• রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১২:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বিদেশ সফরের মূল উদ্দেশ্য ছিল দেশের মানুষের স্বার্থ রক্ষা করা সংসদে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী খাদ্য নিরাপত্তায় বাংলাদেশকে বিশাল সহায়তা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক চৌদ্দ চরে ২৩টি বাল্যবিবাহ রোধ করলেন ফ্রেন্ডশিপ রাজারহাটে চরের দরিদ্র মানুষের মাঝে ছাগল, ধান ও সবজি বীজ বিতরণ করলেন ড. আতিক মোজাহিদ এমপি শিল্প ও ব্যাবসা খাতে লাইসেন্স প্রক্রিয়া সহজ করছে সরকার —দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী ধরণীবাড়ী তেলিপাড়া জামে মসজিদে মতবিনিময় ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমার হয়ে করিডোরের প্রস্তাব দিলো চীন একই প্রশ্নে পরীক্ষা হবে মাদরাসা-কারিগরি ও সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে পবিত্র আশুরা উপলক্ষে তাজিয়া মিছিল ভ্রাম্যমান আদালতে ২ মাদকসেবীর জেল-জরিমানা
স্বাগতম:
দৈনিক তোলপাড় পত্রিকায় প্রবেশ করায় আপনাকে স্বাগতম। গুরত্বপূর্ণ তথ্যের জন্য ওয়েবসাইটটির সাথেই থাকুন, আপনার প্রতিষ্ঠানের বহুল প্রচারের জন্য নিয়মিত বিজ্ঞাপন দিন +৮৮-০১৭১৯০২৬৭০০

খাদ্য নিরাপত্তায় বাংলাদেশকে বিশাল সহায়তা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক

প্রধান প্রতিবেদক:
Update : শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬

 

বাংলাদেশে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, কৃষি উৎপাদন সচল রাখা এবং জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় ১ দশমিক ১ বিলিয়ন (১১০ কোটি) মার্কিন ডলারের দুটি প্রকল্প অনুমোদন করেছে বিশ্বব্যাংক। শুক্রবার (২৬ জুন) দুটি পৃথক প্রকল্পের আওতায় এ সহায়তা অনুমোদন করা হয়েছে বলে বিশ্বব্যাংকের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশ ও ভুটানের জন্য বিশ্বব্যাংকের বিভাগীয় পরিচালক জ্যাঁ পেসমে বলেন, এই অর্থায়নের মাধ্যমে ধান উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় সারের সরবরাহ নিশ্চিত করা, মানুষের কর্মসংস্থান ও জীবিকা রক্ষা এবং জরুরি সেবাগুলো সচল রাখতে সহায়তা করা হবে।-খবর তোলপাড়।

মোট অর্থের মধ্যে ‘ইমার্জেন্সি সাপোর্ট ফর ফুড সিকিউরিটি প্রজেক্ট’-এর আওতায় ৩০ কোটি মার্কিন ডলার (প্রায় ৩ হাজার ৬০০ কোটি টাকা) বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এই অর্থ দিয়ে ২০২৬ সালের জুলাই-অক্টোবরের আমন মৌসুম এবং ২০২৬ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৭ সালের এপ্রিল পর্যন্ত বোরো মৌসুমের জন্য প্রয়োজনীয় সার আমদানিতে সহায়তা করা হবে।

বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের মোট সারের চাহিদার ৮৫ শতাংশেরও বেশি আমদানিনির্ভর। এই প্রকল্পের মাধ্যমে ৬ লাখ টন গুরুত্বপূর্ণ সার আমদানির অর্থায়ন করা হবে, যার অর্ধেকই ইউরিয়া। এতে প্রায় ১৪ লাখ হেক্টর জমিতে ক্ষুদ্র কৃষকদের ধান চাষ অব্যাহত রাখতে সহায়তা মিলবে।

প্রকল্পটির টাস্ক টিম লিডার এবং বিশ্বব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ সুলেমান কৌলিবালি বলেন, দেশের মোট ধান উৎপাদনের প্রায় ৯০ শতাংশ আসে আমন ও বোরো মৌসুম থেকে। এছাড়া দেশের প্রায় অর্ধেক মানুষ কৃষির ওপর নির্ভরশীল। ফলে সারের সরবরাহ ব্যাহত হলে তা খাদ্য নিরাপত্তার পাশাপাশি কর্মসংস্থান ও দারিদ্র্য পরিস্থিতির ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

অন্যদিকে ‘কনটিনজেন্ট ইমার্জেন্সি রেসপন্স প্রজেক্ট’-এর আওতায় ৭১ কোটি ৩০ লাখ মার্কিন ডলার (প্রায় ৮ হাজার ৫৫৬ কোটি টাকা) দেওয়া হবে। এই অর্থ দ্রুত ছাড় করা হবে এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের নগদ সহায়তা, জীবিকা পুনরুদ্ধার কর্মসূচি এবং খাদ্য, ওষুধ, চিকিৎসা সরঞ্জাম, বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহের মতো জরুরি সেবা সচল রাখতে ব্যয় করা হবে। প্রকল্পটির অর্থ আগামী ৩০ জুনের মধ্যে ছাড় করা হবে।

বিশ্বব্যাংকের দুর্যোগ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞ লেসলি জিন ইউ করদেরো বলেন, বিদ্যমান প্রকল্পগুলোর অব্যবহৃত অর্থ পুনর্বিন্যাসের মাধ্যমে দ্রুত অর্থ ছাড়ের সুযোগ তৈরি হয়েছে। এর ফলে মানুষ, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান এবং কর্মসংস্থানকে অর্থনৈতিক ধাক্কার প্রভাব থেকে সুরক্ষা দেওয়া সম্ভব হবে।

বাংলাদেশ ও ভুটানের জন্য নিযুক্ত বিশ্বব্যাংকের ডিভিশন ডিরেক্টর জঁ পেম জানান, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকটের কারণে খাদ্য, সার ও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির পাশাপাশি রাজস্ব আয় সংকুচিত হওয়ায় বাংলাদেশের অর্থনীতি চাপে পড়েছে। এর সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে ক্ষুদ্র কৃষক এবং দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর ওপর।

তিনি বলেন, এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিশ্বব্যাংক তাৎক্ষণিক সহায়তা নিয়ে এগিয়ে এসেছে। অনুমোদিত প্রকল্পগুলো ধান উৎপাদনের জন্য সারের সরবরাহ নিশ্চিত করতে, সাধারণ মানুষের কর্মসংস্থান ও জীবিকা সুরক্ষায় সহায়তা করতে এবং জরুরি সেবাগুলো সচল রাখতে ভূমিকা রাখবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর