেশ, নোটিশ পেলো আরও ১০০ পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশে দেরি কেন সাগর-রুনি হত্যার বিচার চেয়ে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ ১ লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে: ডা. জুবাইদা রহমান পলাশপুর গ্রাম নিশ্চিহৃ হওয়ার আশঙ্কা কুড়িগ্রামে তিস্তার ভাঙনে বিলীন হচ্ছে আবাদি জমি
স্বাগতম:
দৈনিক তোলপাড় পত্রিকায় প্রবেশ করায় আপনাকে স্বাগতম। গুরত্বপূর্ণ তথ্যের জন্য ওয়েবসাইটটির সাথেই থাকুন, আপনার প্রতিষ্ঠানের বহুল প্রচারের জন্য নিয়মিত বিজ্ঞাপন দিন +৮৮-০১৭১৯০২৬৭০০

চোখের নিমিষেই তিস্তায় বিলীন মন্ডলপাড়া জামে মসজিদ

প্রধান প্রতিবেদক:
আপডেট: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬

Views: 2

কুড়িগ্রামে ভাঙনের করাল গ্রাসে আতঙ্কিত চরবাসী

পিএম সৈকত: 

কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার তিস্তা তীরবর্তী চরাঞ্চলে আবারও তার প্রলয়ংকারী রূপ দেখিয়েছে ‘রাক্ষুসে তিস্তা’। অব্যাহত ও ভয়াবহ নদীভাঙনের মুখে এবার মুহূর্তের মধ্যেই নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে চর বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের ঐতিহাসিক মন্ডলপাড়া জামে মসজিদ। তিস্তাপাড়ের মানুষের কাছে এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, আর কত ক্ষতি হলে মিলবে স্থায়ী সমাধান?

মঙ্গলবার(২১জুলাই) বিকালে স্থানীয়দের চোখের সামনেই ঘটে যাওয়া এ দৃশ্য যেন এক দুঃস্বপ্ন। দীর্ঘদিন ধরে তিস্তার তীরঘেঁষে ঝুঁকিতে থাকা মসজিদটি শেষ পর্যন্ত নদীর তীব্র স্রোত ও ভাঙনের কাছে হার মানে। অল্প সময়ের ব্যবধানে পুরো মসজিদ ভবনটি ভেঙে পড়ে নদীতে তলিয়ে যায়।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গত কয়েকদিন ধরেই বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের বিভিন্ন পয়েন্টে নদীভাঙন আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছিল। বিশেষ করে মন্ডলপাড়া এলাকায় ভাঙনের গতি ছিল অত্যন্ত তীব্র। ভিটেমাটি ও মসজিদ রক্ষায় কোনো ধরনের প্রস্তুতি নেওয়ার সুযোগই পাননি তারা।

মসজিদটি নদীতে বিলীন হওয়ার পর এলাকাজুড়ে নেমে এসেছে শোক ও আতঙ্কের ছায়া। ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের কণ্ঠে ফুটে উঠেছে অসহায়ত্বের করুণ সুর। এক বাসিন্দা আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, “আমাদের একটাই চাওয়া ছিল ঘরবাড়ি না থাকলেও অন্তত আল্লাহর ঘরটা যেন টিকে থাকে। কিন্তু তিস্তা সেটাও কেড়ে নিল। এখন আমরা কোথায় নামাজ পড়ব?”
এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রতি বছরই তিস্তা নদীর ভাঙনে ছোট হয়ে আসছে বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের মানচিত্র। ভিটেমাটি, আবাদি জমি, মসজিদ-মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠান হারিয়ে নিঃস্ব হচ্ছেন শত শত পরিবার। অথচ দীর্ঘদিন ধরেও স্থায়ী কোনো ভাঙন প্রতিরোধ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি বলে দাবি তাদের।

ভাঙনকবলিতরা ভূক্তভোগীরা দ্রুত টেকসই বাঁধ নির্মাণসহ জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। তাদের আশঙ্কা, কার্যকর উদ্যোগ না নিলে অচিরেই চর বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের আরও বিস্তীর্ণ এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে।

 

ভিডিওটি ধেখতে ক্লিক করুন-https://www.facebook.com/reel/1166490983223535


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর