• শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৪৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
এক শিক্ষার্থীর জন্য ১৯ শিক্ষক-কর্মচারী! আবাসিক এলাকায় মিঠু বিড়ির কারখানা, গন্ধে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী ডিজিটাল ব্যাংকের প্রাথমিক অনুমোদন পেল বিকাশ, রবিসহ ৫প্রতিষ্ঠান কুড়িগ্রামে পৃথক দুই কলেজে একাদশ শ্রেণির নবীনবরণ অনুষ্ঠিত বন্যার আগে প্রস্তুতি দুর্যোগে উদ্ধার বিষয়ক কুড়িগ্রামে উপজেলা পর্যায়ে অভিজ্ঞতা বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে পুরুষ বিভাগে চ্যাম্পিয়ন কুড়িগ্রাম থানা, নারী বিভাগে নাগেশ্বরী থানা সরকারি হাসপাতালের ১ কিলোমিটারের মধ্যে নতুন ক্লিনিক নয়, প্র্যাকটিসও বন্ধ শিশু নিখোঁজের দীর্ঘ তালিকা, স্বজনদের অসহায় কান্নায় উদ্বিগ্ন বাংলাদেশ চিলমারীতে ফের “ব্রহ্মপুত্র নদের ডানতীর রক্ষা প্রকল্পের ধস, আতঙ্ক এলাকাবাসী সারের দাবিতে উলিপুরে ফের কৃষকদের সড়ক অবরোধ
স্বাগতম:
দৈনিক তোলপাড় পত্রিকায় প্রবেশ করায় আপনাকে স্বাগতম। গুরত্বপূর্ণ তথ্যের জন্য ওয়েবসাইটটির সাথেই থাকুন, আপনার প্রতিষ্ঠানের বহুল প্রচারের জন্য নিয়মিত বিজ্ঞাপন দিন +৮৮-০১৭১৯০২৬৭০০

লাল কেঁচো দিয়ে জৈবসার উৎপাদনে সফল কৃষক সাজু মন্ডল

প্রধান প্রতিবেদক:
আপডেট: রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬

Views: 3

 

পিএম সৈকত:

কুড়িগ্রামের রাজারহাটে দুধখাওয়া মৌজার মন্ডলপাড়া গ্রামের কৃষক সাজু মন্ডল লাল কেঁচো ব্যবহার করে পরিবেশবান্ধব জৈবসার উৎপাদনে সফলতা অর্জন করেছেন। দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টা, পরিশ্রম ও আগ্রহের মাধ্যমে তিনি বর্তমানে নিজ উদ্যোগে ভার্মি কম্পোস্ট বা কেঁচো সার উৎপাদন করে তা নিজের কৃষি জমিতে ব্যবহার করছেন। রাসায়নিক সারের বিকল্প হিসেবে জৈবসারের ব্যবহার বাড়াতে প্রায় চার বছর আগে পরীক্ষামূলকভাবে লাল কেঁচো দিয়ে সার উৎপাদন শুরু করেন কৃষক সাজু মন্ডল। ধীরে ধীরে অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে তিনি মানসম্মত জৈবসার উৎপাদনে সফল হয়েছেন।

রোববার(৭জুন) এ বিষয়ে সাজু মন্ডল জানান, লাল কেঁচোর মাধ্যমে উৎপাদিত জৈবসার মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করে এবং ফসলের উৎপাদন ভালো রাখতে সহায়তা করে। বর্তমানে তিনি উৎপাদিত সার নিজের কৃষি জমিতে ব্যবহার করছেন এবং এর সুফলও পেয়েছেন। চলতি বছরে তিনি প্রায় ১২ মণ জৈবসার উৎপাদনের আশা করছেন। তবে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ, কারিগরি সহায়তা ও সরকারি সহযোগিতা পেলে তিনি বাণিজ্যিকভাবে জৈবসার উৎপাদনের উদ্যোগ নিতে চান। এ বিষয়ে সাজু মন্ডল বলেন, কৃষি বিভাগের সহযোগিতা পেলে আমি বৃহৎ পরিসরে জৈবসার উৎপাদন করে এলাকার কৃষকদের কাছে সরবরাহ করতে পারব। এতে একদিকে যেমন পরিবেশবান্ধব কৃষি ব্যবস্থা গড়ে উঠবে। অন্যদিকে কর্মসংস্থানের সুযোগও সৃষ্টি হবে। এলাকার কৃষকরা সাজু মন্ডলের এই উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা ও প্রয়োজনীয় সহায়তা পেলে এ ধরনের উদ্যোগ কৃষি খাতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুন্নাহার সাথী বলেন, “রাসায়নিক সারের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে টেকসই কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে ভার্মি কম্পোস্টের ব্যবহার বাড়ানো প্রয়োজন। এই সার ফসলি জমির উর্বরতা বৃদ্ধি করে এবং মাটির স্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সাজু মন্ডলের মতো উদ্যোক্তারা অন্যদের জন্য অনুপ্রেরণা হতে পারেন। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে তাকে সার্বিক সহযোগিতা করার চেষ্টা করা হবে।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর