• রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ভোটার এলাকা বদল ও নতুন নিবন্ধনের শেষ সময় ৩১ অক্টোবর ‘উদ্যোগ’ কর্মসূচিতে ৫৬ জেলায় আবেদন গ্রহণ শুরু ১ নভেম্বর রাশেদ খাঁনকে ‘পাল্টা জবাব’ দিলেন খালিদুজ্জামানের খুলনা ডিসি অফিসে অগ্নিকাণ্ড প্রতিবন্ধীদের দাবি বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগের আশ্বাস বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ফসলি জমির মাটি চুরি ও খামার ভাঙচুরের ঘটনায় জেলা প্রশাসক, ইউএনও ও থানায় মামলা কুড়িগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের ৩ জনসহ নিহত-৫ মাথাপিছু জিডিপিতে ভারতকে ছাড়াল বাংলাদেশ সৌদিগামী ১০৭ ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে ১৬ হাজার যাত্রী শারদীয় দুর্গোৎসবে ধর্মীয় সম্প্রীতি ও নিরাপত্তার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
স্বাগতম:
দৈনিক তোলপাড় পত্রিকায় প্রবেশ করায় আপনাকে স্বাগতম। গুরত্বপূর্ণ তথ্যের জন্য ওয়েবসাইটটির সাথেই থাকুন, আপনার প্রতিষ্ঠানের বহুল প্রচারের জন্য নিয়মিত বিজ্ঞাপন দিন +৮৮-০১৭১৯০২৬৭০০

রাজারহাট-আনন্দবাজার রাস্তা নয়, যেন দুর্ভোগের প্রতিচ্ছবি: ঠিকাদারের শাস্তি দাবিতে রাজারহাটে মানববন্ধন

তোলপাড় প্রতিবেদক:
আপডেট: রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২৬

Views: 2

পিএম সৈকত: 

কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রাজারহাট-আনন্দবাজার সড়কের সংস্কার কাজ দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকায় জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের অবহেলার প্রতিবাদে এবং দ্রুত কাজ শেষ ও দায়ীদের শাস্তির দাবিতে রবিবার(৫ জুলাই) সকাল ১১টায় রাজারহাট সাবেক সোনালী ব্যাংক চত্বরে বিশাল মানববন্ধন ও গণবিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রেল-নৌ যোগাযোগ ও পরিবেশ উন্নয়ন গণকমিটি, রাজারহাট উপজেলা শাখার আয়োজনে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ গ্রহন করেন। পরে কমিটির নেতৃবৃন্দ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদান করেছেন।

স্মারকলিপি ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাজারহাট বাজারের সাবেক সোনালী ব্যাংক মোড় থেকে ফরকেরহাট হয়ে আনন্দবাজার পর্যন্ত প্রায় ১১ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কটি ৭০ হাজার মানুষের একমাত্র যাতায়াত পথ। প্রায় ১৪ কোটি ৪৯ লাখ টাকা ব্যয়ে সড়কটির সংস্কারকাজের মেয়াদ ছিল ২০২৬ সালের ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত। তবে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান খায়রুল কবির রানা নির্ধারিত সময়ের অনেক পরেও কাজ সম্পন্ন করতে পারেনি। বরং প্রায় দেড় বছর ধরে সড়কটি খুঁড়ে ফেলে রাখায় এটি এখন স্থানীয়দের কাছে এক ‘মরণফাঁদে’ পরিণত হয়েছে।

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, রেল-নৌ যোগাযোগ ও পরিবেশ উন্নয়ন গণকমিটির সংগঠক খন্দকার আরিফ, তারেক রহমান ও আব্দুল্লাহ আল মামুন প্রমূখ।

বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, খোঁড়াখুঁড়ির কারণে সড়কে প্রতিনিয়ত ধুলাবালির সৃষ্টি হচ্ছে। এতে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, পথচারী ও স্থানীয় বাসিন্দারা শ্বাসকষ্ট, অ্যালার্জি ও বিভিন্ন চর্মরোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। সড়কটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ায় জরুরি রোগী বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স ও ফায়ার সার্ভিসের গাড়িও সময়মতো গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছে না। এ পরিস্থিতিতে রিকশা ও অটোরিকশা চালকেরা অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছেন। যা সাধারণ মানুষের ভোগান্তি আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

বক্তারা আরও বলেন, এলজিইডি একাধিকবার চিঠি দিলেও রহস্যজনক কারণে ঠিকাদার কাজ পুনরায় শুরু করেননি। এতে জনমনে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে। তারা অবিলম্বে ঠিকাদারের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে দ্রুত সড়ক সংস্কারকাজ সম্পন্ন এবং সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন। অন্যথায় বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও সমাবেশে তারা হুঁশিয়ারি দেন।


এই বিভাগের আরও খবর