• বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ১২:০৫ পূর্বাহ্ন
স্বাগতম:
দৈনিক তোলপাড় পত্রিকায় প্রবেশ করায় আপনাকে স্বাগতম। গুরত্বপূর্ণ তথ্যের জন্য ওয়েবসাইটটির সাথেই থাকুন, আপনার প্রতিষ্ঠানের বহুল প্রচারের জন্য নিয়মিত বিজ্ঞাপন দিন +৮৮-০১৭১৯০২৬৭০০

“নদী বন্দর কর্তৃপক্ষের অনিয়ম ও দূর্নীতির বিরুদ্ধে” এমপি’র সতর্ক বার্তা

প্রধান প্রতিবেদক:
Update : মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬

হাবিবুর রহমান, চিলমারী (কুড়িগ্রাম) :

চিলমারী ও রৌমারী নদী পথে যাতায়াতে জন্য নৌকায় অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, বন্দর এলাকায় বাস, সিএনজিসহ সড়ক পথের যানবাহন চালকদের কাছ থেকে টোল আদায়েরসহ নানান অনিয়মের বিরুদ্ধে শতাধিক অভিযোগ উঠায়, বন্দর অফিসারকে সরাসরি সতর্ক বার্তা দিয়েছেন। কুড়িগ্রাম- ৪আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক।

গত সোমবার থেকে সামাজিক স্যোসাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও ফুটেজে কুড়িগ্রাম- ৪আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ও জামায়াতে ইসলামের চিলমারী, রৌমারী এবং চর রাজীবপুর উপজেলার নেতৃবৃন্দকে সাথে নিয়ে বন্দর “অফিসার পুতুল চন্দ্রের” সাথে কথা বলতে দেখা যায়। সেখানে তিনি সাধারন যাত্রীদের নিকট থেকে অতিরিক্ত নৌকা ভাড়া আদায়, জেলেদের কাছে টাকা আদায় ও সাধারণ মানুষকে হয়রানি করার বিষয়ে, ক্ষোভ প্রকাশ করেন। নৌকার ভাড়া, মালামাল পরিবহনসহ নিদৃষ্ট টোল আদায়ের কোন সাইনবোর্ড না থাকায় বন্দর অফিসারকে সতর্ক করে তিনি বলেন, আপনি এখানে বসে কি ঘাস কাটেন, এ সব দেখেন না কেন। এ সময় বন্দর অফিসারকে অতি চালাকি করে তাৎক্ষনিক ভাবে মোবাইল ফোনে উর্ধ্বতন অফিসারের সংগে কথা বলতে দেখা যায়। পুতুল চন্দ্র নৌকা ভাড়া সংক্রান্ত সাইনবোর্ড রৌমারী ও রাজীবপুর ঘাটে লাগানো আছে বলে জানালে এমপি ও তার সাথে থাকা নেতারা বিষয়টি চ্যালেঞ্জ করেন।

উল্লেখ্য যে, উক্ত বন্দর অফিসারের বিরুদ্ধে প্রতিটি নৌকা থেকে টোল আদায়, জেলেদের কাছে টাকা নেয়া এমনকি রাস্তায় থাকা গাড়ি থেকেও অর্থ আদায়েরও জোড়ালো অভিযোগ উঠেছে। শুধু তাই নয় ইতিপূর্বেও ২০২৪-২০২৫ সালে ঘাটের নতুন ইজারদারকে তিনি পূর্বের মেয়াদ শেষ না হলেও ফকিরের হাট ঘাটের ছুটা ইজারাদারের নিকট ১মাসের আয় হাতিয়ে নিয়ে ছিলেন। চিলমারী উপজেলার নদী ভাঙন এলাকা পরিদর্শনকালে যাত্রীদের নিকট অতিরিক্ত নৌকা ভাড়া আদায়, সাধারণ মানুষকে হয়রানি ও বন্দর কর্তৃপক্ষের স্বেচ্ছাচারিতার বিষয়টি তুলে ধরেন।

উক্ত বন্দর কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অবকাঠামোগত কাজের অনিয়ম, ধীরগতি ও নিজেদের খেয়াল খুশি মতো নিয়ম বানিয়ে বন্দরের স্বার্থকে ধূলিসাৎ করার ষড়যন্ত্রের অভিযোগ রয়েছেন। তাছাড়া প্রতিটি নৌকার রেজিষ্ট্রেশন, অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলকারী ড্রেজার ও বাল্ক হেড গুলোর কোন বৈধ কাগজ না থাকলেও বন্দর এলাকায় সেগুলোকে বহাল তবিয়তে চলাচল করতে দেখা যায়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, চিলমারী উপজেলা জামায়াতের আমির সাবেক সহকারী অধ্যাপক নুর আলম মুকুল, সহকারী অধ্যাপক বাদলসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় এমপি মোস্তাফিজুর রহমান নদী বন্দর সংশ্লিষ্টদের এ ধরনের অনিয়ম বন্ধ করে, সাধারণ মানুষের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান এবং ন্যায্য ভাড়ায় সেবা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন বলে জানা যায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর