Views: 1

পিএম সৈকত:
দীর্ঘ ১৯ বছর পর কুড়িগ্রামের রাজারহাটে প্রকাশ্যে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল(বিএনপি)। এ উপলক্ষে র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। দিবসটি পালনের সুযোগ না দেওয়ার অভিযোগ তুলে অতীতের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বক্তব্য দিয়েছেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ও কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক আলহাজ্ব সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ।
রোববার (৮ নভেম্বর) বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘ফখরুদ্দিন-মঈনুদ্দিন সরকারের দুই বছর এবং আওয়ামী লীগ সরকারের ১৭ বছর—দীর্ঘ ১৯ বছর বিএনপিকে বিপ্লব ও সংহতি দিবসটি পালন করতে দেওয়া হয়নি। দীর্ঘ সময় পর এবার আমরা দিবসটি পালন করতে পারছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘সেই সময় বাংলাদেশের মানুষ স্বাধীনতা ও দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিল। তারা একটি নেতৃত্বের প্রয়োজন অনুভব করেছিল। এমন পরিস্থিতিতে শহীদ রাষ্ট্রপতি মেজর জিয়াউর রহমান নিজের পরিবারের মায়া ত্যাগ করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দেশের স্বাধীনতার জন্য ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেন। তাঁর সাহসী নেতৃত্ব ও ত্যাগ বাংলাদেশের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।’

এর আগে দিবসটি উপলক্ষে দলীয় ব্যানারে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করে উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ের সামনে এসে শেষ হয়। পরে সেখানে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট শফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও দলীয় নেতাদের উপস্থিতিতে সভায় আরও বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব সাহিদুল ইসলাম, জাকির হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম ও আব্দুর রাজ্জাক, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আব্দুল কুদ্দুস, সদস্য সচিব নয়ন আলী এবং জাকির হোসেন খান প্রমুখ।
সভায় বক্তারা জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে দলের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান। এ সময় উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের বিএনপি এবং অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।